রোহিঙ্গা কি মানুষ না , কোথায় হারালো মানবতা ?

রোহিঙ্গা কি মানুষ না , কোথায় হারালো মানবতা ?

মিয়ানমারে রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর নৃশংস হামলায় ইতিমধ্যে ১১০ রোহিঙ্গা মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

আগুনে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করা হাজারো  রোহিঙ্গা জড়ো হয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তে। বিশেষঞ্জরা আশঙ্কা করছেন রোহিঙ্গাদের ঢল বাংলাদেশ কে বড়ো এক ধরনের বিপর্যয়ের মুখে ফেলে দিবে।

বোদ্ধৌ ভিক্ষুকরা হত্যা করছে মুসলমানদের

ভুক্ত ভোগী রোহিঙ্গা দের দাবী সরকার তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করার  জন্যই পরিকল্পিত ভাবে অভিযান চালাচ্ছে।

দেশটির সেনা প্রধান, বিজিপি ও বৌদ্ধবাদীদের যৌথ অভিযানে পাখির মতো রোহিঙ্গা দের গুলি করা হত্যা করা হয়। মিয়ানমারের স্থানীয় পত্রিকা মিজিমার এক প্রতিবেদনে বলা হয় ২ দিনের অভিযানে রোহিঙ্গাদের মৃত্যুর সংখ্যা ১১০ এর মতো। যদিও অংকটা অনেক বেশি। আর সময়ের সাথে সাথে এই সংখ্যা বাড়ছে বহুগুন।

হত্যার শিকার রোহিঙ্গাদের মধ্যে সব বয়সের মানুষ রয়েছে। বাদ যায় নি নারী শিশুরা ও।  নিখোজের সংখ্যাটা ও অনেক। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে শিলখালী নামক গ্রামটিতে।

হেলিকপ্টার দিয়ে হামলায় শিলখালী গ্রামটি পুরো জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৪টি মসজিদ সহ কয়েকটি মক্তব পুড়ে গিয়েছে।

নির্বিচারে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে রোহিঙ্গাদের গ্রাম গুলো।

রোহিঙ্গা ভিশন নামক একটি সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। গত কাল রোহিঙ্গাদের একটি মার্কেটে ধূকে অন্তত পাচ রোহিঙ্গাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এবং মার্কেটটি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছে অনেকে।

 

 

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান রহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন। এতে উল্লেখ করা হয়। রোহিঙ্গাদের উপর বর্তমানে যে হামলা করা হচ্ছে তা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অনেক নিন্ম স্তরে পরে । রিপোর্ট প্রকাশের পর রোহাঙ্গীদের বাঙালি বলে অভিহিত করা হয়। বিশেষঞ্জরা এটিকে রোহিঙ্গা বিরোধী নতুন ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে মনে করছেন।

রোহীঙ্গাদের উপর নতুন করে সেনা অভিযানের পর ঘটনার গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সেনা অভিযানের নিন্দা এবং বন্ধের আহ্বান যানানো হয়।

 

পুড়িয়ে মারা হচ্ছে মুসলমানদের।

মালোশিয়ান বেসরকারি সংস্থা মাফিম তাদের বিবৃতিতে বলেছে, রোহিঙ্গা দের উপর সেনাবাহিনীর অত্যাচার কোন ভাবেই মেনে নেয়া হবে। অবিলম্বে সেনা অভিযান এবং গন হত্যা বন্ধের দাবী জানায় সংস্থাটির সভাপতি মুহাম্ম আজমি আব্দুল হামিদ।

 

 

এদিকে ভয়াবহ নির্যাতনের স্বীকার রোহিঙ্গা রা স্রোতের মতো ঢুকছে বাংলাদেশে। এক শ্রেনীর দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে বিজিবির চোখ ফাকি দিয়ে সীমান্ত পার হতে সাহায্য করছে রোহিঙ্গাদের। রোহিঙ্গা দের অনুপ্রবেশের ঘটনায় বাংলাদেশ নতুন করে বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন অনেক বিশেষঞ্জ।

 

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ঝুমন দাসের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ

বিনোদন প্রতিবেদক :আল সামাদ রুবেল সুনামগঞ্জের শাল্লায় সাম্প্রদায়িক নিপিড়নের শিকার ও নিবর্তনমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে …

24 comments

  1. Hi there! This post could not be written any better! Reading this post reminds me of my previous room mate!
    He always kept chatting about this. I will forward this write-up to him.
    Fairly certain he will have a good read. Thank you for
    sharing!

  2. It’s awesome to pay a visit this web page and reading the views of all friends regarding this
    paragraph, while I am also zealous of getting familiarity.

  3. Magnificent items from you, man. I have keep in mind your stuff prior to and you are simply extremely great.

    I actually like what you have obtained here, certainly like
    what you are saying and the best way in which you say it.
    You make it enjoyable and you continue to take care of to stay it wise.
    I can’t wait to read much more from you. That is really a tremendous
    web site.

  4. tadalafil coupon – tadalafil generic name buy tadalafil 20mg price

  5. Howdy! Do you use Twitter? I’d like to follow you if that would be okay. I’m absolutely enjoying your blog and look forward to new posts.|

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!