বাংলাদেশ

টানটান উত্তেজনার ম্যাচে টাইগারদের জয়, ফাইনালে বাংলাদেশ

অাজকের খেলার শুরুতে ম্যাচে একের পর এক চমক ছিলো।একদিকে উইকেট যেতে শুরু করে লংকাদের।যার ফলে সবাই ভেবে নিয়ে ছিলো অাজকে টাইগারদের জয় হবেই।তবে অঘোষিত সেমিফাইনাল ম্যাচে সাকিবকে নিয়ে ছিলো যত জল্পনা কল্পনা। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সাকিবের প্রত্যাবর্তন হয় মাস্ট উইন গেমে, এবং তার নেতৃত্বেই হাতুরুর লংকাকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিলো বাংলাদেশ

কলোম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টসে জিতে বোলিং করা সিদ্ধান্ত নেয় সাকিব। শুরু থেকেই চাপে রেখে শ্রীলংকাকে কোণঠাসা করে শটস খেলতে বাধ্য করে। সাকিবের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে তার প্রথম ওভারে মাত্র তিন রান নিতে সক্ষম হয় লংকানরা। কিন্তু সাকিবের প্রথম ওভারের পরের ওভারে অভারেই সেই ফল আসে গুনাথিলাকার উইকেটের মাধ্যমে।

এরপর মুস্তাফিজ ও মেহেদি মিরাজের দাপুটে বোলিংয়ে দ্রুত প্রথম পাচ উইকেটের পতন হয় লংকানদের। মুস্তাফিজ ফেরান ১৪ বলে ১১ কুশাল মেন্ডিস এবং শুণ্য রানে ফেরান হার্ড হিটার দাসুন শানাকাকে। এর মাঝেই চাপে পড়া লংকানদের আরেক ব্যাটসম্যান উপুল থারাংগা ফেরেন রান বের করতে করতে গিয়ে। এরপর মিরাজও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাধ্যমে দ্রুতই জিভান মেন্ডিসকে ফেরান। ফলে মাত্র ৮.১ ওভারেই মাত্র ৪১ রানেই মূল্যবান পাচ উইকেট পতনের মাধ্যমে ব্যাকফুটে চলে যায় লংকানরা।

তবে এরপর কাপ্তান থিসারা পেরেরাকে সাথে নিয়ে ৬১ বলে ৯৭ রানের মমেন্টাম চ্যাঞ্জিং পার্টনারশিপের মাধ্যমে শ্রীলংকাকে ম্যাচে ফেরায় সনাথ জয়সুরিয়ার ক্লোন খ্যাত কুশাল পেরেরা। ১৮.২ ওভারের সময় ডেপথ ওভারে সৌম্যের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের শিকার হয় ৪০ বলে ৬১ রান করা ডেঞ্জার ম্যান কুশাল পেরেরা। তারপরের ওভারে আরেক মারমুখি ব্যাটসম্যান, ৩৭ বলে ৫৮ করা থিসারা পেরেরাকে ফেরান রুবেল। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারয়ে ১৫৯ রানের লড়াই করার মতন স্কোর দাড় করায় লংকানরা।

১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১ রানের মাথায় ৩ বলে শুণ্য (০) রান করা লিটন দাসকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর সাব্বির ছোট খাটো ক্যামিও ইনিংস খেললেও যোগ্য সংঘ দিতে পারেন নি তামিম ইকবালকে। তিনি ফেরেন ৮ বলে ১৩ রান করে। লংকানদের পক্ষে দুটো উইকেটই নেন আকিলা ধানাঞ্জায়া।

ফলে মাত্র ৩৩ রানেই টপ অর্ডারের মূল্যবান দুই উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপেই পড়ে টাইগাররা। তবে তামিমের সাথে আগের দুই ম্যাচের অপ্রতিরোধ্য মুশফিক ৬৪ রানের পার্টনারশিপ এর মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে চাপ সামলায়। তবে মাত্র ১২ রানে মুশফিক, তামিম ও সৌম্যের উইকেট হারিয়ে আবার চাপে পড়ে টাইগাররা।

এরপর কাপ্তান সাকিবকে সাথে নিয়ে ২৮ রানের পার্টনারশিপের মাধ্যমে আবার ম্যাচে ফিরলেও, সাকিব ফিরলে আবারো চাপে পরে টাইগাররা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে অপরাজিত ৪৩ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের ফিনিশিং আনেন আরেক ডিপেন্ডেবল ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ।

এ জয়ের মাধ্যমে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করে টাইগাররা। এই প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ১৮ মার্চ রবিবার ফাইনালে ভারতে মুখোমুখি হবে টাইগাররা।

আকিব আহম্মেদ খান নিউজ ঢাকা ২৪

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

শেরপুরের সূর্যদীতে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শেষে পুরষ্কার বিতরণ

  রাইসুল ইসলাম রিফাত (শেরপুর প্রতিনিধি):শেরপুর জেলার সদর উপজেলায় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। …

26 comments

  1. Hello there! This article could not be written any better! Reading through this article reminds me of my previous roommate! He constantly kept preaching about this. I’ll forward this post to him. Fairly certain he will have a great read. Thanks for sharing!|

  2. It’s very straightforward to find out any matter on web as compared to textbooks, as I found this paragraph at this site.|

  3. I’ll right away grasp your rss feed as I can’t find your email subscription link or e-newsletter service. Do you’ve any? Please allow me recognise so that I may subscribe. Thanks.|

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!