প্রাইমারী এ্যডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্লান ( পিইডিপ )-৩এর আওতায় কমিউনিকেশন স্ট্রেটেজিক বাস্তবায়ন ও মনিটরিং শীর্ষক দিনব্যাপী এক সঞ্জীবনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার কেরানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিস মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা সার্কেল সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোঃ ইামরুল হাসানের সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,প্রথমিক শিক্ষা ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক ইন্দু ভ’ষণ দেব। অন্যানের উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় সহকারী শিক্ষা অফিসার জেবা ফারহা ও মো.সাখাওয়াত এরশেদ,কেরানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাজেদা সুলতানা এবং সহকারি শিক্ষা অফিসার-প্রধান শিক্ষক,ইমামবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি সাংবাদিক মোঃ শফিক চৌধুরী ,আমবাগিচা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি সাংবাদিক আলতাফ হোসেন মিন্টু, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যত। দিনব্যাপী এ সঞ্জীবনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগিয় হকারী শিক্ষা অফিসার জেবা ফারহা শিশুদের প্রথম থেকেই কিভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও তার মনিটরিং কিভাবে করতে হবে সে বিয়য়ে সকলের সামনে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
আরো পড়ুন: কেরানীগঞ্জে ছাত্রীর আত্মহত্যা।
কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নের উত্তর বাহেরচর এলাকার ওমর আলী মুন্সির ছোট মেয়ে শাহরিন আক্তার (১৫) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা র অভিয়োগ পাওয়া গেছে।
বুধবার সকালে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন উত্তর বাহেরচর এলাকার নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। পরে নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত শাহরিন উত্তর বাহেরচর এলাকার হাজী আইনুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর ছাত্রী ছিলেন।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৮ টা থেকে ৯টার মধ্যে ওমর আলী মুন্সিসহ বাড়ির সকলেই যে যার কাজে চলে যায়। অন্যদিকে শাহরিনের সৎ মা নাস্তা তৈরীর জন্য রান্না ঘরে অবস্থান করছিল। এরই মধ্যে যে কোন সময় শোয়ার ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় শাহরিন। কিন্তু কি কারনে সে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে তা জানা যায়নি।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন আটিবাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সাদিকুর রহমান নিহতের পরিববারের বরাদ দিয়ে জানান, নিহত শাহরিনের বয়স যখন ৭ বছর। তখন তার মা রমেলা বেগম মারা যান। সে থেকে শাহরিন কারো সাথে তেমন কথাবার্তা বলতেন না। বাড়ি, মাদ্রাসা আর পড়ালেখা ছাড়া খেলাধুলা করতেন না। অনেকটা অটিজম শিশুদের মত আচারন করতেন। একা একা থাকতে ও খেলতে ভালবাসতেন। আজ সকালে খবর পেয়ে আমি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোডর্ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এব্যাপারে নিহতের পিতা বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি অপমৃতত্যু মামলা দায়ের করেছে।
নিউজ ঢাকা 24 সত্য প্রকাশে সাহসী