বেশি লাভের আশায় আগাম বোরো চাষে ঝুঁকছে নন্দীগ্রামের কৃষকরা

অসীম কুমার, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ শস্যাভান্ডার খ্যাত বগুড়ার নন্দীগ্রামের কৃষকরা বেশি লাভের আশায় আগাম বোরো ধানের চারা রোপন করতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গত বছরের শীলাবৃষ্টিতে বােরাে ধানের যে ক্ষয়-ক্ষতি তা এবার কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে বলে মনে মনে কৃষকেরা।

নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, এবার ২০ হাজার ১’শ ১৫ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হবে বোরো ধান। চলতি বোরো মৌসুমে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৯’শ ৭৬ মেট্রিকটন।

উপজেলার বুড়ইল, নন্দীগ্রাম, ভাটরা, থালতা মাঝগ্রাম ও ভাটগ্রাম ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কৃষকদের কর্মব্যস্ততা। ইতোমধ্যে এক-চতুর্থাংশ মাঠে ধান রোপনের কাজ শেষ করেছেন কৃষকেরা।

উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের শালুকাপাড়া গ্রামের কৃষক মোঃ জহুরুল ইসলাম জানান, ৪ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছেন তিনি। এবার শীতের তীব্রতা ও ঘন-কুয়াশা না থাকার কারণে বীজ তলা ভাল হয়েছে। সার,বীজ ও বিদ্যুতের সংকট নেই তাই ভাল ফলন ও লাভের আশা করছেন তিনি।

কথা হয় আরেক কৃষক শচীন চন্দ্র মোহন্তের সাথে। তিনি জানান, এবার তিনি ১০ একর জমিতে চাষাবাদ করছেন। আমান মৌসুমে ধানের দাম ভাল থাকার কারণে অনেক লাভ হয়েছে তাঁর। তিনি আশাবাদি বোরো মৌসুমেও চাষাবাদ খরচ বাদ দিয়ে ভালো আয় করবেন তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আদনান বাবু বলেন, গত আমন মৌসুমে মাজরা পোকার আক্রমনে কৃষকেরা একটু সমস্যাতে পড়লেও ধানের ভাল দাম থাকার করণে তাঁরা লাভবান হয়েছে। এ মৌসুমেও লাভবান হবেন আশারাখি। কৃষকদের যে কোন সমস্যা সমাধান ও পরামর্শের জন্য উপজেলা কৃষি বিভাগ সবসম প্রস্তুত আছে। তিনি আর জানান, কৃষকদের পরামর্শের জন্য মাঠ পরিদর্শন ও উঠান বৈঠক অব্যহত রয়েছে। তিনি তাঁ আশাবাদ ব্যাপ্ত করে বলেন, চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চাইতেও বেশি ধান উৎপাদিত হবে।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ঝালকাঠিতে হাঁস পালনে ভাগ্য ফিরিয়েছে দুই কলেজছাত্রের

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ হাঁস পালনে ভাগ্য ফিরিয়েছে ঝালকাঠির রাজাপুরের ছোট কৈবর্তখালি …

error: Content is protected !!