জবিতে ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে মুজিব জন্মশতবর্ষে ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশ:জাতিরাষ্ট্র ও প্রজন্ম গবেষণা’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই ওয়েবিনার আয়োজিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

ওয়েবিনারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামীর সভাপতিত্বে ও সহযোগী অধ্যাপক শরীফ নুরজাহানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নীলুফার পারভীন।

এছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামীর নামে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ সালে বরাদ্দকৃত বাজেটের গবেষণা কর্ম ‘Liberation war of 1971 and Bangladesh in 21st Century: An Enquiry into the State of Nation and Generation Ges Bangabandhu and Emergence of Bangladesh’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্প প্রতিবেদন দুইটির সমন্বয়ে একটি গবেষণাগ্রন্থ প্রণয়ন প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই ওয়েবিনারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় রচিত ও উপস্থাপিত হয়।

এতে বলা হয়, “বাংলা ভাষা, বাঙালি জনগণ এবং বাংলাদেশ অন্তর্নিহিতভাবে সম্পর্কযুক্ত। এই তিনটি বাগধারার প্রতিটিরই আছে সুদীর্ঘ ও বিচিত্র ইতিহাস। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ছাড়া এই ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক অভিন্ন সূত্রে গাথা।”

স্বাধীন বাংলাদেশের ৫০বছর এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মের ১০০ বছরে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসাবে আখ্যায়িত করেছিল। কিন্তু তখনো বঙ্গবন্ধু সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি করতে পেরেছিল।

দেশ ক্রমান্বয়ে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।

জেলখানায় চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়। হত্যার মাধ্যমে এভাবে বাঙালি জাতি, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃত এবং বঙ্গবন্ধুর নাম ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭৫ পরবর্তী প্রজন্ম দেশের বিকৃত ইতিহাস জেনেছে। গবেষণায় এই প্রজন্মের মনোভাব ও ধারনা জানার জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রশ্নমালার ভিত্তিতে পরিচালিত জরিপের ফলাফল তুলে ধরা হয়েছে।

ওয়েবিনারে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সহযোগী অধ্যাপক মেজবাহ-উল আজম সওদাগর।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ইবিতে রিডিং ক্লাবের আত্মপ্রকাশ

সিয়াম, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে রিডিং ক্লাব নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ বুধবার (২৪ নভেম্বর) …

error: Content is protected !!