বিকেটিটিসি

বিকেটিটিসি গাড়ি শিখানোর প্রশিক্ষনের জনপ্রিয়তা বাড়ছে দিন দিন

বিকেটিটিসি (বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিকাল ট্রেনিং সেন্টার) এর গাড়ি চালানো প্রশিক্ষনের জনপ্রিয়তা বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

গাড়ি সব জায়গা শিখানো হয়।তবে শিখানোর মাধ্যম যদি আর ১০টা ট্রেনিং সেন্টারের থেকে বেতিক্রম এবং সহজতর হয় তা হলে কতোই না ভাল হয়।আর সে দিক থেকে বিবেচনা করলে দেখা যাবে বাংলাদেশ -কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিকেটিটিসি) শিখানোর মাধ্যম তা অন্যরকম।
সরকারি শিক্ষক ধারা এখানে গাড়ি চালানো প্রশিক্ষন দেওয়া হয়।বিভিন্ন ব্যাচের মত করে ভর্তি করা হয় প্রশিক্ষণার্থীদের। সকাল ৮ থেকে দুপুর  ১টা  ব্যাচ অারেকটা ব্যাচ শুরু হয় ২ট থেকে ৫টা পর্যন্ত। গাড়ি চালাতে শিখতে আসা তেমন এক ছাএ মাহফুজুল বলে উঠে এখানের মতো করে এতো ভাল ভাবো আর কেউ শিখাবে না। সে থাকে যাত্রাবাড়িতে।।ঐ খানে চালানোর অনেক প্রশিক্ষন কেন্দ্র আছে। তবে এখানের মত এত ভাল ভাবে শিখাবে না কেউ।
বিকেটিটিসি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেল ভিন্ন কিছু চিত্র।একজন বলে উঠলো ভাই এখানে দাড়িয়ে আছেন কেন?অামাদের স্যার আমাদের ক্লাস নিচ্ছে। দয়া করে এখানে দারাবেন না।বিষয় টি প্রথমে অন্য রকম লাগলে‌া  পরে বুঝা গেল আসলেই এখানে ক্লাস হচ্ছে।
পরে এক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ সম্পর্কে এক ছাএীর কাছে জানতে চাইলে সে বলে, এখানে অামাদের স্যার তার সন্তানদের যে ভাবে আদর করে কোন কিছু শিখায় ঠিক সে ভাবে আমাদেরকে গাড়ি চালানো শিখায়।সে আরো বলে অামাদের সমাজে অনেক জায়গা দেখা যায় নারীদের একটু অসম্মান করতে ।তবে অামাদের স্যার খুব ভাল মানুষ। অামি অাজ পর্যন্ত তাকে দেখলাম না যে কোন নারীকে সে অসম্মান করেছে ।এখানের মত প্রশিক্ষণ জায়গা বাংলাদেশে খুব কম অাছে বলে সে মনে করে।
২০৩০ টাকা দিয়েই এখানে গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ নেওয়া যায় তাছারা এখানের সার্টিফিকেটের মূল্য ও অাছে।
এখানে কি শুধু যারা বিদেশে যায় তারাই কি শুধু শিখতে পারবে নাকি যে কেউ শিখতে পারবে?  এ বিষয় জানতে চাইলে এক প্রশিক্ষনার্থী বলে,এখানে যে কেউ শিখতে পারবে।তবে যারা সরকারি লটারি মাধ্যমে বিদেশে যাবে তাদের জন্য অাছে বিশেষ ব্যবস্থা।তাদের কে প্রশিক্ষন দেওয়া হয় অামাদের থেকে একটু অন্য ভাবে।তাদের গাড়ি থাকে একটু ভিন্ন রকম।তাদের গাড়িরচালক বাম পাশে থাকে। 
এই বিষয় সরাসরি শিক্ষক আমান উল্লার কাছে জানতে চাইলে সে বলে,অামি কেমন শিখাই তা আমাকে নয় আমার ছাএ-ছাএীদের কাছে জানতে পারবেন।তবে আমি আশাবাদী এখানে যারা শিখতে অাসে তারা সব জায়গা গাড়ি চালাতে পারবে।সে অারো বলে এখানে সবাই শিখতে পারবে। শুধু যারা দেশের বাহিরে যায় তারাই নয়, যে কেউ এখানে শিখতে পারবে।
এখানের সম্পর্কে অনেক প্রশিক্ষণার্থী বলে এখনের পরিবেশটা ও অনেক ভাল।তবে সরকার যদি এই খাতের দিকে একটু বিশেষ নজর দেয় তাহলে বিকিটিসি দেশের অনেক সুনাম করবে।

আরো পড়ুন : পানামা নগরী তে ভীড় বাড়ছে

 

নিউজ ঢাকা ২৪

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

করোনাকালীন সময়ে বেতন ফি মওকুফসহ ৮ দফা দাবিতে ছাত্র ইউনিয়নের মানববন্ধন

করোনা মহামারীতে বেতন ফি মওকুফ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্যাক্সিন প্রদান, বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!