ঘূর্ণিঝড় মোরা 'র ক্ষয়ক্ষতির পরিমান

ঘূর্ণিঝড় মোরা ‘র ক্ষয়ক্ষতির পরিমান

ঘূর্ণিঝড় মোরা র প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল গুলোতে বিরাজ করছে থমথমে পরিবেশ। তবে যেমনটা ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিকাশ করা হচ্ছিল সাগরে ভাটার কারনে তেমনটা হয়নি বললেই চলে।

তবে, আতংকজনিত কারনে, গাছ চাপা পড়ে, ঝড়ে  কক্সবাজারে ৩ জন , রাঙামাটিতে দুজন, এবং ভোলায় একজন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

আগে থেকেই সতর্ক অবস্থায় থাকার কারনে এবং গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের কারণে ঘূর্ণিঝড় মোরা ‘য় ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলক কম হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে মিডিয়া এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছে।

এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোরা র কারনে উকূলীয় ১৫ জেলার প্রায় ৬ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়। এবং গবাদি পশু পাখি গুলোকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে আসা হয় । যার কারনে ক্ষয়ক্ষতি কম হয় বলে জানা যায়।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো: হামিদুল হক বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় আগে থেকেই ব্যবস্থা নেয়ায় ঘূর্ণিঝড় মোরা তে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে।

উল্লেখ্য ঘূর্ণিঝড় মোরা র কারনে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বান্দরবনে। সকালে বান্দরবান পৌর এলাকার জাদিপাড়ার ফাতেমা রানী গির্জার সামনে একটি বড় গাছ একটি ২তলা বাড়ির উপর পরে যায় ,এতে বাড়িটি ভেঙে পরে। তবে দিনের বেলায় আঘাত হানার ফলে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বান্দরবনের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ খুঁটির উপর গাছ ভেঙ্গে পড়া ও খুঁটি হেলে পড়ায় অনেক জায়গায় এখোনে বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছি্ন্ন আছে।

কক্সবাজারে যে তিন জন মারা যায় তাদের মধ্যে  -রহমত উল্লাহ (৫০) ও সায়েরা খাতুন (৬০) গাছের নিচে চাপা পড়ে এবং মরিয়ম বেগম (৫৫) নুনিয়াচটা আশ্রয়কেন্দ্রে আতঙ্কে মারা গেছেন।

রাঙামাটিতে গাছ চাপা পরে ভেদভেদী এলাকার মুসলিমপাড়ার স্কুলছাত্রী জাহিদা সুলতানা নাহিমা (১৩) ও আসামবস্তি এলাকার গৃহবধূ হাজেরা বেগম (৪৫) মারা গেছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গোলাম মোস্তফা সংবাদ সম্মেলনে জানান, ঘূর্নিঝড় মোরা র  ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খুবই কম , তা নিরূপণের কাজ চলছে। চট্টগ্রাম বিভাগে  ক্ষয়ক্ষতি হলেও বরিশাল ও খুলনা বিভাগে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয় নি । তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির যে পরিমান  পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী পুনর্বাসনের কাজ শুরু করা হবে। যেখানে দরকার, সেখানে বাড়িঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। কৃষি পুনর্বাসনেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি পোষাতেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

মাধবপুরে পাটের ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

  শেখ জাহান রনি, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মাধবপুর উপজেলায় পাটের ফলন ভালো …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!