রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম পারভেজ হাসান সরকারের

 

ফকরুদ্দীন আহমেদঃময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় আদিকাল থেকে করে আসা দেশের সুনামধন্য রাজনীতিবিদ ও গুণিজন মরহুম আবুল কালাম শাসসুদ্দিন, আবুল মুন্সুর, ময়জদ্দিন মোক্তার, ছালাম তালুকদার, অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, জয়মত আলী মন্ডল, আবুল হোসেন চেয়ারম্যান, রুহুল আমিন বিএসসি, ফজল আহমেদ, আব্দুল মজিদ স্যানিটারি, আব্দুল হামিদ চেয়ারম্যান, ময়জদ্দিন মেম্বার, আব্দুল কাদির মাষ্টার ও অলি মন্ডলসহ প্রবীণ নেতারা দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন কিন্তু সময়ের ব্যবধানে রাজনৈতিক এপিট ওপিট হয়েছে। রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়েছে এদের পরিবার। এর মাঝে দু’একজন রাজনীতির হাল ধরতে চাইলেও তাদের ভাগ্য সাপোর্ট পাচ্ছেনা এ প্রজন্মের কাছে। প্রকৃত ইতিহাস খোঁজলে দেখা যায় শেরে-বাংলা ফজলুল হক, হক ভাসানী শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে যারা এই ত্রিশালের নেতৃত্ব দিতো তাদের সন্তানেরা তাদের পৃর্ব পূরুষদের আদর্শ ধরতে গেলেই কোনঠাসা হয়ে পড়ে ঘরে ফিড়ছেন। খুব কম এই প্রবীণ রাজনীতিবিদের পরিবারের সন্তানেরা আজ দলে যুক্ত আছে। তার মাঝে পারভেজ হাসান সরকার একজন। যিনি সদ্য

ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন।
পারভেজ হাসান সরকার ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের বাদামিয়া অঞ্চলের আজিম সরকার বাড়ির সন্তান। তার বড় দাদা মরহুম আজিম উদ্দিন সরকার বৃটিশ পিরিয়ডে ইউনিয়ন পন্চায়েত সদস্য (১৯০৪ সালে) অতপর একাধারে ২৪ বছর মঠবাড়ি ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার দাদা মরহুম ময়েজ উদ্দিন সরকার ১৯৪৯ সাল থেকে আওয়ামী মুসলিম লীগ অতপর মৃত্যুঅবধি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন। মরহুম ময়েজউদ্দিন সরকার মঠবাড়ি ইউনিয়নের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। পারভেজ হাসান সরকারের দাদার ফুফাত ভাই মরহুম ময়েজউদ্দিন আহন্মদ (ময়েজউদ্দিন মোক্তার) বৃহত্তর ময়মনসিংহে আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন দীর্ঘ সময়। উনি জাতির পিতার অতি ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহযোদ্ধা ছিলেন এবং ১৯৫৪ সালে পূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক সরকারের সদস্য (এমপি) ছিলেন। পারভেজ হাসানের দাদী খুরশিদা ময়েজউদ্দিন ১৯৭৩ সালে এমপি ছিলেন। আওয়ামী আদর্শে লালিত পালিত পারভেজ হাসান নম্র ভদ্র ছেলে হিসাবে সবার কাছে পরিচিত। তার বাবা ত্রিশাল বিদ্যুৎ অফিসে কর্মরত, মা গৃহিণী । পারভেজ হাসানের বড় ভাই (ফুফাতো ভাই) শাহ আহসান হাবীব বাবু মানবিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত। এই পারভেজ হাসান সরকার দলের দায়িত্ব পাওয়ায় ত্রিশালে তার পরিবারে ইতিহাস জাগ্রত করেছে। ত্রিশালের মানুষ তার পরিবারের গুণীব্যক্তিদের আবারো নতুন করে চিনতে শুরু করবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

তিন জেলার মানুষ বিনামূল্যে পাবে চক্ষু চিকিৎসা

জবি প্রতিনিধি: পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও মানিকগঞ্জ এই তিন জেলায় অসহায়দের বিনামূল্যে চক্ষুসেবা দিতে চারটি চক্ষু …

error: Content is protected !!