মা ইলিশ

ডিমওয়ালা মা ইলিশ মাছে বাজার সয়লাব

পহেলা অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নদী ও সাগরে ইলিশ মাছ ধরা নিষেধ। এই কয়দিন মা ইলিশ এর ডিম ছাড়ার মৌসুম। ২২ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৫ দিন ধরে ইলিশ ধরা শুরু হয়েছে।

২৩ তারিখ থেকে পুনরায় ইলিশ ধরা শুরু হওয়ার পর থেকে কেরানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে এখন ইলিশে ভরপুর।বর্তমানে বাজারে উঠা ৬০-৭০ ভাগ ইলিশ মাছের পেটেই ডিমে ভরা।

শুক্রবার কেরানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে ডিমওয়ালা মা ইলিশের অধিক্য লক্ষ করা গেছে। স্থানীয় বাজার গুলিতে পদ্মা ও মেঘনার ইলিশের আমদানি বেশি। পদ্মা মেঘনার ইলিশ সুস্বাদু ও তুলনামূলক দাম কম হওয়ায় ক্রেতাসাধারণ ইলিশ কেনার দিকেই বেশি ঝুঁকছে।

আব্দুল্লাহপুর বাজারের মাছ ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম ও কালাই চান জানান,আমরা আড়ৎ থেকে মাছ এনে বিক্রি করি। মা ইলিশ এখনো পুরোপুরি ডিম ছাড়তে পারেনি। তাই আর কিছু দিন ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলে সব ইলিশ ডিম ছাড়তে পারতো।

আমরা এখন যে ইলিশ বাজারে বিক্রি করছি তার ৬০ ভাগ মাছের পেটেই ডিম। অক্টোবর থেকে ৪০/৪৫ দিন মা ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলে প্রায় শতভাগ মা ইলিশ ডিম ছাড়তে সক্ষম হতো মাছও বহুগুণে বৃদ্ধি পেত।

আব্দুল্লাহপুর করের গাঁও গ্রামের বাসিন্দা গোলাম আলি বলেন, মৎস্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান ঠিক হয়নি ডিম ছাড়ার জন্য ২২ দিন সময় যথেষ্ট নয়। আরো ৭ /৮ দিন পরে সব মাছ ডিম ছাড়তো।

ভবিষ্যতে সঠিক হিসাব করে মা ইলিশ রক্ষার উদ্যোগ নিলে দেশে ইলিশের উৎপাদন বেড়ে দিগুন হবে।তখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সসম্ভব হবে।

আরো পড়ুনভাইরাসের আড্ডায় আসুন

মোহাম্মদ উল্লাহ মাহমুদ ।

নিউজ ঢাকা ২৪ ডটকম।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

লালপুরে গোপালপুর পৌরসভায় ভিজিএফ চাল বিতরণ

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের লালপুরে গোপালপুর পৌরসভায় করোনা কালীন সময়ে দুর্গত ও অসচ্ছল হতদরিদ্র পরিবারের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!