নির্বাচনী ডামাডোল, প্রান্তিক পর্যায়ে প্রচারণা শেষে ঢাকায় মতবিনিময়

 

জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রচারণা শেষে এবার ঢাকায় ক্লাবগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করলো সমন্বয় পরিষদ। যেখানে ভোটারদের টাকার কাছে হার না মেনে ফুটবলের উন্নয়নে পরিবর্তনের আহ্বান জানায় প্রার্থীরা। তবে সমন্বয় পরিষদের এই সভা ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে থাকলেও, প্রিমিয়ার ও চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ ডেলিগেটদের উপস্থিতি ছিলো খুবই সামান্য।

নির্বাচনী ডামাডোল, প্রান্তিক পর্যায়ে কাজ শেষে ঢাকায় নোঙ্গর সমন্বয় পরিষদের। এবার তাদের আশ্বস্ত করতে হবে ক্লাব কর্মকর্তাদের। মত বিনিময় সভায় জনা বিশেক ডেলিগেট উপস্থিত। তবে সেখানে দেখা যায়নি প্রিমিয়ার কিংবা চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের পরিচিত মুখগুলো।
আসন্ন বাফুফে নির্বাচনে পূর্ন প্যানেল ঘোষণা করতে পারেনি সম্মিলিত পরিষদ। সভাপতি প্রার্থী তাদের নেই, একই সঙ্গে সহ-সভাপতির কোটাও রয়ে গেছে অসম্পূর্ণ। প্রচার-প্রচারণাতেও তারা অনেকটা পিছিয়ে প্রতিপক্ষের চেয়ে। তবে এসব নিয়ে চিন্তিত নন তারা। আস্থা রাখতে চান ভোটারদের ওপর।

সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রার্থী শেখ মো. আসলাম বলেন, সারা বাংলাদেশের মানুষ পুষে উঠেছে যে, এই কমিটি তারা দেখতে চাই না।
সহ-সভাপতি প্রার্থী এস এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ বলেন, সভাপতির যেহেতু একক কোন সিদ্ধান্ত নাই। সেক্ষেত্রে আমি মনে করি, সভাপতি না থাকলেও আমরা যদি মেজরিটি জিতি তাহলে ফুটবল ফেডারেশনের সকল সিদ্ধান্ত আমাদের মাধ্যমেই পাশ হবে।
দেশের ফুটবলে পরিবর্তন আনতে ডেলিগেটদের চাওয়া বদল হোক বাফুফের নীতি নির্ধারনী পর্যায়েও। যোগ্য নেতৃত্বের জন্য তাদেরও দিতে হবে বিচক্ষণতার পরিচয়। আর তাই প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতির আশ্বাসে গা না ভাসিয়ে, তারাও সিদ্ধান্ত নিতে চান বুঝে শুনে।
আবু হাসান প্রিন্স বলেন, আমাদের এই সমন্বয় পরিষদে যারা আছে তারা বেসিক্যালি সবাই পারিশ্রমিক সংগঠক। আমরা একটা পরিবর্তনের আশ্বাস পাচ্ছি।
আগামী তিন অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বাফুফে নির্বাচন। তবে এখনও কোন ইশতেহার প্রস্তুত করতে পারেনি সমন্বয় পরিষদ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

সাকিব অন্যদের মতোই একজন খেলোয়াড়’

  দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন সাকিব আল হাসানের ফেরার অপেক্ষা ফুরোচ্ছে। আর এক সপ্তাহ …

error: Content is protected !!