শিক্ষকদের প্রচেষ্ঠায় রাজবাড়ী জেলা দেশ সেরা: জেলা প্রশাসক

 

শেখ রনজু আহাম্মেদ রাজবাড়ী প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় অনলাইন পাঠদান কর্মসুচি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম হেদায়েতুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন, রাজবাড়ীর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক বাকাইদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) সরোয়ার আহম্মেদ সালেহীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ তারিকুজ্জামান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান মনির।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, নারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, বহরপুর কলেজের অধ্যক্ষ অহিদুল হক, বালিয়াকান্দি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কুতুব উদ্দিন মোল্যা, তেঁতুলিয়া দারুচ্ছালাম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মুরাদুল ইসলাম, স্বাবলম্বী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, বালিয়াকান্দি কলেজের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম, নারুয়া লিয়াকত আলী স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক বেলাল উদ্দিন আহম্মেদ, বালিয়াকান্দি মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহীন আল মাসুদ প্রমুখ।

এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) এস,এম আবু দারদা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী এজাজ কায়সার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুল ইসলাম সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক ও অনলাইন স্কুল পরিচালনার সাথে সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে সেরা শিক্ষকদের হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম বলেন, আপনাদের প্রচেষ্টায় রাজবাড়ী ধন্য। সামনে এগিয়ে যাওয়ার পর পিছিয়ে যেতে চাই না। স্থানীয় উদ্যোগে আরসিএন টিভি ক্যাবল নের্টওয়ার্কের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ব্যবস্থা করে ছাত্রদেরকে গড়ে তুলতে হবে।

এবছর করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াতে পারেন নাই, শিক্ষক হিসেবে আপনার প্রয়োজনেই আপনি শিক্ষার্থীকে শিক্ষা দেবেন। জরুরী ভিত্তিতে অভিভাবকদের সাথে সমন্বয় করে শিক্ষা কার্যক্রমকে আরো বেগবান করবেন।

যখন অনলাইনে ক্লাস নেবেন, তখন শিক্ষার্থীদের খোজ নিবেন। আপনাদের কষ্ট যেন ফলপ্রস্যু হয়। অনলাইনে ক্লাস নিয়ে অনেক শিক্ষকই ইতিমধ্যে দক্ষ হয়েছেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থী সামনা সামনি না হওয়াতে তাদের বোঝা কষ্ট হয়, সেটার ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি, শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের দাবিতে উত্তাল জবি

জবি প্রতিনিধি:ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী তিথি …

error: Content is protected !!