ধর্ষনের বিরুদ্ধে মন্ত্রীর ফেসবুক স্ট্যাটাস

ধর্ষককে ধরিয়ে দিতে মন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের ফেসবুক স্ট্যাটাস

বনানীর এক রেস্টুরেন্টে জন্মদিনের এক পার্টিতে দাওয়াত দিয়ে দুই শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষকদের ধরিয়ে দিতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছে  পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে শাহারিয়ার আলম লিখেছেন, ‘আপনারা যারা নাঈম আশরাফ, সাফাত আহমেদ, , বিল্লাল হোসেন, সাদনান ও সাকিফকে চেনেন, তারা অনুগ্রহ করে বনানী থানায় জানান এবং ছবি প্রকাশ করুন যেন অন্য কেউ তাদের ধরিয়ে দিতে পারে।’

শাহরিয়ার আলম আরো লিখেছেন, ‘এদের মধ্যে সাফাত ও নাঈম দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং তারা ওই দুই ছাত্রীর বন্ধু বলে পুলিশ পরিদর্শক মতিন জানান। এরাই অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করেছেন দুই ছাত্রী।’

এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের একজন আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ (২৬)।  আরেক জন আসামি সাদমান সাকিফ (২৪) পিকাসো রেস্টুরেন্টের মালিকের ছেলে। ঘটনার সাথে ক্ষমতাসালীদের সন্তান জড়িত থাকায় তাদের নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য নানা ততপরতা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। কিন্তু পুলিশতা অস্বীকার করেছে।

প্রসঙ্গত গত ২৮ মার্চ দ্য রেইন ট্রি হোটেলে জন্মদিনের এক পার্টিটে ইনভাইট করে দুই ছাত্রীকে ধর্ষন করা হয়। ঘটনার ৭ দিন পরে  ভুক্তভোগীরা বনানী থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে।

ধর্ষক

সেদিন যা ঘটেছিল দ্য রেইন ট্রি হোটেলে:

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী তরুনীদের একজন উল্লেখ করে বলেন আসামিরা ২৮ তারিখ সকাল থেকে পর দিন সকার ১০টা পর্যন্ত আমাদের আটকে রেখে মারধোর করে এবং অশ্লীল গালিগালাজ করে।

আমাকে ও আমার বা্ন্ধবীকে রুমের মধ্য আটকে রেখে জোরপূর্বক নেশা জাতীয় মদ্যপান করে আমাদের দুজন কে একাধিক বার ধর্ষন করে।

৩ নং আসামি সফিককে সাথে ২ বছর ধরে পরিচয়। সফিকের মাধ্যমে এক নং আসামির সাথে পরিচয় হয়। গত ২৮ মার্চ তার জন্মদিন উপলক্ষে ১ নং আসামি তার গাড়িচালক ও দেহরক্ষী পাঠিয়ে আমাদের কে নিকেতন হতে বনানী রেষ্টুরেন্টে নিয়ে যায়।

হোটেলের ছাদে বড়ো অনুষ্ঠান হবে বলে্ আমাদের নেয়া হয়েছিলো। কিন্তু যেয়ে দেখি কোন লোক নাই। পরবর্তীতে আমাদের জোড় পূর্বক ধর্ষন করে। এবং ধর্ষনের সময় গাড়িচালককে ভিডিও করতে বলে সাফাত।

 

ঘটনার প্রতিবাদের কথা বললে নাইম আমাকে অনেক মারধর করে। এবং পরবর্তীতে আমাদের বাসায় দেহরক্ষী পাঠায় আমাদের তথ্য সংগ্রহ করার জন্য। এতে আমরা ভয় পেয়ে যাই এবং লোক লজ্জার কথা ভেবে মামলা করতে দেরি হয়ে যায়।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ময়মনসিংহের ত্রিশালে যে কারণে সন্তানের লাশ নিতে রাজি হননি পিতা

তাসনীমুল হাসান মুবিন,ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত আরাফাত হোসেনের (১৭) লাশ দাফন করতে নিতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!