পদ্মা নদীর ভাঙন আবারো গ্রাশ করছে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর

পদ্মা নদীর ব্যাপক ভাঙ্গন আবারো শুরু হয়েছে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে।রামকৃষ্ণপুর,গোপিনাথপুর,কাঞ্চনপুর ইউ,পি সহ আশপাশের মানুষের স্থান হয়েছে খোলা আকাশের নিচে।

স্থানীয় বেশিরভাগ মানুষের ধারনা যে-গোপিনাথপুর উজানপাড়া,বাহাদুরপুর,ছোট বাহাদুর সহ আশপাশে সপ্তাহ খানেক আগে বেশ কয়েকটি ড্রেজার (বলগেট) দিয়ে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার কাছেই ড্রেজিং করা হলে পদ্মানদীর পানির স্রোত এসে পাড়ে লেগে ভাঙ্গনের সুত্রপাত হয়।

পরবর্তীতে প্রশাসনের নেতৃত্বে উক্ত ড্রেজারটিকে ৫০০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তবুও ড্রেজিং বন্ধ না করাতে সেই ড্রেজারটিকে পরবর্তী দিনে  আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত ৬ জনকে গ্রেফতার করে প্রত্যেককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান এবং আটককৃত ড্রেজারটি আগুনে পুরিয়ে দেয়া হয়।

গোপিনাথপুরের ছোট বাহাদুরপুর গ্রামে ভাঙ্গনের কবলে পড়া মরিয়ম নামে এক মহিলা সহ বেশ কয়েকজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন,এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

গত কয়েকদিনে পদ্মানদীর ভাঙ্গনে প্রায় ১০০ শত পরিবার খোলা আকাশের নিচে,রাস্তার পাশে আশ্রয় নেয়।

উক্ত ইউ,পির বর্তমান চেয়ারম্যান আঃ কুদ্দুস মিয়া জানান-হঠাৎ করে পদ্মানদীর এমন ভয়াবহতা কোনদিন আমরা দেখিনি, কোন প্রকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়নি,ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের নামের তালিকা করে জেলাপ্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে।

এছারা “”পদ্মা থামাও হরিরামপুর বাচাও”” (ফেসবুক গ্রুপ পেজ) নামক হরিরামপুরের কিছু যুবক,এলাকাবাসীদের নিয়ে এরই মধ্যে মানব বন্ধন,ভাঙ্গন রোধের জন্য স্বেচ্ছাশ্রম সহ অসহায় মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছেন। উক্ত পেজের একজন আবিদ হাসান আবেদ (অ্যাডমিন) জানান-আমাদের ভাঙ্গন রোধের আন্দোলন অব্যাহত আছে,দু এক দিনের মধ্যে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য মানব বন্ধন করার প্রক্রিয়া চলছে।

এলাকাবাসীর দাবি-ভাঙ্গন প্রতিরোধের প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারে মাঝে যেন সাহায্য প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য যে-গত বর্ষার সময় মাননীয় সাংসদ জনাব মমতাজ বেগম এমপি পদ্মানদীতে ক্ষতিগ্রস্ত গোপিনাথপুর ইউপির ৫০০ পরিবারের মধ্যে সাহায্য এবং অর্থ প্রদান করে।

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি।

নিউজ ঢাকা 24

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

তিন জেলার মানুষ বিনামূল্যে পাবে চক্ষু চিকিৎসা

জবি প্রতিনিধি: পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও মানিকগঞ্জ এই তিন জেলায় অসহায়দের বিনামূল্যে চক্ষুসেবা দিতে চারটি চক্ষু …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!