করোনায় ভালো নেই প্রবাসী শ্রমিক

করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এ ভালো নেই সারা বিশ্বের মানুষ। প্রবাসের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশিরা রয়েছেন কঠিন চ্যালেঞ্জে। মালেশিয়া,আমেরিকা,ইটালী,কুয়েত ও সৌদি প্রবাসীরাা। কোভিড-১৯ এর কারনে বিশ্বব্যাপী লকডাউনে হাজারো প্রবাসী কর্মহীন হয়ে পরে।

ঘরে বন্দি ব্যবসা বানিজ্য সব বন্ধ,আয়ের পথও বন্ধ। এমন অবস্থা দেশে পরিবারের খরচ ও চাহিদাতো দুরের কথা নিজেদের প্রবাসে থাকা খরচ মেটানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।কুয়েতে থাকা প্রবাসী মো:অপু,শহিদুল হোসেন,আরিফ,মো:আনোয়ার,আবুল হোসেন,ও তার কিছু প্রবাসীরা নিউজ ঢাকাকে জানান, দেশে আমাদের পরিবার আমাদের উপর নির্ভরশীল আজ প্রায় এক মাস লকডাউনের কাজ নেই ।এরকম অবস্থায় পরিবারকে কিভাবে কি করবো?এক মাস করে বেতন আটকে পরেছে,কবে কাজ করেছি ১৫ দিন মার্চ মাসের ১৫ তারিখ থেকে শুরু হয় লকডাউন অনেকে হয়তো পুরো মাসের বেতন পাবে অনেকে ১৫ দিনের আবার অনেকে পাবে কিনা তারও কোন নিশ্চয়তা নেই, আমাদের তেমন কোন সঞ্চয়ও নেই মাস টু মাস হিসেব করে চলতে হয় নিজেদের খরচটুকু বাদ দিয়ে বাকিটা দিয়ে পরিবারের চাওয়া পাওয়া মিটাতে হয় ।

কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পর থেকে একে বারেই কর্মহীন, নেই অর্থ করি যা ছিলো তা তা দিয়ে নিজেরা এখান কোন রকম করে চলে গেলাম কিন্তু আমার পরিবার? তাদের তো কিছু দিতে পারলাম না,একটা মাস পার করে দিলাম কিন্তু পরের মাস? সামনে ঈদ পরিবারের কথা না হয় বাদই দিলাম নিজেরা কিভাবে বাঁচবো? যদি কর্মক্ষেত্রে না যেতে পারি?

তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয় কুয়েত সরকার কোন ভাবে সহায়তা করছি কিনা জবাবে তারা বলেন না এখনো কেমন কোন সহায়তা করা হয় নি, তবে তারা তাদের দেশীয় নাগরিকদের নানান রকম সহযোগীতা করছে এখনো প্রবাসীদের নিয়ে কোন কার্যক্রম করা হয় নাই, বরংচো বাসার মালিক যারা তারা কেউ কেউ মানবতার দৃষ্টিতে ভাড়া মওকুফ করছে আবার অনেকে করছে না। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনাদের বাড়ির জমিদার থেকে কি কোন সহায়তা করা হয় নেই? উত্তরে বলেন না বরংচ ভাড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।

আমরা জমিদারের নিকট ভাড়া মওকুফের জন্য আবেদন করেছি এখনো কোন কিছু জানানো হয় নেই জমিদারের পক্ষ থেকে!

করোনা ভাইরাস দিনে দিনে কুয়েতে বেরই চলছে প্রতিদিনই ১০-১০০ এর উপরে রোগী সনাক্ত করা হচ্ছে আর চিকিৎসা শেষ ৫-৮ জন সুস্থ হচ্ছে। ফুল লকডাউন থাকা সত্তেও বিকাল পাঁচটার পর থেকে এখানে চলে কারফিউ ভোর ৪ টা পর্যন্ত। সুপার শোপগুলাতেও এড়িয়া ভিত্তিক মানুষ প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে কিন্তু সেখানে কুয়েতী নাগরিকদের প্রাধন্য সর্বাপরী দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিলের ১ তারিখ ৩০ পর্যন্ত চলছে সাধারণ ক্ষমা প্রায় ২০ হাজার অবৈধ বাংলাদেশী রয়েছে এ দেশে প্রথম দিন দফায় প্রায় ১৫০০ অবৈধ বাঙ্গালী নিজ দেশে যাওয়ার জন্য এম্বাসী জান। শুনা যাচ্ছে সাধারন ক্ষমা শেষ হওয়ার আগেই বিশেষ ফ্লাইট করবে কুয়েত সরকার বৈধ প্রবাসীদের জন্য যারা যেতে ইচ্ছুক।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

লকডাউন না করেও ইরান করোনা ইস্যুতে কিভাবে সফল হচ্ছে ?

লকডাউন না করেও ইরান করোনা ইস্যুতে কিভাবে সফল হচ্ছে ইরানের কিছুদিন আগেও করোনাভাইরাসে ২৪ ঘন্টায় …

error: Content is protected !!