আওয়ামীলীগ এর

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় এগিয়ে মিরাজ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আওয়ামী লীগের সৎ এবং কর্মী বান্ধব নেতা মিরাজ হোসেন স্কুল জীবন থেকেই মিরাজ হোসেন এর ছাত্র রাজনীতির প্রতি ছিল অগাত আগ্রহ এরই ধারাবাহিকতায় তিনি প্রথমে ছাত্রলীগ ও পরে মূল দল আওয়ামীলীগ এর ৫ সঙ্গে যুক্ত হন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করা থেকে মহানগর দক্ষিনের প্রতিটি অলি গলিতে তার পদচারণা। সেই থেকে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে পরিচিত লাভ করেন সৎ, মেধাবী, কর্মীবান্ধব নেতা হিসাবে।শুধু দলীয় নেতা কর্মী নয়, জনসাধারণের কাছে প্রিয় পাত্র হিসাবে পরিচিত।

বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ডের তৃনমূল নেতা কর্মী এবং জনসাধারণ এর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে ধন্যবাদ জানায় দূর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করার জন্য এবং তা অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব সন্ধানের উদ্যোগ কে স্বাগত জানায় তারা। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে ক্লিন ইমেজ নেতা মিরাজ হোসেনের নাম।

তৃনমূল নেতা কর্মী এবং সাধারন জনগনের কাছ থেকে জানা যায় মিরাজ হোসেন এর সততার কথা। তারা বলেন মিরাজ হোসেন জনসাধারণের সাথে সহজেই মিশে যা অন্য নেতাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।দলের কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে যেয়ে তাকে বিভিন্ন সময় মামলা হামলার শিকার হওয়াসহ কারাভোগ করতে হয়েছে। তবে দলের সু-সময়ে দলকে অসদ উপায়ে কাজে লাগিয়ে অর্থের পাহাড় গড়েননি তিনি।

তারা আরও বলেন মিরাজ হোসেন কে ঢাকা মহানগর দক্ষিনের দায়িত্ব দেওয়া হলে দল বেশি শক্তিশালী হবে। মিরাজ হোসেন এর অতীতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের তৃনমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে রয়েছে তার জনপ্রিয়তা এবং গ্রহণযোগ্যতা।আর এই গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে জীবনে বাকিটা সময় তিনি আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গেই সম্পৃক্ত থাকতে চান।

জানাগেছে, মিরাজ হোসেন মিরাজ মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার মৃত সুলতান মৃধার ছেলে।শিক্ষা জীবনে তিনি স্থানীয় পুরা ডি সি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, কবি নজরুল সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও ঢাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনায় শিক্ষায় স্নাতকত্তোর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স পাস করেন ।

১৯৮৩ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন, উচ্চমাধ্যমিক পড়ার সময় ১৯৮৬ সালে বৃহত্তর সূত্রাপুর থানাধীন ৮২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

পরবর্তীতে বৃহত্তর সূত্রাপুর থানা ছাত্রলীগের সম্পাদকের ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য দায়িত্ব পালন করেন, তৃণমূল থেকে গড়ে ওঠে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও তার সাংগঠনিক দক্ষতার কারনে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ সহ সভাপতি নির্বাচিত হন নজরুল ইসলাম বাবু – গোলাম সারওয়ার মামুন কমিটির।

স্বৈরাচার সরকার বিরোধী ও বি এন পি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করায় ও গণতন্ত্র পূর্ণ উদ্ধার আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ১৯৯৮ সালের জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত করেন, তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (লিয়াকত -বাবু) কমিটিতে ।
পরবর্তীতে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ -দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত করেন ।

তবে ব্যাক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি কখনই রাজনীতিকে পুজি করেননি। তাইতো অন্য আট দশজন রাজনৈতিক নেতাদের মতো নিজের অস্বাভাবিক আর্থিক পরিবর্তন ঘটেনি তার।

তৃণমূল থেকে উঠে আসা মিরাজ হোসেন সঠিক নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন তিনি। মিরাজ হোসেন ১৯৮৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বহুবার মামলা হামলার শিকার হয়েছেন একই সাথে কারাভোগও করতে হয়েছে তাকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের এক নেতা জানান বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মিরাজ হোসেন।এমনকি তিনি ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ন পদে থেকেও কখনো কোন দূর্নীতির আশ্রয় নেয়নি।এলাকায় তিনি কর্মীবান্ধব নেতাই হিসেবেই বেশ পরিচিত।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সরকারি শহীদ সোহ্ রাওয়ার্দী কলেজ শাখার সাবেক যুগ্ম- সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান কানন বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক মিরাজ হোসেন মিরাজ। আগামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ক্লিন ইমেজ নেতৃত্বে ওপরেই আস্থা রাখতে চাই। সৎ, পরিছন্ন,ত্যাগী, মেধাবী সাবেক ছাত্রনেতা মিরাজ হোসেন মিরাজ ভাই কে সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দেখতে চাই।

এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ দপ্তর সম্পাদক মিরাজ হোসেন মিরাজ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারন করে ও তার কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আগামীর পথ চলতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যদি দায়িত্ব দেন তাহলে অতীতের নেয় সততার সাথে কাজ করবো দল কে ত্যাগীদের নিয়ে শক্তিশালী করে তুলবো।

নিউজ ঢাকা

আরো পড়ুন,আবরার হত্যায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ক্ষোভ

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

প্রকৃতিকে রক্ষায়

মুজিববর্ষ ও বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে খিলগাঁওয়ে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন

বিশ্বব্যাপী পরিবেশ বিপর্যয় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে প্রকৃতিকে রক্ষায় সারাদেশে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করছে বাংলাদেশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.