বিজ্ঞানের ভাষা সবচেয়ে সহজ ভাষা

E=MC² এই সূত্রটা বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন র্কতৃক আবিষ্কৃত এবং প্রদত্ত। এছারও বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানীগণ যেমন- স্যার আইজাক নিউটন, র্আকিমিডিস, টমাস আলভা এডিসন, জগদীশ চন্দ্র বসু সহ আরো অসংখ্য বিজ্ঞানীগণ বিশ্ববাসীর জন্য তাদের নিজস্ব বিজ্ঞানের ভাষা এ বহু কিছু আবিষ্কৃত করে গিয়েছেন। বিখ্যাত বিজ্ঞানীগণের আবিষ্কৃত সূত্রসমূহ আগেই সৃষ্টি হয়নি। এযাব যত সূত্র এবং গাণিতিক
ব্যাখ্যা আবিষ্কৃত হয়েছে কোন কিছুই আগে থেকে নিজ থেকে আবিষ্কৃত হয়নি। এগুলো আবিষ্কারের জন্য র্সবপ্রথম প্রয়োজন হয়েছিল বিজ্ঞানের নিজস্ব ভাষা আয়ত্ত করা। বিজ্ঞানের নিজস্ব ভাষা বলতে পৃথিবীতে যতগুলো ভাষা রয়েছে এসব ভাষাকে বোঝায় না বিজ্ঞানে নিজস্ব যে ভাষা রয়েছে এই ভাষাকে পৃথিবীর সকল ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়। আর এটাই হচ্ছে বিজ্ঞান, বিজ্ঞানের ভাষা এবং বিজ্ঞানের আবিষ্কার। যারা এই বিজ্ঞানের ভাষা নিজে নিজে সহজ ভাবে আয়ত্ত করে বিভিন্নভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করে একটি সমাধান খুঁজে বের করতে পেরেছিলেন প্রকৃতপক্ষে তারাই বিজ্ঞানের আবিষ্কার আবিষ্কৃত করতে পেরেছেন। যেসব বিজ্ঞানীগণ বিখ্যাত সূত্র সমূহ আবিষ্কার করেছিলেন তারা সবার আগে নিজস্ব বিজ্ঞানের ভাষায় পরীক্ষা-
নিরীক্ষা করে আবিষ্কার করেছেন। পরর্বতীতে এসব সূত্রই বিভিন্ন ভাষায় রূপান্তরিত হয়ে পৃথিবীর সব
ভাষাভাষী মানুষের কাছে বোধগম্য হয়েছে। সব রহস্য উন্মোচনের মূল জাদুকরি শক্তি হচ্ছে বিজ্ঞানের নিজস্ব
ভাষার শক্তি। সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ র্পযন্ত বিজ্ঞান। একটি শিশু যখন জন্মগ্রহণ করে তখন থেকেই তার ওপর বিজ্ঞানের নিজস্ব ভাষার এক অদ্ভুত অদৃশ্য সূত্র কাজ করতে থাকে। এরপর থেকে তার শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিজ্ঞানের ভাষায় পরিচালিত হয়।একটি শিশুর যখন ক্ষুধা পায় তখন তার মস্তিষ্কে যে একটি বিশেষ অনুভূতির সৃষ্টি হয় এবং যার মাধ্যমে সে কান্না করে এবং তার চাহিদাটা প্রকাশ করে সেটা
হচ্ছে বিজ্ঞানের ভাষা। একটি শিশু জন্মের পর পরই বিজ্ঞানের ভাষা দ্বারা চলমান জীবনের দিকে অগ্রসর
হতে থাকে। জন্মের প্রথমেই যে ভাষায় একটি শিশু শিক্ষিত হতে থাকে সেটি হচ্ছে বিজ্ঞানের ভাষা। এ ভাষায়
সে নিজে বুঝে এবং তার অনুভূতি আরেকজনের কাছে প্রকাশ করে। মহান সৃষ্টির্কতা মানুষের জন্মের সাথে
সাথেই যে অমূল্য সম্পদ দান করেন সেটি হচ্ছে বিজ্ঞান। আর এই জ্ঞানকে যে যত বেশি কাজে লাগবে পারে
