করোনাভাইরাসের

বেশি দাম দিয়েও মিলছে না মাস্ক

 ওয়ালিদ হোসেন ফাহিম: করোনাভাইরাসের কারণে বিভিন্ন দেশের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশেও মাস্কের চাহিদা বেড়েছে।এ সুযোগে দাম হাকিয়ে অধিক অর্থ উপার্জন করছে ব্যবসায়ীরা,তবু ও প্রয়োজন মত মেটাতে পারছে না ক্রেতাদের চাহিদা।

করোনাভাইরাস আমদের আশেপাশে বেশ কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়লে ও বর্তমান এই রোগ মুক্ত রয়েছে বাংলাদেশ। রোগটির সংক্রমণের সব পরিবেশই এখানে উপুযুক্ত।বিশেষ করে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ অতি ঘনিষ্ঠ হওয়ায় যেকোনো সময় রোগটি সংক্রমণ হতে পারে।

এর জন্য মানুষ নিজেকে এই ভাইরাস থেকে বিরত রাখতে খুজছে ফেইস মাস্ক। সরেজমিন মিটফোর্ড এলাকার মেডিক্যাল সেন্টাররে সার্জিক্যাল মাস্ক নেই গত ১৫দিন ধরে।

রমনা ফার্মেসিতে নেই গত ৭-৮ দিন ধরে। রমনা ফার্মেসিতে কর্মরত একলোক জানান, গত এক সপ্তাহ ধরেই মাস্কের সাপ্লাই নেই। শাহবাগের মেডিসিন প্লাস, অভিজাত ফার্মেসি, বেল-ভিউ ফার্মা, আবিদ ড্রাগস, জনসেবা ফার্মেসি, আল-কেমি ড্রাগস, নিউ পপুলার ফার্মেসি, ট্রিভোলি ফার্মাসহ পুরো মার্কেট সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় কোনও দোকানে ফেইস মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে না। ক্রেতারা এসে ফেরত যাচ্ছেন। এসব ওষুধের দোকানগুলোর কোনওটিতে এক সপ্তাহ, কোনওটিতে গত ১০-১৫ দিন, কোনওটিতে আবার তিন-চার দিন ধরে ফেইস মাস্ক নেই।

আবার বিভিন্ন লাজ ফার্মেসিতে সার্জিক্যাল মাস্ক পাওয়া গেলেও তার দাম বেড়েছে বহুগুন। ইসলামপুরের সালাম সিকদার নামের এক ক্রেতা সাথে কথা বলে জানাযায় গত কয়েকদিনে চীন সহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যে হারে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী বাড়ছে সে দিক লোক্ষ রেখে পরিবারের জন্য আজকে প্রায় ৩দিন বিভিন্ন ফার্মেসিতে সন্দান করে অবশেষে ১০ টাকার মাস্ক ৫০ টাকায় কিনতে পেলো সে।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে মিটফোর্ড এলাকার এক ঔষধ ব্যবসায়ী নাম বলতে অনিচ্ছুক সে নিউজ ঢাকা কে জানায় গত কয়েকদিনে মাস্ক এর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে আকাশ ছোয়ার মত যেখানে বিক্রি হত ৬০ টাকা বক্স এখন সেই বক্স কিনতে হচ্ছে ৭০০ টাকা দিয়ে, তবুও বা পাওয়া যাচ্ছে কেবল মাএ দু একটি দোকানে এর কারন বরং তিনি নিজের এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কে দোশলেন তারা একটি সিন্ডিকেট করে এই মাস্ক গুলোর চাহিদে দেখে দাম বাড়িয়েছে এছাড়াও তারা এই সব মাস্ক গুলো বাহিরে রপ্তানি করে বেশি অর্থ উর্পাজন করার ফলে আমাদের দেশে এই ফেইস মাস্কের এমন আকাল পরেছে।

এলাকার আরও কিছু বিক্রেতারা বলছেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রথমদিকে অনেকে ১০০০ থেকে ১৫০০ এমনকী দুই হাজার মাস্ক পর্যন্ত কিনে নিয়েছেন।

আর যেসব কোম্পানি থেকে তারা এগুলো কিনতেন সেসব কোম্পানি থেকে এখন আর সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে না। বিক্রেতারা বলছেন, ‘কোম্পানির লোক আসে না।’ তাদের দাবি, ‘এর আগে যেসব সার্জিক্যাল মাস্ক তারা বিক্রি করতেন, সেগুলো বেশিরভাগই ছিল চীনের আর ভারতের।

কিন্তু সেগুলো এখন আর আসছে না।’ এ বিষয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর বলছে, একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা অধিক লাভের আশায় এই অসৎ পন্হা ভেছে নিয়েছেন। তবে শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানায় অধিদফতর।

বিশ্বব্যাপী মাস্ক নিয়ে তেলেসমাতি করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে দক্ষিণ কেরিয়া,ভারত,বেইজিং,ভিয়েতনাম,কম্বোডিয়া, ও আরব আমিরাত দেশের সরকার।

কোথাও জেল,কোথাও রপ্তানি রয়েছে বন্ধ,কোথাও করা হয়েছে জরিমানা আবার কোথাও কোথাও মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন পদোক্ষেপ নেন নি বাংলাদেশ সরকার।

নিউজ ঢাকা

আরো পড়ুন,জবির রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে ২ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের উদ্বোধন আগামীকাল

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু

নোয়াখালীতে মুজিব জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এক মাসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নোয়াখালী সোনাইমুড়ীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আতাউর রহমান ভূঁইয়া স্কুল এন্ড …

Leave a Reply

Your email address will not be published.