কার্যক্রম

অবশেষে স্থগিত হল ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ জবি বাঁধনের কার্যক্রম

 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাঁধন ইউনিটের সকল কার্যক্রম স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জবি বাঁধন ইউনিট কোনো প্রকার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। বুধবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হুসাইন মোহাম্মদ সিদ্দিকিন সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিবার্য কারণবশতঃ বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলো। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই আদেশ বহাল থাকবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আগামী সাত দিনের মধ্যে বাঁধন ইউনিটের সকল আর্থিক ও দপ্তরিক হিসাব কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেয়া হলো।

জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাঁধন ইউনিটের ২০২০ কমিটি গঠনের পক্রিয়ায় উপদেষ্টাদের হস্তক্ষেপে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে ছাত্র উপদেষ্টা মকবুল হাসান সোহান, আমিনুল হক রবিন ও আক্তারুজ্জামান আতিকের বিরুদ্ধে সরাসরি অনিয়মের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।জবি শাখা বাঁধনের ২০২০ সালের কমিটি গঠনে স্বজনপ্রীতি, দক্ষ কর্মীদের মূল্যায়ন না করা ও ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা অভিযোগ উল্লেখ করে কর্মীদের পক্ষ থেকে সভাপতি প্রধান শিক্ষক উপদেষ্টা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন এবং এ বিষয়ে সেন্ট্রাল ও জোনকেও জানানো হয়। জবি বাঁধন ইউনিটের সমস্যা সমাধানে সেন্ট্রালের পক্ষ থেকে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু সেই কমিটির কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। আবার শিক্ষক উপদেষ্টারা বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেও জবির ইউনিটের সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়েছেন।

গত সোমবার বাঁধন কর্মীদের উভয় পক্ষের সাথে শিক্ষক উপদেষ্টারা বসেও কোনো সমাধান করতে পারেননি। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ২০১৯ কমিটির সভাপতি নিয়াজ শরীফ টুটুলের সভাপতিত্বে ২০২০ কমিটি অবৈধ ঘোষণা করা হয় এবং সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ২০১৯ কমিটি বাঁধন ইউনিট পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে বাঁধন ইউনিটের অফিসে তালা দেয় ২০১৯ কমিটির কার্যনির্বাহী ও সাধারণ কর্মীরা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাঁধন ২০১৯ কমিটির সভাপতি নিয়াজ শরীফ বলেন, সাবজেক্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি গঠিত কমিটিতে দক্ষ কর্মীদের মূল্যায়ন না করা এবং কমিটি গঠনে অনিয়ম করায় ২০১৯ কমিটির কার্যকরী পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের সম্মতিক্রমে ”কার্যকরী পরিষদ ২০২০” পাস করা হলো না। পরবর্তী কার্যকরী পরিষদ গঠন না করা পর্যন্ত ২০১৯ কমিটি অফিস পরিচালনা করবে। তিনি আরো বলেন, অফিসের নিরাপত্তার জন্য আগে ব্যবহারিত দুটি পুরাতন তালা পরিবর্তন করে নতুন তালা লাগানো হয়েছে।

নিউজ ঢাকা

আরো পড়ুন,রাতভর পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ! ইউপি সদস্যের মধ্যস্থায় বিয়ে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

উদ্যত শির লুটিয়ে দাও

  লেখক ডাক্তার রফিকুল ইসলাম হে বিশ্ব! থমকে দাড়ালে কেন? চমকে গেলে কেন? কোথায় তোমার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!