জাবিতে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, প্রক্টর আহত

জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহ ৬ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৬ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সামনে থেকে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। যা ক্যাম্পাসে বটতলায় এসে চূড়ান্ত রুপধারণ করে ।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেল ও বর্তমান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সুফিয়ান চঞ্চলের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।সংঘর্ষ চলাকালে গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটে।
এর আগে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেল ক্যাম্পাসে তার স্ত্রীকে নিয়ে ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসেন। এ সময় বর্তমান সম্পাদক চঞ্চল চৌধুরী নেতাকর্মীদের নিয়ে রাসেলকে মারধর করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজিবের অনুসারীরা হল থেকে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র নিয়ে বের হয়ে বর্তমান সাধারণ সম্পাদকের হল শহীদ সালাম বরকত হলে হামলা চালাতে যায়। এতে দুগ্রুপের মাঝে সংঘর্ষ বাঁধে।
খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে পৌছায়।এসময় একটি ইটের আঘাতে প্রক্টর আ স ম ফিরোজ আল হাসান সহ প্রায় ৬ জন আহত হন।পরে তাদের সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দু গ্রুপের নেতা-কর্মীদেরকে শান্ত করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে চলকালে সর্বমোট ৬ রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে।

এ ব্যাপারে শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে দুজনেই কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।তবে যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তাতে যে কোন মূহুর্তে আবার সংঘর্ষ বাঁধতে পারে। তাই আমরা পুলিশ মোতায়েনের চিন্তা করেছি।তিনি আরো বলেন,এ ধরণের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। আশা করছি তারা দুজন খুব দ্রুতই নিজেদের মধ্যের দূরত্ব এবং সমস্যার সমাধান করবে।

উল্লেখ্য,দলের নেতা-কর্মীদের মাঝে আধিপত্য বিস্তার ও নিয়োগ বাণিজ্যের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুটি ভাগে ভাগ হয়েছে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ।আর এ গ্রুপিং হওয়ার ফলেই এই মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

আরো পড়ুন: কবুতর হতে পারে মৃত্যুর কারন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে [sharethis-inline-buttons]

Check Also

কেরানীগঞ্জে বাড়ি দখল ও মারধোর করার অভিযোগে মানব বন্ধন

ঢাকার কেরানীগঞ্জে জোড়পূর্বক বাড়ি দখল ও মারধোর করার অভিযোগ এনে মো: ইয়াসিন নামে এক ব্যাক্তির …

error: Content is protected !!