বিশ্ববাজারে জায়গা করে নিয়েছে ওরিয়ন টি

মেহেদী হাসান কাজ করেছে দেশের খ্যাতিনামা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে। সর্বশেষ মেহেদী সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাশেম ফুডস লিমিটেডের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট এ ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বর্তমানে তিনি ওরিয়ন গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন টি কোম্পানি লিমিটেডের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট এর হেড অফ এক্সপোর্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। মেহেদী হাসানের সাথে ওরিয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন পল্লব আহমেদ সিয়াম।

সিয়াম: বর্তমানে চায়ের চাহিদা কতোটা বেড়েছে?

মেহেদী হাসান: করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্ববাজারে চায়ের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে বিশ্বে চা পানের চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেশী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাই দেশের বাজারের পাশাপাশি বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের চাহিদা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ চা রপ্তানিতে প্রায় ১০০ ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

সিয়াম: রপ্তানি বাজারের অবস্থা কী?

মেহেদী হাসান: করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্ববাজারে চা রপ্তানিতে বাংলাদেশের একটি ভালো সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। মূলত বিশ্ব বাজারে চায়ের চাহিদা বৃদ্ধি। বর্তমানে বাংলাদেশে চা উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের উন্নত মানের চা বাজার সৃষ্টি হয়েছে। ওরিয়ন টি নিজস্ব ব্র্যান্ডর প্যাকেটজাত চা বিশ্বের অনেক দেশে রপ্তানি করে যাচ্ছে।

সিয়াম: কোন কোন দেশে ওরিয়ন চা রপ্তানি হচ্ছে?

মেহেদী হাসান : ২০২০ সালে ২০টি দেশে ওরিয়ন টি কোম্পানি লিমিটেড নিজস্ব ব্র্যান্ডর প্যাকেটজাত চা রপ্তানি করেছে। এদের মধ্যে বাংলাদেশ নতুন ৬টি দেশে চা রপ্তানি করেছে। ওরিয়ন ইতিমধ্যে এসব দেশগুলোতে চায়ের বাজার সৃষ্টি করেছে- অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দুবাই, সৌদি আরব, গ্রীস , সাইপ্রাস, কানাডা , মালেশিয়া, মরিশাস, ব্রুনাই, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি, কাতার, বাহারাইন , জাপান। আরও অনেক নতুন দেশে যা রপ্তানির জন্য কাজ করে যাচ্ছে ওরিয়ন চা।

সিয়াম: ওরিয়ন চায়ের বিশেষত্ব কি?

মেহেদী হাসান : ওরিয়ন টি কোম্পানি লিমিটেড বর্তমান দেশীয় বাজারে ‘জাফলং’ ব্র্যান্ডের গ্রিন টি ও ব্ল্যাক টি অনেক ধরনের প্যাকেজিং নিয়ে দেশীয় বাজারে চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশী পণ্য হিসেবে ওরিয়ন নিজস্ব নামে ওরিয়ন ব্র্যান্ডের গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি, টি ব্যাগ এবং লুজ আকারে প্যাকেজিং নিয়ে বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে যাচ্ছে। ওরিয়ন ব্র্যান্ডের চা এর বিশেষত্ব হল সেরা বাগানের সেরা চা এবং বিশেষ ব্লেন্ড।

সিয়াম: গ্রিন চায়ের বাজার কীরকম?

মেহেদী হাসান : ওরিয়ন টি কোম্পানি লিমিটেড এর নিজস্ব ওরিয়ন ও জাফলং ব্র্যান্ডের গ্রিন টি রয়েছে। এই চা খুবই স্বাস্থ্যকর এবং উন্নত মানের পানীয়।একটি অভিজাত পণ্য হিসেবে রপ্তানি বাজারে গ্রিন টি এর চাহিদা ব্যাপক। এস জি এস একটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি ওরিয়ন চায়ের গুণগতমান পরীক্ষা করে সকল গুণগতমান বিদ্যমান থাকার সনদ প্রদান করেছে।

সিয়াম: আপনাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী?

মেহেদী হাসান: দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ওরিয়ন নতুন নতুন স্বাদের বেশ কিছু উন্নত মানের চা বাজারে আনতে যাচ্ছে। নতুন নতুন দেশে চা রপ্তানির জন্য কাজ করে যাচ্ছে ওরিয়ন।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ল্যাপটপের দাম কমছে!

ডেস্ক রিপোর্ট: নতুন বাজেটে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল কিছু প্রযুক্তিপণ্যের ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব …

error: Content is protected !!