ধর্ষণের চেষ্টা মামলার বাদীর উপর হামলা, প্রাণনাশের হুমকি

জহিরুল ইসলাম মিলন, টাঙ্গাইল (ধনবাড়ী) প্রতিনিধিঃ টাংগাইলের মধুপুর উপজেলার আম্বাড়ীয়া গ্রামের মো:আক্তার হোসেন এর স্কুল পড়–য়া মেয়েকে পাশের বাড়ীর মেয়েটির সর্ম্পকে চাচা মৃত-কলিম উদ্দিন এর ছেলে ৫২ বছর বয়সী মো: আব্দুল মজিদ মেয়েটি কে তার বাড়ীতে একা পেয়ে ধর্ষণ এর চেষ্টা করে। ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ এনে কথিত চাচার বিরুদ্ধে গত ২০/০৭/২০২০ ইং সালে নারী ও শিশু নির্যাাতন দমন ২০০০( সংশোধনী-২০০৩) এর ৯(৪)(খ)ধারা মোতাবেক টাংগাইল কোর্টে একটি মামলা করেন। মামলা নং ১৮৬/২০০০ ইং।

মামলায় মো: আব্দুল মজিদ ১৮দিন হাজত বাস করার পর জেল থেকে এসে মামলা তুলার জন্য নানা চাপ সৃষ্টি করে বলে ভিকটিমের পরিবার জানান। মামলায় পিবিআই তদন্তপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনাটি সত্যতা পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের পর হতে ভিকটিম ও তার পরিবারকে হেয়প্রতিপূর্ণ করার জন্য একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করে আ: মজিদ। তাতেও ক্ষান্ত না হয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী মানুষের মাধ্যমে ধর্ষণ চেষ্টা মামলা বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে।

অবস্থায় মামলা না তুলায় মামলায় স্বাক্ষী চলচ্ছে আদালতে। বর্তমানে মামলার স্বাক্ষী চলার কারনে মামলায় খারাপ ফল দেখে একমাত্র বিবাদী মো: আব্দুল মজিদ সুকৌসলে পূর্বথেকে উৎপেতে থেকে মামলার বাদীর বাড়ীতে গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যার সময় ইফতারের আগমুহুতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার বাদী মো:আক্তার হোসেন এর মেয়ে কে একা পেয়ে তার উপর হামলা চালায়। বাদীর ডাক চিৎকারে আসপাশের লোকজনসহ বাদীর বাবা মা এগিয়ে এসে বিবাদী মো:আ:মজিদ এর হাত থেকে রক্ষা করে।

বিবাদী আ: মজিদ দূত ঘটনার স্থল হতে পালিয়ে যায়। বিবাদী আ:মজিদ এই দিন রাত ১০ টার সময় মামলার বাদীসহ তার বাবা মা চাচা তাকে নির্যাতন করেছে আর সেই নিযার্তনে আ: মজিদ আহত হয়ে মধুুপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে মধুপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগদেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মধুপুর থানা পুলিশ রাতেই পূবের মামলার বাদীর পিতা মো:আক্তার হোসেন, চাচা সরোয়ার হোসেন কে গ্রেফতার করে পরে দিন মামলা রেকর্ট করে দুই জন কে টাংগাইল কোর্ট আদালতে প্রেরণ করেন। আদালত হতে আক্তার হোসেন জামিনে আসেন সেই দিনই। মামলার অন্য আসামীদের মধ্য একজন বাদে সবাই জামিনে আসেন।

ঘটনার বিষয়ে ধর্ষণ মামলার বিবাদী আ:মজিদ এর সাথে এই প্রতিবেদক কথা বললে তিনি বলেন, ধষর্ণ চেষ্টা মামলাটি মিথ্যা। মেয়ের বাবা আক্তার হোসেন আর আমি মামাত ফোফাত ভাই। আমরা দুই জনে মিলে আক্তারের বাড়ীর সামনের পুকুরে মাছ চাষ করে আসি । এমন অবস্থায় আক্তারের মেয়ে আমার ছেলে দিয়ে বিয়ের কথা বার্তাচলে। একপযায়ে মেয়েকে আমি অনেক জিনিসপত্র কিনে দেই। আর তাদের সাথে আমার পরিবারের সুসম্পর্ক ঘরে উঠে । এক পযার্য়ে মেয়ের বাবার সাথে পুকুরের মাছ মারা নিয়ে নানা কথা কাটাকাটি হয় ।

আর সেই রাগে তার মেয়ে আমার বিরুদ্ধে টাংগাইল কোর্ট আদালতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলা করে। মামলায় আমি আটার দিন জেল খেটে জামিনে আসি। গত ২৬ এপ্রিল সন্ধার সময় ধর্ষণ চেষ্টা মামলার বাদীনী তাদের বাড়ীর সামান রাস্থা দিয়ে বাড়ীতে যাওয়ার সময় আমার উপর হামলা চালায়। হামলায় আমি গুরুতর আহত হয়ে মধুপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে মধুপুর থানায় একটি মামলা করি মামলায় আসামীদের মধ্য আক্তার হোসেন,ও সরোয়ার হোসেন কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেকর করেন। পরে আক্তার হোসেন জামিনে আসেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ঈদ উপহার নিয়ে মানুষের দোয়ার দোয়ারে কামরুল হাসান রিপন

৬৭ ও ৬৮ নং ওয়ার্ডের ১০০০ পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন কামরুল হাসান রিপন স্টাফ রিপোর্টার …

error: Content is protected !!