এসএসসিতে ঢাকা বোর্ডে চতুর্থ দুর্গম চরাঞ্চলের মাদ্রাসা ছাত্রী

নাসির উদ্দিন টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ যমুনার চরে বাড়ী সব সময় নদী ভাঙ্গনের আতংকে কাটে জীবন,বন্য আসলেই বন্ধ হয়ে যায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ হাঠ বাজার, চলা চলের এক মাত্র যান হলো নৌকা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া ভালো কোন কোচিং সেন্টারের সুযোগ পর্যন্ত কখনো পায় না এই সমস্ত চর এলাকার ছাত্র/ছাত্রীরা, অষ্টম,নবম সর্বোচ্ছ এস এস সি পর্যন্ত পড়াশোনা করেই অধিকাংশ সময় পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। মেয়েদের বেলায় এর চেয়ে আর বেশী পড়াশোনা করা সম্ভব হয় না,প্রাপ্ত বয়স্ক না হতেই বিয়ে দিয়ে দেয় অভিবাবক। এরই মধ্যে চর অঞ্চলের সুনাম বয়ে নিয়ে আসছেন শামীমা আক্তার।

২০২০ সালে দাখিল পরিক্ষায় সাধারণ কোটায় চর চন্দনী দাখিল মাদ্রসা থেকে পরিক্ষা দিয়ে ঢাকা বিভাগের মধ্যে চর্তুথ এবং টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন টাঙ্গাইল জেলার ভুঞাপুর উপজেলার চর গাবসারা ইউনিয়নের নিকলা পাড়া গ্রামের জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা শহিদুল ইসলাম ও মা পারভীন আক্তারের প্রথম সন্তান মোছাঃ শামীমা আক্তার।

জানা যায়, শামীমা আক্তারের বাবা মো.শহিদুল ইসলাম অত্র মাদ্রাসায় দপ্তরীর চাকুরী করেন মা গৃহীনি তাদের ঘরে ৩টি সন্তান শামীমা আক্তার প্রথম সন্তান ছোট বেলা থেকেই শামীমা পড়াশোনায় ভালো ছিলেন প্রত্যেক ক্লাসেই শামীমার রোল এক ছিলো।

বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি আমার মেয়েকে নিয়ে অনেক আশা করেছিলাম যে দাখিল পরিক্ষায় আমার মেয়ে অনেক ভালো রেজাল করবে,সেই আশা আজকে পুরণ হয়েছে আমি আমার মেয়ের জন্য দেশ বাসির কাছে দোয়া চাই যাতে আমি আমার সন্তানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি।

অত্র প্রতিষ্ঠানের সুপার মো.আব্দুল বাতেন জানান, শামীমা আমার প্রতিষ্ঠানের নিয়োমিত একজন ছাত্রী, ক্লাসে সব সময় প্রথম হয়েছে, আমরা শামীমাকে নিয়ে এমনই একটি রেজাল্ট আশা করেছিলাম,চর অঞ্চল থেকেও যে ভালো লেখাপড়া করে উর্ত্তিণ হওয়া যায় তারই একটি উদাহরণ শামীমা আক্তার করে দেখালেন আমি শামীমার সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

জবিসাসের ‘গণমাধ্যম: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জবিসাস) ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘গণমাধ্যম:প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওয়েবিনার …

error: Content is protected !!