আহসান হাবীব পেয়ারের পর এবার ইফরীত জাহিন কুঞ্জ

জনসেবার নামে প্রতারনা, আহসান হাবীব পেয়ারের পর এবার ইফরীত জাহিন কুঞ্জ

সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বদলে গেছে প্রতারনার কৌশল ও। কিছু দিন আগে দেখেছি আহসান হাবীব পেয়ারে মানবতাকে পুজি করে প্রতারিত করছে সাধারন মানুষদের। এবার প্রতারনার মুখ উন্মোচিত হলো ইফরীত জাহিন কুঞ্জ। সে মামলার কথা বলে সাধারন মানুষদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।

ইফরীত জাহীন কুঞ্জ, জাস্টিস ফর ওমেন বাংলাদেশ নামে সে একটা ফেসবুক গ্রুপ চালায়। গ্রুপ এর মেম্বার সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখ। সারা দেশে কুঞ্জর কর্মী আছে ৩০০ জনের ও বেশি। গ্রুপটির না আছে কোন রেজিস্ট্রেশন না আছে কোন সরকারী অনুমোদন। গ্রুপটির নাম জাস্টিস ফর ওমেন হলে ও এরা নারী, পুরুষ, উভয় লিঙ্গ সবাইকেই সহযোগীতা করতে চায়।

প্রাথমিক অবস্থায় ওরা টাকা ছাড়াই মানুষদের হেল্প করতে থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে যখন দেখলো যে ওদের গ্রুপ বেশ জনপ্রিয় হয়ে গেছে তখন শুরু হলো ওদের টাকা নেয়ার ধান্দা। বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য ওরা বিভিন্ন পরিমানের চাদা ধার্য করে থাকে। কুঞ্জর কাজ হচ্ছে তার ফেসবুক গ্রুপে পুরুষ বিদ্বেষী পোষ্ট দিয়ে মেয়েদের মাইন্ড নষ্ট করা। তার ভাষ্য মতে সব পুরুষ ই খারাপ।

গ্রুপটার বিরুদ্ধে যারাই কথা বলে তাদের নানা ধরনের বদনাম দিয়ে অপমান করা হয়। মামলা দেয়া আর নেয়া কুঞ্জর জন্য যেন মামুলী একটা বেপার। মামলা দেয়ার কথা বলে তারা অসহায় মানুষদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় অনেক টাকা। এমন ই এক ঘটনা ঘটেছে খুলনায় এক মহিলার সাথে। কুঞ্জ মামলা দেয়ার কথা বলে মহিলার ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা খেয়ে ফেলে। পরে মহিলা টাকা চাইতে গেলে কুঞ্জ বলে টাকা নাই, টাকা তার গ্রুপ মডারেটর তাহান নিয়েছে। ওই মহিলা পরে তাহারের নামে মামলা করলে কুঞ্জ তাহানকেই চিনে না বলে অস্বীকার করে।

খুলনার মহিলা জিডি কপি।

গ্রুপের একনিষ্ঠ এক মেয়ে এডমিন যখন বুঝতে পারে যে কুঞ্জ মানুষের সাথে প্রতরনা করছে তখন সে এর প্রতিবাদ করে। কুঞ্জ তখন ঐ মেয়ে এডমিনের উপর ক্ষেপে তাকে নানা ধরনের হুমকি ধামকি দেয়। এমনকি মেয়েটির বাবা মাকে ও হুমকি ধমকি দিতে থাকে।

গ্রুপের বিভিন্ন ছেলে এডমিনরা অভিযোগ নিয়ে অসহায় মেয়েদের বিভিন্ন ভাবে হেনস্তা করতে থাকে। অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে মেয়েদের নানা ভাবে প্রতারিত করতে থাকে।

আর ইফরীত জাহিন কুঞ্জ দাবী করে তার মা নাকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো বোন। এমনকি  জয় নাকি বাংলাদেশে আসলেই তার সাথে যোগাযোগ করে।

জুনায়েদ রহমান নামে এক এডমিন কুঞ্জের প্রতারনার প্রতিবাদ করলে কুঞ্জ জুনায়েদ কে গ্রুপ থেকে চোরের প্রতিবাদ বিতারিত করে।

মুগদায় এক অসহায় মেয়েকে সহযোগীতার কথা বলে কুঞ্জ প্রায় ৩ লাখ টাকার মতো ফান্ড কালেকশন করে। পরে মেয়েটির সাথে কথা বলে যানা যায় কুঞ্জ মেয়েটিকে এক টাকাও দেয় নি।

অগ্নিদগ্ধ সুমিকে নিয়েও ব্যবসা করেছে কুঞ্জ। সুমির জন্য সে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ফান্ড কালেকশন করে। তবে সে সুমিকে একটাকাও দেয় নি।

এই ভাবে ইফরীত জাহিন কুঞ্জ অসহায় মানুষদের সরলতার সুযোগ নিয়ে মানবতাকে পুজি করে একের পর এক প্রতারনা করতে থাকে।

জুনায়েদ রহমান কুঞ্জের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।  ফেসবুক থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কুঞ্জের বাসায় পুলিশ গেলে তাকে বাসায় পাওয়া যায় নি।

সোর্স: জাস্টিস ওর ইনজাস্টিস

 

নাজমুল ইসলাম হৃদয়।

নিউজ ঢাকা ২৪ ডটকম।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

খুলনায় বিএনপির ২১ নেতাকর্মী গ্রেফতার

আশরাফুল ইসলাম খুলনা সদর প্রতিনিধি: পুলিশ খুলনায় আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিএনপির মহাসমাবেশ বানচাল করার …

20 comments

  1. Thanks for sharing such a nice thought, post is pleasant, thats why i have read it completely|

  2. My brother recommended I might like this web site. He was entirely right. This publish truly made my day. You cann’t believe just how much time I had spent for this info! Thank you!|

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!