নানা সংকটে দেশের বাস্কেটবল

 

করোনা মহামারির মাঝেও সাহসী পদক্ষেপ বাস্কেটবল ফেডারেশনের। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আট দলের অংশগ্রহণে চলছে বঙ্গবন্ধু ফেডারেশন কাপ বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট। এস এ গেমসে ভাল করতে না পারার হতাশা কাটিয়ে উঠতে চায় ফেডারেশন।

অনুশীলনের জন্য বাস্কেটবল কোর্ট না পাওয়াসহ নানা কারণে আগের মতো ভাল খেলোয়াড় উঠে আসছে না বলে জানিয়েছে ফেডারেশন। আর্থিক নিশ্চয়তা না পাওয়াসহ নানা সমস্যায় একে পেশা হিসেবে নিতে পারছেন না খেলোয়াড়রাও।
অনেকদিন পর ধানমন্ডির উডেন ফ্লোর জিমনেশিয়ামে ফিরেছে প্রাণের স্পন্দন। দীর্ঘদিন পর শুরু হয়েছে খেলা। প্রাণ ফিরেছে খেলোয়াড়দের মাঝেও।

করোনায় এ বছর মার্চ থেকেই বন্ধ ছিলো ক্রীড়াঙ্গন। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মাঠে গড়িয়েছে ক্রিকেট। সীমিত পরিসরে মহামারির মাঝেও এরইমধ্যে মাঠে নেমেছে তায়কোয়ান্দোসহ বেশ কয়েকটি ফেডারেশন। এবার সে যাত্রায় সাহসী পা ফেলেছে বাস্কেটবল ফেডারেশনও।
ধানমন্ডিতে আট দলের অংশগ্রহণে চলছে বঙ্গবন্ধু ফেডারেশন কাপ বাস্কেটবল। অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে আছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ ছাড়াও আছে ৫টি ক্লাব। ধূমকেতু, দ্য গ্রেগস, ফ্লেইম বয়জে, জোস এফএক্স ও বকশীবাজার। আসর শুরুর আগে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফসহ ১৩৫ জনের হয়েছে করোনা পরীক্ষা। দুজন ছাড়া বাকিরা সবাই সুস্থ। তাই সফল আয়োজনের আশা ফেডারেশনের।
নেপালে গেল বছর এস এ গেমসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি বাস্কেটবল দল। অনুশীলনের সুযোগ সুবিধা না থাকাসহ অনেক সমস্যায় জর্জরিত দেশের বাস্কেটবল। এ কারণে উঠে আসছে না নতুন খেলোয়াড় বলেও জানান খেলাটির এই অভিভাবক।
সহসভাপতি মইনুল আহসান মঞ্জু বলেন, ‘আমরা আশা করছি সফলভাবে আসরটা শেষ করতে পারবো। এ টুর্নামেন্টের পর জাতীয় লিগ আয়োজনের পরিকল্পনা আছে। এস এ গেমসে আমরা ভাল ফলাফল করতে পারিনি। আগামীতে আরো ভাল করার চেষ্টা থাকবে। বর্তমানে অনুশীলনের জন্য কোর্টে ঠিকমতো সুযোগ পাচ্ছে না খেলোয়াড়রা। তাই ব্যাহত হচ্ছে অনুশীলন। আগে বিভিন্ন মিশনারিজ স্কুল থেকে খেলোয়াড় উঠে আসতো। কিন্তু এখন তা আর আসছে না। ফলে ভালো মানের খেলোয়াড় আর আগের মতো উঠে আসছে না।’
ক্রিকেট ফুটবলে তারকা হওয়ার হাতছানি থাকলেও, প্রচারের আলোয় সেভাবে ঠাঁই করে নিতে পারেননি বাস্কেটবল খেলোয়াড়রা। পেশা হিসেবে নেয়ার পথে রয়েছে অনিশ্চয়তা। তারপরও বাস্কেটবলের প্রতি ভালবাসা থেকেই এ খেলাকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন অনেকেই। পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা পেলে আরো করা সম্ভব মনে করেন এই খেলোয়াড়রা।
খেলোয়াড়রা জানান, ক্রিকেটে অনেক প্রচার থাকে। আর্থিক নিশ্চয়তা থাকে। কিন্তু বাস্কেটবলে তা নেই। তারপরও আমরা এই খেলাটাকে ভালবাসি। চেষ্টা করছি ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে। কিন্তু নানা সমস্যা রয়েছে আমাদের। ফেডারেশনের পাশাপাশি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।
১৫ অক্টোবর হবে আসরের ফাইনাল।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

কী তাহার নাম, কী পরিচয়?

  আইপিএলে প্রথমবারের মতো এক ম্যাচে দুটি সুপার ওভার হয়েছে রোববার। মাঠের মধ্যে যখন লোকেশ …

error: Content is protected !!