সেই হয়ে ওঠে ততই মহাজ্ঞানী র্অথা বিজ্ঞানী। একটি শিশু যে ভাষাভাষীর হোক না কেন এই বিজ্ঞানের ভাষা একটি শিশুর জন্ম থেকে শুরু করে তার মৃত্যু র্পযন্ত তার পথ চলার সাথী। বিজ্ঞানী বিজ্ঞান সৃষ্টি করে না। বিজ্ঞান সৃষ্টি করে বিজ্ঞানীর। বিজ্ঞান হচ্ছে সবচেয়ে বোধগম্য ভাষা বিজ্ঞানের ভাষা হচ্ছে র্সাবজনীন ভাষা।বিজ্ঞানের জ্ঞানের কোনো শেষ নেই। বিজ্ঞানের নিজস্ব ভাষাই মানুষকে শিখিয়ে দেয় আবিষ্কারের
সূত্র। আর এই সূত্র ধরেই মানুষ মগ্ন হয় আবিষ্কারের নেশায়। এই আবিষ্কারের নেশাটাই আবিষ্কার করে বিজ্ঞানীদের। আমরা স্বীকার করি বা নাই করি আমাদের দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই বিজ্ঞানের ভাষায় কথা বলে। মস্তিষ্ক থেকে শুধু অনুমোদন দিলেই দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলো সে কাজগুলো করতে সক্ষম হয়। আবার কিছু কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে যেগুলোর উপর আমাদের হাত নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের মতো করে নিজেদের বিজ্ঞানের ভাষায় তাদের র্নিধারিত র্কমে মগ্ন থাকে।এভাবে আমাদের মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে আপাদমস্তক র্পযন্ত সমস্ত কিছু সর্ম্পূণ বৈজ্ঞানিক উপায় পরিচালিত হয়। স্বাভাবিকভাবে একজন কবি বা
একজন সাহিত্যিক যখন কবিতা বা সাহিত্য লিখেন এটি তার অন্তর থেকে তার ব্রেনের মধ্যে সেটআপ হয়ে যায়
সে ব্রেনের মধ্যে এটি জমা হয় এবং সেখান থেকেই তার লেখার সূত্রটি পরিচালিত হয়। দিনেদিন বললে ভুল হবে।বস্তুত পক্ষে ক্ষণে ক্ষণেই প্রতিনিয়ত আরোও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হচ্ছে। বিজ্ঞানের নিজস্ব ভাষা থেকেই আবিষ্কৃত বেগের সূত্রের মাধ্যমে র্বতমানে আমরা শব্দের গতিকেও অতিক্রম করে আলোর গতিকে নিজেদের আয়ত্তে আনার কৌশলের দিকেও এগোচ্ছি। এসব কিছুই হচ্ছে একমাত্র বিজ্ঞানের নিজস্ব ভাষার মাধ্যমেই সম্ভব হচ্ছে।সৃষ্টি থেকে শুরু করে আজও বিজ্ঞানীরা খুঁজে বেড়াচ্ছে সৃষ্টি রহস্য। যেখানে রয়েছে জ্ঞানের ভান্ডার সেখানে রয়েছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞান তার নিজের ভাষার মাধ্যমে যখন আগায় তখন সবকিছু আলোকিত করে দিয়ে অন্ধকারের রহস্য খুঁজে বেড়ানোর চেষ্টা করে। এভাবে সে একটি সফলতার গণ্ডি
পেরিয়ে আরেকটি সফলতার হাতছানি দিকে এগিয়ে যায়।এই পৃথিবী এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টি বিজ্ঞানের মাধ্যমে
