টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ

নাসির উদ্দিন,টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের গাদতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের অভিযোগে একই এলাকার কামাল শিকদারের ছেলে ৪৭ বছর বয়সি রতন সিকদারের বিরুদ্ধে ধর্ষিতার পরিবার দেলদুয়ার থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ধর্ষণে সহযোগিতা করার অভিযোগে প্রতিবেশি আবু মিয়ার স্ত্রী সুমি বেগমকে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত রতন সিকদারকেও ধরতে পুলিশ চেষ্টা করছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গাদতলা গ্রামের কামাল সরকারের ছেলে কাপড়ের ব্যবসায়ী দুই সন্তানের জনক রতন সিকদার ওই ছাত্রীকে প্রতিবেশী আবু মিয়ার অটোরিক্সা রাখার ঘরে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। আবু মিয়ার স্ত্রী সুমি বেগম এ ঘটনায় সহায়তা করে। ছাত্রীর মা সন্ধ্যায় মেয়েকে বাড়িতে না পেয়ে প্রতিবেশিদের বাড়িতে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে আবু মিয়ার অটো রাখার ঘরে মেয়েকে রতনের কবল থেকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন। অভিযুক্ত রতন পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ওই রাতেই উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরদিন ঘটনা মিমাংশার করতে স্থানীয় মাতাব্বররা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ ব্যাপারে তিনদিন স্থানীয় মাতব্বররা মীমাংসা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে মঙ্গলবার রাতে নির্যাতিতার বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত রতন ও প্রতিবেশী চাচী সুমি বেগমের নামে দেলদুয়ার থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

দেলদুয়ার থানার উপ পরিদর্শক মনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত রতন সিকদার ও সাহায্যকারী সুমি বেগমকে আসামি করে দেলদুয়ার থানায় মামলা দায়ের করেছে। তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের সহায়তাকারী সুমি বেগমকে আটক করে বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

অভিযুক্ত কামাল সিকদার পলাতক রয়েছে, তবে তাকে ধরতে অভিযান চলছে। ধর্ষিতাকে শারিরীক পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

রাজবাড়ীতে গাঁজাসহ চার ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি

শেখ রনজু আহাম্মেদ রাজবাড়ী প্রতিনিধি ঃ রাজবাড়ী সদর উপজেলা পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে গাজাসহ ৪ ব্যাবসায়ীকে …

error: Content is protected !!