ক্যান্সারের সাথে লড়ছে এইচএসসি পরিক্ষার্থী, অর্থাভাবে বন্ধ চিকিৎসা

নিজেস্ব প্রতিবেদক: কলেজ ছাত্রী ফাতেমা খাতুন। ১৭ বছরের এক দুরান্ত কিশোরী। গতবছরেও মেয়েটি ছুটি বেড়িয়েছে এদিক থেকে ওদিক। তার পাদচারণায় মুখরিত থাকতো বাড়ি অাঙিনা থেকে পাইকপাড়া কলেজের বারিন্দা। এবারের এইচএসসি পরিক্ষার্থী ছিলো সে। কে জানে এত অল্প বয়সেই এই চঞ্চল কিশোরী পৃথিবীতে বেঁচে থাকার লড়াই শামীল হতে হবে!

নাটোরের লালপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের দিনমজুর পিতা কামাল হোসেনের বড় মেয়ে ফাতেমা। মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত সে। গত বছরের জুন মাসে তার জরায়ুতে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর থেকেই দিনমজুর বাবার সাধ্যমত চেষ্টা করে সুস্থ করতে পারেনি ফাতেমাকে। এখন মেয়ের চিকিৎসার জন্য অর্থের অভাবে তার দ্বারে দ্বারে ঘুরছে অসহায় বাবা।

এবিষয়ে ফাতেমার বাবা কামাল হোসেন জানান, তিন ছেলে মেয়ের মধ্যে ফাতেমা আমার বড় মেয়ে। ২০১৯ সালের জুন মাসে তার জরায়ুতে ক্যান্সার ধরা পড়ার পর থেকে দিনমজুরি করে মেয়ের চিকিৎসার জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করেছি। ডাক্তার বলেছে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা করতে পারলে অাল্লাহ সহায় হলে বেঁচে যেতে পারে মেয়েটি।

এছাড়া, ফাতেমার চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত সপ্তাহে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা করোনাকালীন সময়ে অপারেশন করাতে অপারগতা প্রকাশ করে। ফলে এখন অপারেশন করাতে হলে বাহিরে করাতে হবে। যা খুবই ব্যয়বহুল। যা দ্ররিদ্র পিতার পক্ষে সম্ভব না। তাদের অার্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। বসতবাড়ির ভিটা ছাড়া তেমন কোন সম্পত্তি নেই। ফলে অালাদা কোন অায়ের উৎস নেই।

এমতাবস্থায়, কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বৃত্তবান, সরকারি বেসরকারি সংস্থা গুলোর কাছে সাহায্যের অাবেদন করেছেন দিনমজুর পিতা কামাল হোসেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

অবসরে গেলেন রাজশাহী কলেজ গণিত বিভাগের প্রধান সিরাজুল ইসলাম

সজিবুল ইসলাম হৃদয় : অবসরে  গেলেন রাজশাহী কলেজ গণিত বিভাগের প্রধান প্রফেসর মহা: সিরাজুল ইসলাম। …

error: Content is protected !!