নাটোরে আম্পানে আমের ব্যাপক ক্ষতি, প্রতি মণ ৩০-৪০ টাকা

জেলা প্রতিনিধিঃ ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টিতে নাটোর জেলায় আম চাষিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে একদিকে বিপর্যয়, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

বুধবার (২০ মে) এই বছরের আম পাড়া শুরু হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু আবহাওয়া খারাপের কারণে রোদুজ্জল দিনের অপেক্ষায় ছিলেন এখানকার চাষিরা। কিন্তু সে অপেক্ষাই যেন কাল হলো তাদের। আম্পানের মূল ঝাপ্টাটাই গেছে আমের ওপর দিয়ে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে ঝরে পড়া এসব আম বিক্রি হচ্ছে ৩০ -৪০ টাকা মণ দরে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে স্থানীয় অাম চাষীরা।

বাগাতিপাড়া উপজেলার অাম চাষি শহিদুল ইসলাম জানান, রাতের ঝড়ে গাছের আম অধিকাংশই ঝরে গেছে। সেই অাম মাত্র ৩০/৪০ টাকা বস্তা হিসাবে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মৌসুমী ব্যবসায়ী অানিছুর রহমান জানান, দেড় লক্ষ টাকায় অামের বাগান কিনেছিলাম। এই অাম ঢাকায় চালান করি। এবার এমনিতে মহামারি করোনা ভাইরাসের আম নিয়ে শঙ্কায় ছিলাম। এর উপর এক রাতের ঝড়ই আমাদের নিঃস্ব করে দিলো। সরকার সহযোগিতা না করলে এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব না।

এছাড়া লালপুর উপজেলা অাম চাষিরা জানান, ঝড়ে আমের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। যে আম ৪০-৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতো, সেই আম ঝড়ে পড়ে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২-৪ টাকা কেজিতে। তাতে বড় অংকের ক্ষতির মুখে পড়বে তারা।

এমন চিত্র জেলার সকল মৌসুমি অাম চাষি ও ব্যবসায়ীদের। এমতাবস্থায় সরকারের কাছে তাদের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত এসব দরিদ্র মৌসুমি চাষি ও অাম ব্যবসায়ীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে যেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

লালপুরে মাজারের কমিটি নিয়ে বিশৃঙ্খলা, আটক ৪

মেহেরুল ইসলাম নাটোর (লালপুর) সংবাদদাতাঃ নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দুড়ীয়া ইউনিয়নে ভেল্লাবাড়ীয়া হযরত বাগু দেওয়ান(রহঃ) মাজারের …

error: Content is protected !!