অনলাইন জুয়া বেড়েছে, নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন- সিআইডি

অনলাইন জুয়া বেড়েছে, নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন- সিআইডি

অনলাইন জুয়া (গ্যাম্বলিং ) নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া।

তিনি বলেছেন, সিআইডি সহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা ও ডিভাইস জব্দসহ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পারত। কিন্তু নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে অবৈধ অর্থ পাচারের ধারায় এখন সেটি সম্ভব হচ্ছে না। আমরা সহজে কিছু করতে পারছি না। নতুন আইন হওয়ার পর অনলাইন জুয়ার অভিযোগে কোনো মামলা হয়নি। অথচ অনলাইন জুয়ার অবৈধভাবে অর্থপাচার বাড়ছে। এখনই দরকার অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণ আইন।

রোববার (৩০ জুন) দুপুরে সিআইডি সদর দপ্তরে সাবমিশন অব রিসার্চ রিপোর্ট অন চ্যালেঞ্জ অব কন্ট্রোলিং ইলিগ্যাল মানি ট্রান্সফার থো মোবাইল অ্যাপস : এ স্টাডি অন অনলাইন গ্যাম্বলিং শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সভ্যতার প্রয়োজনে প্রযুক্তি এগোচ্ছে এবং তা এগোতেই থাকবে। জাতি হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তার সঙ্গে আমাদের তাল মেলাতেই হবে। সেই প্রয়োজনকে মাথায় রেখেই বাংলাদেশে ডিজিটাল বিপ্লব শুরু হয়েছিল।
বাংলাদেশ অনেকটা পথ এগিয়েও এসেছে। কিন্তু যেকোনো প্রযুক্তির মতোই ডিজিটাল প্রযুক্তিরও কিছু খারাপ দিক রয়েছে। জন্য প্রযুক্তি দায়ী নয়, দায়ী প্রযুক্তির অপব্যবহার। 

বাংলাদেশ ডিজিটালি দ্রুত এগোচ্ছে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের চেষ্টা চলছে। অপরাধীরাও এসব প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমেই বেশি করে করতে থাকবে। এটাই বাস্তব। এই অপরাধ দমনে যথেষ্ট প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) ব্যবহার করে চালানো হচ্ছে জুয়ার অ্যাপ।

অনুমোদনহীন গেটওয়ের মাধ্যমে বন্ধ হওয়া সাইট বা নতুন সাইট ব্রাউজ করে জুয়া খেলা চলছে। অনলাইন ক্যাসিনোর সাইটগুলোর ডোমেইন দেশের বাইরে। নির্ধারিত সময় পর পর এসব সাইটের আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) ঠিকানা পরিবর্তন করে নিয়ন্ত্রণকারীরা। নজরদারির মাধ্যমে গেটওয়ে এবং প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার বন্ধ করা না গেলে অনলাইন জুয়া আরো ভয়াবহ রূপ নেবে। তাই জরুরি ভিত্তিতে সচেতনতা সৃষ্টি  নিয়ন্ত্রণমূলক কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে।

সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, অনলাইন জুয়া এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এর মাধ্যমে নিয়মিত দেশ থেকে ই-মানির মাধ্যমে টাকা পাচার হচ্ছে। কোনো একটি সংস্থার পক্ষে এই অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ।

আরো পড়ুনঃ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস

 

Check Also

প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ পরিচালকের বিরুদ্ধে চুরির মামলা

মারধর, হত্যাচেষ্টা, চুরির অভিযোগে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মলয় কুমার সুরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের …