হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ কেন হয়?

মুহাম্মদ রায়হান আদনানঃ

বিশ্বে মানুষের মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হার্ট অ্যাটাক। বলা হয় বিশ্বে এক তৃতীয়াংশ মৃত্যুর জন্যে দায়ী হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ।

বাংলাদেশেও হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ আজকাল খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

📌 প্রাথমিক উপসর্গ :

✅ বুকে ব্যথা – চাপ চাপ ব্যথা, বুকের এক পাশে বা পুরো বুক জুড়ে ভারী ব্যথা
✅ শরীরের অন্য অংশে ব্যথা—মনে হতে পারে ব্যথা শরীরে এক অংশ থেকে অন্য অংশে চলে যাচ্ছে, যেমন হতে পারে বুক থেকে হাতে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত বাম হাতে ব্যথা হয়, কিন্তু দুই হাতেই ব্যথা হতে পারে।
✅ মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম করা
✅ ঘাম হওয়া
✅ নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা
✅ বমি ভাব হওয়া
✅ বুক ধড়ফড় করা বা বিনা কারণে অস্থির লাগা
✅ সর্দি বা কাশি হওয়া

📌 হার্ট অ্যাটাক হলে কী করণীয়?
হার্ট অ্যাটাক হবার পর দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, চিকিৎসা পেতে এক ঘণ্টা দেরির জন্য মৃত্যুর হার বেড়ে যায় ১০ শতাংশ।

✅ তাৎক্ষণিক-ভাবে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে
✅ হার্ট অ্যাটাকের পরপরই রোগীকে শক্ত জায়গায় হাত-পা ছড়িয়ে শুইয়ে দিন এবং গায়ের জামা-কাপড় ঢিলেঢালা করে দিন
✅ হার্ট অ্যাটাকের পর যদি আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় তাহলে তার কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালুর চেষ্টা করুন
✅ হার্ট অ্যাটাকের পর রোগীর যদি বমি আসে তাহলে তাকে একদিকে কাত করে দিন। যাতে সে সহজেই বমি করতে পারে। এতে ফুসফুসের মতো অঙ্গে বমি ঢুকে পড়া থেকে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তি রক্ষা পাবেন।

📌 কিভাবে ঠেকানো যাবে হার্ট অ্যাটাক?

✅ খাবার ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে, নিয়মিত হাঁটা-চলা ও ব্যায়াম করতে হবে, সক্রিয় থাকতে হবে
✅ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে
✅ নিজেকে চিন্তামুক্ত রাখতে হবে
✅ ধূমপান বন্ধ করতে হবে
✅ মাঝে মাঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

টাঙ্গাইলে করোনায় আরো ১৬ জনের মৃত্যু

নাসির উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে সাত করোনা রোগীর মৃত্যু …

error: Content is protected !!