ভাইরাস নিয়ে আড্ডা দেই আসুন।

ভাইরাস নিয়ে আড্ডা দেই আসুন।

তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ভাইরাস শব্দটি শুনেন নি এমন মানুষ নেই বললেই চলে। প্রায় সবাই ভাই রাস ,  ট্রোজান হর্স, রুটকিট,  ওর্ম, ম্যালওয়ার, স্পাইওয়ার ইত্যাদির কথা শুনে থাকবেন। এগুলোকে এক কথায় virus বলা হয়।

আমাদের কম্পিউটার গুলো যখন ভিন্ন ধরনের আচরন করে তখন স্বাভাবিক ভাবেই আমরা ধারনা করি যে আমাদের প্রিয় কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এখানে ভাইরাস কিন্তু নানা ধরনের আছে । আমরা যদি ভাইরাসের প্রকার ভেদ জানতে পারি তা হলে খুব সহজেই ভাইরস নির্নন করতে পারি। এবং খুব দ্রুতই পিসিকে সাড়িয়ে তুলতে পারি। এবং ভাইরাসের হাত থেকে বেচে ও থাকতে পারি।

virus হচ্ছে এমন এক ধরণের প্রোগ্রাম যা অন্য কোনো প্রোগ্রামে (Executable File) ঢুকে তাকে আক্রান্ত করে ক্রাশ করে এবং  এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে নিজেকে প্রসারিত করে। তবে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়ানোর জন্য ৯৮% ক্ষেত্রে আমরা নিজেরাই দায়ী।

virus কম্পিউটারের যে কোন ড্রাইভে বা প্রোগ্রামে লুকিয়ে থাকতে পারে। পিসি প্রোগ্রাম থেকে ডাটা ফাইল এমনকি হার্ডডিক্সের বুট সেক্টরেও লুকিয়ে থাকতে সক্ষম ভাইরাস । virus কম্পিউটারের নানা বিধ ক্ষতি করতে পারে। এটি সাধারণত হার্ডডিক্সের জায়গা দখল করে জায়গা ভরে দেয়, সিপিইউ টাইম নষ্ট করে দেয়, ডাটা নষ্ট করে দেয় , তাছাড়া কম্পিউটারের পর্দায় বিভিন্ন রকম অদ্ভুদ বার্তা প্রদর্শন করে থাকে।

তবে সব ভাইরাসই কিন্তু নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারে না আবার সব ভাইরাস পিসির ক্ষতি ও করে না।

ভাইরাসের কারনে কম্পিউটারের ক্ষতি কমানোর জন্য প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে।

ভাইরাসকে মারতে এবং ভাইরাসকে ঠেকানোর জন্য বহু ফ্রি ও ওপেন সোর্সের এন্টি ভাইরাস যেমন তৈরি হচ্ছে তেমনি তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন এন্টি ভাইরাস কোম্পানী ও।

কিন্তু দু:খের বিষয় এই যে, আজ পর্যন্ত এমন কোন এন্টি ভাইরাস তৈরি হয় নাই যা একটি কম্পিউটারকে পুরোপুরি ভাবে ভাইরাস থেকে বাচিয়ে রাখতে পারে।

রেসিডেন্ট virus নামক এক ধরনের virus আছে। এই virus যদি একবার আপনার পিসিতে ধুকে যায় তা হলে সর্বনাশ !! এটি প্রথমে অপরেটিং সিস্টেমে প্রবেশ করে। এর পর অপরেটিং সিস্টেম মুছে দিলেও তা র‍্যামের মধ্যে থেকে যায়।

ম্যাক্রো virus জনপ্রিয় ভাইরাসের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে । পিডিএফ ফাইল ওর্য়াড ফাইল ত্যাদির মধ্যে ম্যাক্রো ভাষায় লেখা থাকে এটি।

আর তাই, ম্যাক্রো virus আক্রান্ত ফাইলটি ওপেন করলেই। একে অনেকেই ডকুমেন্ট virus বলে থাকে।

যদিও virus থেকে পুরোপুরি বাচা সম্ভব না । তার পরেও একটু সতর্ক থাকলে আমরা অনেক ভাইরাসের হাত থেকে মুক্ত থাকতে পারি।

 

তথ্য সুত্র: টেক টুনস

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: দেড় দশকেও কাটেনি শ্রেণিকক্ষ সংকট

অপূর্ব চৌধুরী: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে শ্রেণিকক্ষ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় …

16 comments

  1. Great post. I was checking continuously this weblog and I’m impressed!
    Extremely helpful info specifically the remaining section 🙂 I handle such information much.

    I was looking for this particular info for a
    very long time. Thanks and best of luck. http://antiibioticsland.com/Cephalexin.htm

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!