কেরানীগঞ্জে জিনজিরা

জিনজিরা ঘাটে ট্রলারের ভাড়া বাড়লেও কমে নি যাত্রী সংখ্যা ; করোনা ঝুকিসহ ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ঢাকার কেরানীগঞ্জে জিনজিরা ইউনিয়নের কয়েকটি ঘাট থেকে ট্রলারে করে প্রতিদিন কয়েক হাজার লোক বুড়িগঙ্গা নদী পার হয়ে সোয়ারীঘাট,মিটফোর্ড ঘাট ও ওয়াইঘাটে যাতায়াত করে।

আগে যেখানে পারাপারের জন্য জনপ্রতি ৫ টাকা ও ১০ টাকা করে ভাড়া নেয়া হতো, করোনা শুরুর দিকে ভাড়া বাড়িয়ে ৭ টাকা ও ১৫ টাকা করা হয় এবং যাত্রী সংখ্যা অর্ধেক নিয়ে পারাপার করা হতো।

কিন্তু এর কিছুদিন পরেই পাল্টে যায় চিত্র। করোনাকে পুজি করে কৌশলে ভাড়া বাড়িয়ে নিলেও কয়েক দিন যেতে না যেতেই যাত্রী সংখ্যা আগের মতোই বাড়িয়ে নেয়া হয় কিন্তু ভাড়া কমানো হয় নি। এতে করে বেশ ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া দিয়ে করোনা ঝুকি নিয়ে পারাপার হওয়া যাত্রীদের।

সরেজমিন কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়নের কুশিয়ারবাগ ঘাট, মান্দাইল ঘাট, রসুলপুর ঘাট ও জিনজিরা ফেরিঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি ট্রলারেই সম্পূর্ন যাত্রী বোঝাই করে তার পরে ছাড়া হচ্ছে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি। ট্রলার চালক, ঘাটে দায়িত্ব থাকা ইজারাদের লোকজন কারো মুখেই নেই মাস্ক, নেই যাত্রীদের হ্যান্ড সেনিটাইজারের ব্যবস্থা। যাত্রীদের এক প্রকার বাধ্য হয়েই গাদাগাদি করে পার হতে হচ্ছে। পারাপার হওয়া সকল যাত্রীদের মধ্যেই ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মো: ইসতিয়াক নামে এক যাত্রী বলেন, কেরানীগঞ্জে জিনজিরা ইউনিয়ন এমনিতেই করোনার জন্য সবচেয়ে ঝুকিপূর্ন, এর মধ্যে সামাজিক দুরুত্ব না মেনে জিনজিরা ঘাটগুলো থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে পারাপার করে জিনজিরাবাসীকে আরো ঝুকির মধ্যে ফেলে দেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের বিষয়টি আমলে নেয়া উচিত।

মো: ইমন নামে এক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, মান্দাইল ঘাটে আগে ৫ টাকা ভাড়া নেয়া হতো। করোনার সময় ১০ টাকা ভাড়া বারায় যাত্রী কম নিবে বলে। ভাড়া বাড়লেও যাত্রী আগের মতোই নেয়া হয়। এটা আমাদের সাথে জুলুম এক প্রকার। আমরা করোনা ঝুকি নিয়ে পাড় হচ্ছি। ভাড়া যেহুতু বেড়েছে যাত্রী কমানো হোক, যারা ট্রলার চালায়, ঘাটে থাকে তারা কেউ মাস্ক পরে না। আমরা বললে আমাদের কথার কোন দাম ই দেয় না।

এ বিষয়ে জিনজিরা ফেড়িঘাটে ইজারাদার মো: স্বপনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সবকিছুর দাম বেড়েছে তাই ভাড়াও বৃদ্ধি করা হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া হয় না। আগে যাত্রী নেয়া হতো ১০০ থেকে ১২০ জন এখন নেয়া হয় ৭০-৮০ জন। কর্মীদের মাস্ক না পড়া ও যাত্রীদের হ্যান্ড সেনিটারাইজারের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে এখন থেকে ব্যবস্থা করবেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বিআইডবিøউটিএ যুগ্ন পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন বলেন, করোনাকালীন সময়ে অবশ্যই যাত্রীদের সুরক্ষার বিষয়টি আগে দেখতে হবে।অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোন সুযোগ নেই। কেউ যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেছে এমন অভিযোগ পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। #

নিউজ ঢাকা

আরো পড়ুন,কানাডার হ্যালিফ্যাক্স থেকে সহযোগিতা পেলো মাঞ্জা

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

উদ্যত শির লুটিয়ে দাও

  লেখক ডাক্তার রফিকুল ইসলাম হে বিশ্ব! থমকে দাড়ালে কেন? চমকে গেলে কেন? কোথায় তোমার …

error: Content is protected !!