ধোলাইখাল এর রাস্তা, দশ মিনিটের পথ পার হতে বসে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা

ধোলাইখাল এর রাস্তা, দশ মিনিটের পথ পার হতে বসে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা

পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার সংলগ্নো ধোলাইখাল এ ফুটপাত দখল করে রাস্তায় নেমে যায় অবৈধ যন্ত্রপাতির দোকান। এর ফলে তীব্র জ্যামে নাকালে থাকতে হয় রাজধানীবাসীকে।

সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত অসহনীয় জ্যাামে পরতে হয় এখানে অাসা যানবাহন গুলোকে। সাম্প্রতিক সময় কেরানীগঞ্জের রাস্তার মান উন্নয়নের জন্য বুড়িগঙ্গা ২য় সেতু দিয়ে মাওয়াগামী ববাস চলতে না পারায় ধোলায়খাল দিয়ে বাধ্য হয়ে চলতে হচ্ছে।যার ফলে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয় এই রোডে।

ধোলাইখালের সফল ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুর রহিমের সাথে এ বিষয় কথা বললে তিনি জানায় এক সময় তাদের ব্যবসা খুব ভাল ছিল। কিন্তু বর্তমানে যারা দোকান না নিয়ে দোকান বিহীন রাস্তার পাসে বসে এইসব যন্ত্রপাতি বিক্রি করছে তারা বর্তমানে ভালো অবস্থায় রয়েছে। কারন তাদের লাগছে না কোন প্রকার দোকান ভাড়া। এছারা অন্যন্যা খরচ সম্মুখে পরতে হয় না।যার ফলে তারা অল্প লাভেই যন্তপাতি ও পার্স গুলো বিক্রয় করতে পারছে।এর ফলে ক্রেতারা রাস্তার সামনে থেকে কম দামে পেয়ে নিয়ে যায়। তারা আর ভিতরে দোকান গুলিতে অাসে না। প্রতি বছর লোকসানে গুনতে হয় আমাদের মত ব্যবসায়ীদের।

সরেজমিন পুরান ঢাকার অতিপরিচিত ধোলাইখালে এসে দেখা গেলো,রাস্তার ফুটপাতসহ দখল করে সারিবদ্ধ ভাবে রাস্তার মাঝখানে চলে অাসে যন্ত্রপাতির দোকানগুলো।এতে করে রাস্তা চলাচল করা পরিবহনগুলোকে পরতে হয় বিপাকে।তীব্র জ্যামযটে পরতে হয় এখানে অাসা পরিবহন গুলোকে।

মোসাঃ নাসরিন নামের একজন শিক্ষিকার সাথে কথা বলে জানা যায়, সে প্রতিনিয়ত এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। এখানের ব্যবসায়ীরা প্রায় আমাদের চলাচলের পথ ফুটপাত ও রাস্তারর অধিকাংশ দখল কেরে রেখেছে। যার ফলে বাস অথবা রিক্সাতে প্রায় ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যানে বসে থাকতে হয়। যা আমাদের মত খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের পক্ষে সম্ভব না তাই আমাদের বাধ্য হয়ে রোডের মাঝদিয়ে হাজারো মানুষের ধাক্কা খেয়ে নানান ধরনের বিপদের সম্মুখে হয়ে চলাচল করতে হয়। এছাড়া ও প্রায় এখানে নানান ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে থাকে। যা সরকার এর চোখে পরে না। যদি সরকার এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমাদের এক সময় কঠিন বিপদের মুখে সমুখিন হতে হবে।

এদিকে মোঃ করিম নামক রাস্তার পাসে বসা এক ব্যবসায়ী সাথে কথা বলতে গেলে সে জানায়, আমরা অবৈধ্য ভাবে কোন ব্যবসা করছি না।অনুমতি নিয়েই এইখানে বসেছি। আমরা সবসময় নয়,যখন আমাদের পার্স ও যন্তপাতি গুলো দোকানে রাখতে অসুবিধা হয় তখনই আমাদের বাহিরে এসে বসতে হয়।

তার পর এলাকার অাশিক নামের একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানায়, রাস্তাঘাট ও ফুটপাত যারা দখল করে বসেছে এরা এলাকার কিছু বড় মুখ এর অধীনে কাজ করা লোকদের নির্দিষ্ট পরিমান কিছু টাকা চাদা বাবদ দিয়ে তাদের অনুমতি নিয়ে এইখানে বসে থাকে। যার ফলে প্রসাশন এর লোক ও তাদের কিছু বলে না। কিন্তু সরকারের এদিকে ভালো ভাবে নজর দেওয়া।

আরো পড়ুন :  সোহেল তাজের সাথে অনিয়ম

ওয়ালিদ হাসান ফাহিম।

নিউজ ঢাকা ২৪ ডটকম।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

সোনাইমুড়ীর থানারহাট হাই স্কুল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানারহাট হাই স্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দুই …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!