করোনা আক্রান্ত

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৪ দিন পার হওয়ার আগেই ফার্মেসি চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ী !

অসচেতনতার কারনেই দেশে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ।  কেরানীগঞ্জেও বাড়ছে করোনা রোগী ।কেরানীগঞ্জে  সাধারন জনসাধারনের পাশাপাশি এবার অসচেতন দেখা গেলো খোদ এক করোনা রোগীকে। করোনাটেষ্ট পজেটিভ হওয়ার কিছুদিন যেতে না যেতেই ফার্মেসী খুলে বসেছে মো: শফিক নামে এক ফার্মেসি ব্যবসায়ী। ঘটনাটি জিনজিরা ইউনিয়নের ছাটগাও এলাকায়।

সরেজমিন কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়নের ছাটগাও এলাকায় সাজেদা হাসপাতালের সামনে গিয়ে দেখা যায়, সাজেদা হাসপাতালের পাশেই শফিক ফার্মেসী নামে একটা ফার্মেসির দোকান করছে মো: শফিক।  আশে পাশের কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদের কয়েকদিন আগে দোকানটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পরে ১ তারিখ থেকে দোকানটি পুনরায় চালু করা হয়, মাঝে একদিন বন্ধ ছিলো। তবে কেন বন্ধ করা হয়েছিলো তারা বলতে পারেন না।

তার করোনা আক্রান্তের কথা কেউ বলতে পারে না। করোনা আক্রান্তের বিষয়ে কয়েকজনকে প্রশ্ন করলে তারা বলে, একজন করোনা রোগীর তো বাহিরে থাকার কথা নয়। সে যদি করোনা আক্রান্ত হয়ে থাকে তা হলে তার কাছ থেকে গত কয়েকদিনে কতো মানুষ যে আক্রান্ত হয়েছে তার তো ঠিক নেই।

খবর নিয়ে জানা যায়, গত ২১ মে করোনা পজেটিভ হয় মো: শফিক । তার কিছুদিন আগে তার স্ত্রীর পজেটিভ আসে । এর পরে ২২ তারিখ থেকে দোকান বন্ধ রাখার পরে আবার ১ জুন  থেকে দোকান চালু করেন তিনি। সাধারনত করোনা পজেটিভ হওয়ার ১৪ দিন পরে আবার দ্বিতীয় বার টেষ্ট করাতে হয়। সেই টেষ্টের রেজাল্ট আসলে আরো কয়েকদিন পরে বাহিরে বের হবার নিয়ম থাকলেও ১৪ দিন পার না হতেই তিনি বাহিরে বের হয়ে দোকানদারী করছেন।

এতে করে তিনি অন্যদের ও ঝুকিতে ফেলছেন। বিশেষ করে গত কয়েকদিনে পাশ্ববর্তী সাজেদা হাসপাতালের অনেক গর্ভবতী মায়ের ঔষধ কিনতে এসেছে তাদের আত্মীয় স্বজনেরা, মো: শফিকের কাছ থেকে এই সব মায়েদের আত্মীয় স্বজন ও গর্ভবতী মায়েদের ও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

এ বিষয়ে মো: শফিকের সাথে কথা হলে প্রথমে তিনি বলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আমার নেগেটিভ এসেছে বলা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয় মো: শফিকের দ্বিতীয়বার করোনা টেষ্ট করানোই হয় নি। এবং তাকে কিছু বলা হয় নি। পরবর্তীতে মো: শফিক বলেন, আমার ভুল হয়ে গেছে আমি ক্ষমা প্রার্থী।

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ জানান, করোনা পজেটিভ হলে অন্তত ১৪ দিন তো অবশ্যই বাসায় থাকতে হবে। এবং দ্বিতীয় বার টেষ্ট করিয়ে রেজাল্ট নেগেটিভ আসার আগে বের হওয়া যাবে না। যেহুতু তিনি আইন অমান্য করেছেন তার বিরুদ্ধে অবশ্যই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজ ঢাকা

আরো পড়ুন,এই দিনেও যারা ডাক্তার ফেরদৌসদের মতো মানুষকে নিয়ে সমালোচনা করছে তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড কী!!

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় চুনকুটিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শুভাঢ্যা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত …

error: Content is protected !!