ছাপাখানা

নির্বাচনকে কেন্দ্র কর ব্যস্ত সময় পার করছে ছাপাখানার মালিক শ্রমিকেরা।

বছরের শেষ দিকে নতুন বছরের জন্য ডাইরি, ক্যালেন্ডার, বই ছাপানোর কাজে প্রচুর ব্যস্ত সময় কাটে ছাপাখানা গুলোতে, তার উপর জাতীয় নির্বাচন , সব মিলিয়ে হিমশিম থেতে হবে ছাপাখানা গুলোর মালিক শ্রমিকদের।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ছাপাখানায় মালিক শ্রমিকরা এখন মহাব্যস্ত। বছরের শেষ এই সময়টিতেই এমনিতেই ছাপাখানাগুলো ব্যস্ত থাকে। নতুন বছরের ক্যালেন্ডার, ডাইরী, পাঠ্যপুস্তক তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করতে হয় তাদের তার উপর আবার নির্বাচন। নির্বাচনী  পোস্টার , স্টিকার তৈরীতে তাদের অনেক ব্যস্ত সময় পার করতে হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যবসা ধরার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ছাপাখানা গুলো। চাহিদার কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যে তারা কগজ, কালি সহ বিভিন্ন উপকরন সংগ্রত করে রেখেছে। সিজনের সময় যেন কর্মী সংকটে পরতে না হয় তার জন্য ইতিমধ্যে অনেকে কর্মীদের এডভান্স ও দিয়ে রেখেছেন।  সরজমিনে রাজধানীর জিন্দাবাহার, পল্টন, ফকিরাপুল থাকা ছাপখানা গুলোর সাথে কথা বলে এ তথ্য যানা গিয়েছে।

নির্বাচনের মনোনয়ন এখোনো কোন দল ই চুড়ান্ত করে নি। তবে কিছু কিছু হেবিওয়েট প্রার্থী যাদের মনোনয়ন কনফার্ম তারা জানেন, তারা ইতিমধ্যে অর্ডার দিয়ে গেছেন। আর বাকিরা অর্ডার করবেন দল থেকে মনোনয়ন চুড়ান্ত হবার পরে এবং প্রতীক বরাদ্ধ হবার পরে। তবে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে জনসাধারনের মধ্যে প্রচারনার জন্য তিন চার মাস আগে থেকেই শুভেচ্চা ব্যানার পোস্টার নিজ নিজ এলাকায় টানিয়েছেন অণেকেই।

ছাপাখানা গুলোর নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে কথা হয় পল্টনের শিখা প্রডাক্টসের মালিক মোস্তাক আহমেদ এর সাথে। তিনি বলেন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখোনো তেমন অর্ডার আশা শুরু করে নি। মনোনয়ন চুড়ান্ত হবার পরেই অর্ডার আসবে অনেক। দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির সাথে সাথে কাগজ কালির দাম ও বেড়ে গেছে। তার কাছ থেকে আরো জানা যায়, এক কালার প্রতি হাজার পোষ্টার করতে খরচ হবে দুই হাজার পাচশ টাকা। আর চার কালার করালে হাজার প্রতি খরচ হবে পাচ থেকে সাড়ে পাচ হাজার টাকা। সাধারনত আমরা বছরের এই সময়টা ডায়েরী ক্যালেন্ডার তৈরীতে ব্যস্ত থাকি তার উপর নির্বাচন চলে এসেছে । এক সাথে দুইটা সিজন ধরতে আমাদের খুব কষ্ট হয়ে যাবে।

পুরান ঢাকার নয়াবাজারের জিন্দাবাহার এলাকার রিপন প্রিন্টার্সের মালিক সাইফুল ইসলাম (নয়ন) বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে পোস্টার ছাপানোর বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। যদি ও কাগজের দামটা একটু বেশি হওয়ায় খরচ ও আমাদের বেড়ে গেছে। এমনিতে বছরের অন্যান্য সময় আমাদের তেমন কাজ থাকে না। বছরের শেষ সময়ে ই মূলত আমাদের সিজন তার উপরে নির্বাচনের পোষ্টার,স্টিকার তৈরীর কাজ। সব মিলিয়ে আশা রাখি এ বছর ব্যবসা ভালো যাবে।

রাজধানীর ফকিরাপুলের লায়লা প্রিন্টার্সের মালিক সাবের হোসেন বলেন, আগে রাজনৈতিক পোস্টার ব্যানার অণেক করতাম । কিন্তু অনেক বছর হলো রাজনৈতি পোস্টারের অর্ডার কম। গেল বার নির্বাচনে কাজ তেমন পাই নি বললেই চলে। এবার সব দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আশা করি ব্যবসা ভালো হবে আমাদের। নির্বাচনের সব ধরনের কাজ করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।

ছাপা খানার কর্মীরা বলছেন, গত এক মাস ধরে কাজের চাপ বেড়েছে। যেখানে এক মাস আগে বিভিন্ন দোকানের ক্যাশম্যামো, ভিজিটিং কার্ড বানানোর কাজ করতে হতো, এখন নির্বাচনের জন্য নেতাদের পোস্টার ও স্টিকার বানাতে হচ্ছে। আর নির্বাচন যতো ঘনিয়ে আসবে এই কাজ আরও বাড়বে। এতে করে আমরা বাড়তি কিছু টাকা আয় করতে পারবো।

তবে সময়ের পরিবর্তণের সাথে সাথে প্রচারনার ও পরিবর্তণ ঘটেছে। ইদানিং পোস্টারের চেয়ে ডিজিটাল ফেস্টুনের ব্যবহার ও বেড়েছে অনেক। খরচ কম হওয়ার

 

 

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

টাঙ্গাইলে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গের সাথে মেয়র প্রার্থী সিরাজুলের মত বিনিময়

নাসির উদ্দিন,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে সকল পর্যায়ে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা করলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার …

One comment

  1. I know this if off topic but I’m looking into starting my own weblog and was curious what all is required to get set up?
    I’m assuming having a blog like yours would cost a pretty penny?
    I’m not very web savvy so I’m not 100% sure. Any tips or advice would be greatly appreciated.
    Thank you

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!