আর সৃষ্টির্কতা সবচেয়ে মহাজ্ঞানী যিনি এই বিজ্ঞানকে সৃষ্টি করে বিজ্ঞানের ভাষাকে বোঝার জন্য প্রতিটি মানুষের মধ্যে এর সুপ্ত বীজ বপন করে দিয়েছেন। ফলশ্রুতিতে যার দরুন এই মানুষ বিজ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়ে জ্ঞানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে আজ র্পযন্ত এবং আগামীর পথে। আগে আমার কত কষ্ট করে গাণিতিক নামতা মুখস্ত করতাম। এখন শুধু ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে দুইটা বাটন টিপলেই আমরা যোগ বিয়োগ গুন ভাগ সহ বিভিন্ন ধরনের জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান করতে পারছি। এভাবে প্রতিনিয়ত বিজ্ঞানের ছয় আমরা অনেক দূর এগিয়ে এগিয়ে অসাধ্যকে সাধ্য করার জন্য বিভিন্ন ধরনের বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি এবং
যন্ত্রপাতির ব্যবহার করছি।আমরা যে বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক সূত্র, পর্দাথবিজ্ঞানের সূত্র, রসায়নের
রাসায়নিক সূত্র সহ বিভিন্ন ধরনের সূত্র। স্বাভাবিকভাবে একটু ভেবে দেখি। এই সূত্রগুলো কি আগে থেকে
এভাবে এসেছিল। এগুলো এমনি এমনি আমাদের কাছে আসেনি এগুলো আগে বিজ্ঞানীরা নিজেদের বিজ্ঞানের
ভাষায় আবিষ্কার করে তারপর এই সূত্রগুলো আবিষ্কৃত করেছেন। এখনই আবিষ্কৃত সূত্রগুলো সামনের দিকে
এমন ভাবে অগ্রসর হচ্ছে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মত র্অথা এই সূত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞান এখন আবিষ্কারের নেশায় মগ্ন হয়ে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছে। এই সূত্রই আরেকটি রহস্য উন্মোচনের জন্য আরেকটি সূত্র হয়ে দাঁডি়য়েছে।বিজ্ঞানের আবিষ্কারের ফলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এসেছে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্বাচ্ছন্দ্য। আদিম যুগ থেকে র্বতমান যুগ র্পযন্ত মানবসভ্যতার বিকাশ ঘটেছে। তার মূলে রয়েছে বিজ্ঞান। আদি থেকে আজ র্পযন্ত বিজ্ঞান সব রোগ-শোককে জয় করে অসাধ্যকে সাধ্য করার চেষ্টা চালিয়ে
যাচ্ছে। একজন ডাক্তার যতই বিদ্যা মুখস্ত করুক না কেন কঠিন চ্যালেঞ্জের সময় সে মুখস্ত বিদ্যা কোন কাজে আসে না। যখন একজন ডাক্তার অথবা বিশেষজ্ঞ কোন অপারেশন করতে যায় আর সেই অপারেশনের যদি কোন কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করতে হয় সে ক্ষেত্রে তার মুখস্থ বিদ্যা থেকে সবচেয়ে বেশি কাজে আছে তার নিজস্ব বিজ্ঞানের ভাষা দ্বারা আয়ত্ত করা জ্ঞান। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে বেগ, সভ্যতার পদক্ষেপকে করেছে দ্রুততর, পৃথিবীকে করেছে ছোট। মানুষ তার যুগ যুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনার অনবদ্য ফসল দিয়ে সভ্যতার এ বিশাল ইমারত গড়ে তুলেছে। নিজের প্রাণশক্তি তিল তিল করে সঞ্চিত করে, বুকের রক্ত বিন্দু বিন্দু ঢেলে দিয়ে রচনা করেছে সভ্যতার এই তিলোত্তমা র্মূতি। সে সভ্যতার বেদিমূলে রয়েছে বাহুর শক্তি,মস্তিষ্কের বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি এবং হৃদয়ের ভালোবাসা। বিজ্ঞান মানুষের অতন্দ্র সাধনার ফসল।

বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে অনিঃশেষ শক্তির অপ্রতিরোধ্য জয়যাত্রা। বিজ্ঞানের আবিষ্কারই পারে ধ্বংস ডেকে আনতে আবার সুন্দর কিছু সৃষ্টি করতে। বস্তুত পক্ষে বিজ্ঞানের ভাষা শুধু আবিষ্কারের নেশায় মগ্ন থাকে। একদিকে বিজ্ঞানের ভাষা বুঝে যেমন আবিষ্কার করা হয় মানব সভ্যতা বিধ্বংসকারী অস্ত্র তেমনি অন্যদিকে বিজ্ঞানের এই ভাষাক্র বুঝেই আবিষ্কার করা হয় কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচানোর ঔষধ।

বিজ্ঞানে আবিষ্কার আমরা কোন পথে ব্যবহার করব র্অথা ভালো কাজে অথবা মন্দ কাজে এটা নিয়ন্ত্রণ
হয় আমাদের প্রয়োগের উপর। র্অথা আমরা যদি বিজ্ঞানের আবিষ্কার কে ভালো পথে ব্যবহার করে প্রয়োগ করে সেটা উন্নতি ডেকে আনবে আর যদি আমরা বিজ্ঞানের আবিষ্কার কে খারাপ পথে ব্যবহার করি তাহলে ধ্বংস অনির্বায। বিজ্ঞানের ভাষা শুধু আবিষ্কারের নেশার মধ্যেই আচ্ছন্ন থাকে। আমাদের প্রকৃত বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে আমরা বিজ্ঞানের এই ভাষাকে ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করব না সৃষ্টির কাজে ব্যবহার করব এটা র্নিভর করবে আমাদের সদিচ্ছার উপর। আমরা যদি স বুদ্ধিমত্তার উদয় ঘটাতে পারি
তবেই বিজ্ঞানের ভাষার এই আবিষ্কারের নেশা আমাদের বুদ্ধিমত্তাকে আরো সমৃদ্ধি করে আবিষ্কারের নেশায় আমাদেরকে মগ্ন রাখবে। বিজ্ঞানের ভাষাই নতুন সভ্যতাকে নিয়ে আসে এবং নতুন দিনকে আমন্ত্রণ জানায়। নতুন দিন বা নতুন সভ্যতা কখনোই নতুন বিজ্ঞানের সৃষ্টি করতে পারে না। বিজ্ঞানের ভাষা সচল এবং পানির মত সরল এবং পানির মতোই তরল পর্দাথের গুণাবলীতে গুণান্বিত। র্অথা যে পাত্রে রাখা হয় সে পাত্রে রাখার ধারণ করে। এর মানে এই দাঁড়ায় যে বিজ্ঞানের ভাষা বুঝে বিজ্ঞানকে নিজের মতো করে
আবিষ্কার করে আমি যেভাবে ব্যবহার করতে চাইবো সেভাবেই ব্যবহার করতে পারব। বিজ্ঞানের ভাষা বুঝে
বিজ্ঞানকে নিজের মত করে ব্যবহার করাই হচ্ছে একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। বিজ্ঞানের ভাষা বুঝে
বিজ্ঞানকে আবিষ্কারের আসল সাধ হল এই যে রসের ভেতরে রসগোল্লা। যতই আমরা রসগোল্লার স্বাদ আস্বাদন করব ততই আমরা মিষ্টির স্বাদের তৃপ্তিতে পরির্পূণ হতে থাকব। পৃথিবীর বুকে যতগুলো বোঝা এসেছিল সব বোঝাকে সোজা এবং সহজ করে দিয়েছে বিজ্ঞানের ভাষা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আমাদের জীবনে গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা পালন করে। এরা একে অপরের সাথে একই সূত্রে বাঁধা এরা পরস্পরের সাথে নিবিড়ভাবে সর্ম্পকিত।প্রযুক্তি উদ্ভাবনে মানুষ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ব্যবহার করে থাকে। আর বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের
প্রকৃত ভাষায় হচ্ছে বিজ্ঞানে নিজস্ব ভাষা।দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা মহাকাশের বিভিন্ন বস্তু র্পযবেক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন অন্যদিকে খালি চোখে দেখা যায় না এমন জিনিস অনুসন্ধানে বিজ্ঞানীরা অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে থাকেন। র্অথা যেটা দূরে অনেক দূরে চোখের সীমানার বাইরে সেটা কি দেখার জন্য বিজ্ঞান যেমন নিজের ভাষায় দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছে তেমনি একেবারে চোখের
সামনের জিনিস যেটা খালি চোখে দেখা যায় না সেটা দেখার জন্য অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেছে। বিজ্ঞানের জ্ঞানের ভাষাকে বোঝার শক্তি মানবজাতিকে সবকিছু থেকেই করেছে সর্ম্পূণ আলাদা। বানিয়েছে সৃষ্টির সবচেয়ে সেরা জীব। যার প্রকৃত কারণ হচ্ছে বিজ্ঞানের জ্ঞানে নিমজ্জিত হওয়া। অজোপাড়া গায়ের ছেলেমেয়েরা এখন বিজ্ঞান না পড়াশোনা করেও বিজ্ঞানের ভাষা বোঝে। প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান লাভ না করেও তারা প্লেন, হেলিকপ্টার ড্রোন সহ অত্যাধুনিক অনেক কিছু বানাচ্ছে। শিক্ষিত হোক বা অশিক্ষিত হোক তারা বিজ্ঞানের ভাষা বুঝে বিকল্প উপায় বিদ্যু আবিষ্কার করছে আবার জেনাটারও আবিষ্কার করছে। কৃষি কাজে
