ভাইস চেয়ারম্যান

ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এইচ এম রুবেল

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন এইচ এম রুবেল।

এইচ এম রুবেল ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি।  রুবেল বলেন, আমি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী।দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতি করছি। ত্যাগ তীতিক্ষা সহ্য করেছি, আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছি। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিবেন বলে শতভাগ আশাবাদি।

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যুবসমাজ ও ছাত্রসমাজের প্রতিনিধিত্ব করতে “বিপু ভাই ও শাহীন ভাইয়ের আস্থা ভাজন এইচ এম রুবেল কে কেরানীগঞ্জ  উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়াম্যান হিসেবে দেখতে চাই” এমন পোষ্ট করে উৎসাহ ও সমর্থন জানাতে দেখা গেছে কেরানীগঞ্জের অনেক ছাত্রনেতা ও জন সাধারনকে।

ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক  সহ-সভাপতি  রুবেলের গুণগান সম্বলিত ফেসবুক পোষ্ট এখন প্রায়ই লক্ষণীয়। বিনয়ী, আত্মপ্রত্যয়ী, ও কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত এইচ এম রুবেল দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত । তার পক্ষে ইতিমধ্যে  প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন এই ক্লিন ইমেজের নেতার শুভাকাঙ্খী ও অনুসারীরা।

এসব বিষয়ে ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মনির হোসেন রাজীবের সাথে কথা হলে  তিনি বলেন, এইচ এম রুবেল একজন পরীক্ষিত বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। বিনয়ী ও মেধাবী নেতৃত্বগুণ সম্পন্ন হওয়ায় আমি তাকে খুবই পছন্দ করি। আমার বিশ্বাস দল মনোনয়ন দিলে কেরানীগঞ্জবাসী উপকৃত হবে”।

এইচ এম রুবেল আরো  বলেন , “আমি দীর্ঘদিন ছাত্ররাজনীতি করেছি,  চেষ্টা করেছি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন বিশ্বস্থ কর্মী হিসেবে কাজ করতে। আমি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলাম। হতে পারিনি বলে কখনও ছাত্রলীগের দূর্নাম ছড়াইননি, আমার সাথে যারা রাজনীতি করেছে তাদের দূরে সরিয়ে দেইনি সবসময় তাদের পাশে থেকেছি সাধ্যমত।  দলের জন্য বিপু ভাই ও শাহীন ভাইয়ের নির্দেশ মতো  কাজ করেছি নিজের সবটুকু মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে। আমাকে যদি কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে আমার বিশ্বাস আমি বিপুল ভোটে জয়ী হবো ইনশাআল্লাহ।

নিউজ ঢাকা ২৪।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

অলিখিত ভাবে শারদীয় উৎসব নিষিদ্ধ করেছে বিএনপি: সাংসদ বকুল

সজিবুল হৃদয়: ‘বিএনপি -জামাত বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে অলিখিত ভাবে শারদীয় উৎসব নিষিদ্ধ করেছিলো। তারা রাজনৈতিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!