বালিয়াকান্দিতে গড়াই নদীতে ভাঙন

 

শেখ রনজু আহাম্মেদ রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ও জঙ্গল ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহমান গড়াই নদীতে পানি হ্রাসের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে শুরু হয়েছে ভাঙ্গন। দুটি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক স্থানে ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলানো হলেও সে সকল স্থানেও ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

জানাগেছে, উপজেলার নারুযা ইউনিয়নের মরাবিলা, জামসাপুর, নারুয়া, সোনাকান্দর, বাঙ্গরদাহ, জঙ্গল ইউনিয়নের পাচপোটরা, আগপোটরা, পুষআমলা, সমাধিনগর, হাবাসপুরসহ কয়েকটি গ্রাম এলাকায় গড়াই নদীর পানি হ্রাসের সাথে সাথে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। নদী ভাঙ্গনের ফলে বাড়ী-ঘর, ফসলী জমি, বেবিবাঁধ বিলিন হয়ে যাচ্ছে।

উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের পুষআমলা এলাকার অসীম কুমার সরকার, পবন সরকার, কমল মন্ডল, বিনয় রায় বলেন, গড়াই নদীর পুষআমলা গ্রাম এলাকায় ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলানো হয়। সেই স্থানেই নদী ভাঙ্গনের ফলে বেড়িবাঁধ বিলীন হয়েছে। যানবাহন চলাচল করতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। ২-৩দিনে প্রতিদিনই বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছর পানি বৃদ্ধি ও পানি হ্রাসের সময় এ ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়।

নারুয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল আলিম বলেন, গড়াই নদীর পানি হ্রাসের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে শুরু হয়েছে ভাঙ্গন। প্রতি বছরই পানি বৃদ্ধি ও পানি হ্রাসের সময় ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। ২ বছর শুধু পানি বৃদ্ধির সময় বাঁশের বেড়া প্রকল্প ও জিও ব্যাগ ফেলানোর কাজ করা হয়েছে। তাও পানি কম থাকার সময় কাজ করলে উপকার হয়। যখন পানি বৃদ্ধি পায় তখন কাজ শুরু করে। এ বছরও ভাঙ্গন ব্যাপক আকার দেখা দিয়েছে।

নারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, শুষ্ক মৌসুমে ভাঙ্গন প্রতিরোধে কাজ করলে পানি হ্রাস ও বৃদ্ধির সময় ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আমরা এখনই ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

রামগড়ে জনদুর্ভোগ কমাতে কার্লভাট নির্মাণ

মুহাম্মদ রায়হান আদনান রামগড়,খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ি রামগড়ের সন্দীপটিলায় বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে কার্ল ভাট নির্মাণ করে দিলেন …

error: Content is protected !!