খালেদা জিয়া
ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

খালেদা জিয়া দিল্লির সাথে যোগাযোগ করতে মরিয়া হয়ে উঠছেন

খালেদা জিয়া

আগামী নির্বাচনের সময় যতোই ঘনিয়ে আসছে ততই ঢাকার রাজনীতি গরম হয়ে উঠছে। আরএসএস তথা সংঘ পরিবারের মাধ্যমে মোদী সরকারের সাথে দ্রুতই যোগাযোগ করতে চাইছেন খালেদা জিয়া। এমনটাই বলছে কলকাতার শীর্ষ পত্রিকা আনন্দ বাজার।

আনন্দ বাজারের ভাষ্যমতে,  ক্ষমতা ধরে রাখতে এক দিকে যেমন বিভিন্ন কৌশল রচনা করছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তেমনই এ বারের ভোটে যোগ দিয়ে ক্ষমতা দখলে মরিয়া বিএনপি চেয়ারপার্সন ও ২০ দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

কূটনৈতিক সূত্রের খবর, বিগত কয়েক মাস ধরে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টায় মড়িয়া খালেদা। এ জন্য আরএসএস তথা সংঘ পরিবারের মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদী সরকারের কাছে বার্তা পৌঁছনোর চেষ্টা করছে বিএনপি-জামাত জোট।  আর  বার্তাটি হল, শুধুমাত্র ক্ষমতাসীন আওয়ামি লীগের প্রতি কূটনৈতিক পক্ষপাত বহাল না-রেখে বিএনপির সাথে ও  একটা বোঝাপড়ার দিকে এগোক সাউথ ব্লক।

খালেদা জিয়া  নয়াদিল্লিকে এটা বোঝানোর চেষ্টা করছে যে, বিএনপি তাদের কর্মসূচিতে সর্বদা বাণিজ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। ক্ষমতায় আসলে তারা ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে নানা ধরনের ছাড়া দেবে বিএনপি জোট।

সুত্রের খবর মতে, এ বিষয়ে নাগপুরে সঙ্ঘ পরিবারের একটি অংশের সাথে বিএনপির কয়েকজন প্রতিনিধি সম্প্রতি দেখা করেন। এছাড়া গেল বছর খালেদা জিয়া যখন লন্ডনে যান, সেখানেও সঙ্ঘের প্রবাসী কিছু নেতার সাথে কথা বলেন তিনি।

যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রনালয় কিংবা বাংলাদেশ হাইকমিশন— প্রকাশ্যে  এই ধরনের কোন বৈঠকের কথা স্বীকার করছে না।তাই বিএনপি-ও সঙ্গত কারণেই এ নিয়ে চুপ।

খালেদা জিয়া সঙ্ঘের মাধ্যমে দিল্লী সরকারকে বুঝাতে চাইছে যে, সংখ্যা লঘুদের উপর বেশি অত্যাচার হয় হাসিনা সরকারের আমলেই। জাতীয় সংসদে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নামমাত্র। বিএনপি নির্বাচনে এলে সংখ্যালঘু প্রার্থীদের অন্তত ৫০টি আসন দিবে। আর মন্ত্রী সভায়  হিন্দু প্রতিনিধিত্বও এখনকার থেকে বেশ খানিকটা বেশি দেবে বিএনপি।

তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রনালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অন্য দেশের অভ্যন্তরীন রাজনীতিতে ভারত নাক গলায় না।

আর বিএনপির উদ্দেশ্য নিয়েও সন্দিহান বিদেশ মন্ত্রক। ভারতের গোয়ান্দা সংস্থার খবর মতে , গত নভেম্বরে দাতের চিকিৎসা করাতে লন্ডনে গিয়ে বেগম জিয়া পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এর কর্তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন। লন্ডনে পাকিস্তান হাই কমিশনের কর্তাদের সাথে অনেকবার বৈঠক করেছেন। যা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিলো।

তবে বিএনপি নেতৃত্ব এই সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বানোয়াট এবং ষড়যন্ত্র বলে উড়িয়ে দিয়ে এসেছেন।

সব কিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ পরিস্থিতির উপর সতর্ক নজর রাখছে মোদী সরকার।

আরো পড়ুন :  ময়মনসিংহে ডাকাত গ্রেফতার।

সুত্র: আনন্দ বাজার।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

জাল দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

রাজধানীর শ্যামপুর থানাধীন পশ্চিম জুরাইনের বালুর মাঠ এলাকার বাড়িওয়ালার স্বাক্ষর-ছবি জাল করে একটি জাল দলিলের …

3 comments

  1. Everyone loves it when individuals come together and share views.

    Great blog, stick with it!

  2. Great article! We will be linking to this particularly great content on our website.
    Keep up the great writing.

  3. Helpful info. Lucky me I discovered your website
    unintentionally, and I’m surprised why this twist of fate didn’t took place in advance!
    I bookmarked it. cheap flights 3gqLYTc

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!