ব্যবহৃত করছে তাদের আবিষ্কৃত নতুন নতুন অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। তাদের এই আবিষ্কারের জন্য প্রয়োজন
হয়নি কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অথবা বড় বড় ডিগ্রির তারা বিজ্ঞানের ভাষার শিক্ষিত হয়ে সেই বুদ্ধিমত্তার ডিগ্রি র্অজন করে অসাধ্যকে সাধ্য করে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই অদম্য জয়ের শক্তি আজ বিজ্ঞানের ভাষাকে করেছে আরো ত্বরান্বিত বিজ্ঞানের ভাষাকে করেছে আরো সহজ থেকে সহজতর। অনেকই দেখে দেখে নিজের বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে বিজ্ঞানের ভাষাকে আয়ত্ত করে হাতের কাছে সহজলভ্য
যন্ত্রপাতি দিয়ে মোটরসাইকেল গাডি়সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স জিনিস বানাচ্ছে। কম বয়সী বাচ্চারা নিজে নিজে প্রোগ্রামিং শিখছে। কেউবা নতুন নতুন গেম আবিষ্কার করছে।কেউবা হ্যাকিং করে সবকিছু হাতিয়ে নিচ্ছে আরেকদিকে কেউবা তাদের কাছ থেকে হ্যাকিং করে সব তথ্য সুন্দর হওয়া সংরক্ষণ করছে। কেউ বা নতুন নেটওর্য়াকিং বন্ডিং তৈরি করছে। নতুন নতুন নেটওর্য়াকিং প্লান করছে। বিজ্ঞানের এই ভাষার বলেই আজ মহাকাশে সৃষ্টি হওয়া অসংখ্য শব্দের ভাষাকে বোধগম্য করার অক্লান্ত চেষ্টা চলছে। মহাকাশ থেকে সমুদ্র র্পযন্ত বিজ্ঞানের অসংখ্য অজস্র রহস্য আজও বিজ্ঞানের ভাষা দ্বারা আবিষ্কৃত হচ্ছে। যারা খুব অল্প
বয়সে বিজ্ঞানের নিজস্ব ভাষা আয়ত্ত করতে পেরেছে এবং যারা উচ্চশিক্ষিত না হয়েও বিজ্ঞানের ভাষাকে
আয়ত্ত করতে পেরেছে এখন প্রস্ন হলো তারা কিভাবে বিজ্ঞানের ভাষা জানল অথবা তারা কিভাবে বিজ্ঞান
অধ্যয়ন করল। তারা কোথা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক বড় বড় ডিগ্রি প্রাপ্ত হলো। মূলত তারা কোন প্রাতিষ্ঠানিকশিক্ষা এবং বড় বড় ডিগ্রী না নিয়েও তারা শিক্ষিত হয়েছে তাদের নিজস্ব বিজ্ঞানের ভাষার মাধ্যমে। তারা বিজ্ঞানের ভাষায় শিক্ষিত দীক্ষিত এবং তারা বিজ্ঞানের ভাষায় অবগত হয়েই আজ বিজ্ঞানের বলে বলিয়ান। বিজ্ঞান হচ্ছে জ্ঞানের সাগর আর এই জ্ঞানের সাগরের কোন কুল কিনারা নেই শুধু রহস্যই এবং রহস্য আর এই রহস্যের উন্মোচিত হয় বিজ্ঞানের নিজস্ব জ্ঞানের অর্ন্তনিহত শক্তির দ্বারা। এ শক্তিকে যে যতটুকু
কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানের ভাষাকে আয়ত্ত করতে পারবে সে ঠিক ততটুকই বিজ্ঞানের ভাষায় শিক্ষিত হতে
পারবে। প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য বড় বড় ডিগ্রীর প্রয়োজন হয় না। ইতিহাস সাক্ষী যারা পৃথিবীর
শ্রেষ্ঠ বিখ্যাত বিজ্ঞানী ছিলেন তারা কেউ বড় বড় ডিগ্রি নিয়ে বিজ্ঞানী হননি বরং তাদের আবিষ্কারের সূত্র ধরেই আধুনিক বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সৃষ্টি হচ্ছে। পরিশেষে বলা যায় নিজের মনের ভেতর সুপ্ত অবস্থায় থাকা সবচেয়ে সহজ ভাষাটি হচ্ছে বিজ্ঞানের ভাষা। আগামীতে আরো চমকপ্রদ প্রযুক্তি আসবে আমাদের সামনে, যা হয়তো আমাদের জীবন সর্ম্পকে ধারণা বদলে দেবে বহুগুণ। তখনোও বিজ্ঞানের এই নিজস্ব ভাষা
সহজভাবে চলমান থাকবে…

লেখক:মো. জাহিদুল ইসলাম
আইসিটি সেল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

আরো পড়ুনঃ পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি এর উদ্যোগে নাগরিক সভা

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে [sharethis-inline-buttons]

Check Also

কেরানীগঞ্জ; ঢাকা জেলার বুকে একটি আদর্শ নগরী

কেরানীগঞ্জ; ঢাকা জেলার বুকে একটি আদর্শ নগরী

কেরানীগঞ্জ; ঢাকা জেলার বুকে একটি আদর্শ নগরী কেরানীগঞ্জ, ঢাকা জেলার ৫টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে কাছের …

error: Content is protected !!