নন্দীগ্রামে পেঁয়াজের বাজারে আগুন যেন কিছুতেই কমছেনা

 

 

অসীম কুমার, নন্দীগ্রাম ( বগুড়া) প্রতিনিধিঃ পেঁয়াজ আমদানি চলমান থাকলেও বগুড়ার নন্দীগ্রামে কিছুতেই যেন কমছেনা পেঁয়াজের দাম। মুলত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্দ ঘোষণা করার পরপরই এক লাফে ৪০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছে যায় পেঁয়াজের দাম। যা এখনো চলমান রয়েছে। নন্দীগ্রাম উপজেলার কুন্দার হাট ও দাসগ্রাম হাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সেখানে উচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। কেজি প্রতি পেঁয়াজ ৮০ টাকা। অথচ চলমান রয়েছে পেঁয়াজ আমদানি। মজুত রয়েছে অন্তত ৬ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ। গতকাল (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্রগ্রাম বন্দরে ২ কনটেইনারে পৌছায় পেঁয়াজের প্রথম চালান।খালাস হয় ৫৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ যা আমদানি করা হয়েছে মিয়ানমার থেকে। এর পরেই আসে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ১১৬ টন পেঁয়াজ। এ ছাড়াও তুরস্ক, নেদারল্যান্ড, মিসর থেকেও রয়েছে পেঁয়াজ আমদানির কথা । কিন্তু কিছুতেই নন্দীগ্রামে কমছেনা পেঁয়াজের দাম। পেঁয়াজের যতেষ্ট আমদানি ও মজুত থাকার পরেও কেন এত পেঁয়াজের দাম। পেঁয়াজের এই মূল্য বৃদ্ধির জন্য অনেকে দায়ি করছেন অসাধু পেঁয়াজ ব্যবসায়িদের। তাঁদের অধিক মুনাফালোভী মনোভাবকে।

কথা হয় দাসগ্রামে হাটে পেঁয়াজ কিনতে আসা কৃষক রইসউদ্দীনের সাথে। তিনি পেঁয়াজ কিনেছেন ২৫০ গ্রাম। তিনি বলেন প্রতি হাটে তিনি পেঁয়াজ কিনতেন ১ কেজি করে, কিন্তু এখন পেঁয়াজের দাম বেশি থাকার কারনে তিনি কিনিছেন মাত্র ২৫০ গ্রাম। এই পেঁয়াজ দিয়ে ওনার পরিবারের হবে কিনা জানতে চাইলে বলেন, আমরা গরিব মানুষ ৮০ টাকা দিয়ে পেঁয়াজ কিনলে আর কাঁচাবাজার করব কি করে।

পেঁয়াজের এত দামের কারন জিজ্ঞাসা করলে খুচরা ব্যবসায়িরা জানান, তাঁরা বেশি দাম পেঁয়াজ পাইকারি কিনেছেন। তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে তাঁদের ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, আমারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অসাধু ব্যবসায়িদের জরিমানা করা হচ্চে এবং বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

বালিয়াকান্দি বাজারের সড়ক সংস্কারের ২ মাস না যেতেই আগের অবস্থা

  শেখ রনজু আহাম্মেদ রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা সদর বাজারের সড়ক সংস্কারের ২ মাস …

error: Content is protected !!