বালিয়াকান্দিতে মোবারক পেল ঈদের নতুন পোশাক ও খাদ্য সামগ্রী

শেখ রনজু আহাম্মেদ,রাজবাড়ী প্রতিনিধি: বাবা-মা হারা এতিম মোবারক মীর। তার আবাসস্থল এখন নানা-নানির বাড়িতে। সপ্তম শ্রেণীতে পড়ালেখা করছে সে। কিন্তু নানা-নানির অভাবের সংসারে  অন্যান্য ১০জন সহপাঠীর মতো মোবারকের বেড়ে উঠার গল্পটি এক ছিল না।

তার এই করুণ অবস্থায় এলাকার তরুণ সমাজকর্মী এস,এম হেলাল খন্দকার তার লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন।

পাশাপাশি ঈদকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (৬ মে) মোবারক মীরের হাতে নতুন পোশাক ও খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন হেলাল খন্দকার।মোবারকের জন্য জামা-প্যান্ট, স্যান্ডেল, চিনি, সেমাই, তেল, ডাল এবং পোলাও’র চাল দেয়ার পাশাপাশি দুধ ও মাংস কেনার জন্যও দিয়েছেন নগদ টাকা।হেলালের কাছ থেকে এসব সামগ্রী পেয়ে হাসি ফুটেছে মোবারক মীরের।

এদিকে মোবারকের পাশে দাঁড়ানো তরুন সমাজকর্মী এস,এম হেলাল খন্দকার বলেন, আমাদের আশপাশে অনেক অসহায় মানুষ রয়েছে। প্রত্যেককে তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলে মনে করি। এ থেকেই তাকে একটি সহযোগিতা করছি মাত্র। তার পাশে বিত্তবানরা দাঁড়াবে বলেও আমি বিশ্বাস করি।

জানা যায়, মোবারক মীর (১২) ছিলেন নাটোর জেলার হবিদপুর গ্রামের তাছলিমা বেগম ও মনু মীরের ছেলে। মাত্র ৭ বছর বয়সে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে মা এবং ৮ বছর বয়সে একই রোগে আক্রান্ত হলে বাবাকে হারিয়ে এতিম হয়ে যায় সে।

বাবা মা হারানোর পর রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের খালকুলা মধ্যপাড়া গ্রামের নানা তোফাজ্জেল মন্ডলের বাড়িতে অসহায় ও নিদারুণ কষ্টে জীবন অতিবাহিত করছে মোবারক।

নানার বয়স ৭০ বছরের বেশি এবং নানির বয়স ৬০ বছরের বেশি হওয়ায় দু’জনই কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।ফলে ঠিকমতো খাবারও জোটে না এতিম মোবারকের ভাগ্যে।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

জটিল এনজিওপ্লাস্টি সফলভাবে সম্পন্ন হলো এভারকেয়ার চট্টগ্রামে

নিজস্ব প্রতিবেদক জটিল এনজিওপ্লাস্টি সফলভাবে সম্পন্ন করলো বন্দরনগরীতে অবস্থিতে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম। সিনিয়র কনসালটেন্ট অধ্যাপক …

error: Content is protected !!