নদী ভাঙন রোধে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ

 

পলাশ সাহা নেত্রকোনা (দুর্গাপুর) প্রতিনিধিঃনেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর ভয়াবহ ভাঙন ঠেকাতে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ।

সোমেশ্বরী নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে দুর্গাপুর উপজেলার রাণীখং,কামার খালী, কুল্লাগড়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি। এছাড়াও বিলীন হয়ে গেছে মসজিদ,মন্দির, কবরস্থান সহ আবাদী ফসলি জমি।
সরকারি ভাবে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হলেও হচ্ছে না বেড়িবাঁধের কোনো ব্যবস্থা।
তাই নিকটবর্তী গ্রামের মানুষ নদী ভাঙন ঠেকাতে নিজস্ব অর্থায়নে বস্তা কিনে বালু ভর্তি করে অস্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য কাজ করছে।
ভাঙন কবলিত এলাকায় মানুষের এসব দুর্দশার দৃশ্য দেখে স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন সহ এগিয়ে এসেছেন সমাজের বিত্তবান ব্যাক্তিবর্গ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো।
এরই মধ্যে দুর্গাপুরের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও সমাজ সেবক আলা উদ্দিন আলাল নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন এবং তিনি প্রতিনিয়তই ভাঙন কবলিত এলাকার খোঁজ খবর রাখছেন।
এছাড়াও পথ পাঠাগার, সময়ের বাতিঘর, ডন বস্কো কলেজ, কারিতাস, বিরিশিরি ওয়াইএমসি, সার্চ হিউম্যান রাইটস সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর দুর্গাপুর উপজেলা শাখা, দুর্গাপুর সচেতন ছাত্র সমাজ সহ দুর্গাপুরের বিভিন্ন সংগঠন স্বেচ্ছাশ্রমে প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বস্তায় বালু ভর্তি করে নদীর তীরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে ফেলে ভাঙন রোধ করার চেষ্টা করছে।

কামারখালী সোমেশ্বরী নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক জানান- নদীতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ যতদিন পর্যন্ত না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পথ পাঠাগারের সদস্য পলাশ সাহা বলেন- নদী ভাঙন ঠেকাতে যতদিন পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ না হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত অস্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য আমরা সবাই একত্রিত হয়ে কাজ করে যাবো।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

টাঙ্গাইলে সন্তানকে খুঁজে পেতে থানা জিডি করলো বাবা

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ভাটচান্দা গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ইউসুফ আলীকে (১০) খুঁজে পেতে …

error: Content is protected !!