সুইফটের

মাকে নিয়ে রচিত সুইফটের গান!

বর্তমানে সেরা পপ তারকাদের কথা বললেই টেইলর সুইফটের নামটি চলে আসে। ১৯৮৯ সালের ১৩ ই ডিসেম্বর ওয়েম মিসিং পেন্সিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যে জন্ম ও বেড়ে ওঠা টেইলর সুইফট একজন গায়ক-গীতিকার। তিনি নিজের ব্যাক্তিগত জিবনের বর্ণনামূলক গান লেখার জন্য খুবই পরিচিত।

মাত্র ১৬ বছর বয়সেই মিউজিক ইনডাস্ট্রিতে সেরা পপ তারকাদের মাঝে নিজের নাম লিখিয়ে “পপ কুইন” হিসেবে এখনও রাজত্ব করছেন। দীর্ঘ ১৩ বছর ক্যারিয়ার জিবনের পর এ বছর টেইলর সুইফট ৩০ তম জন্মদিনে পা রাখতে যাচ্ছেন।

তবে বিখ্যাত হওয়ার সাথে সবসময় নানা দন্দ, প্রতিবন্ধকতা চলে আসে। তার জিবনের এই কষ্টগুলো ফুটে ওঠে তার গানে। টেইলরের জিবনের সম্যাগুলো হয়েছে কখনোও ভালোবাসা কেন্দ্রিক, কখনও প্রান কেন্দ্রিক। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার শত্রুদের নিয়ে।কারণ টেইলর সুইফট ও (তার শত্রু ) কানয়িয়ে ওয়েসট, কিম কারকারডাশিয়ান, ডেমি লোভাটো এবং বেয়ন্সের মধ্যকার রেষারেষি খুব কম সময়ের নয়।

তার সমালোচকদের নেতিবাচক কথাগুলোর জবাব তিনি তার গানের মাধ্যমে দেন। এর প্রমান পাওয়া যায় সেক ইট অফ, ইউ নিড টু কাম ডাউনসহ বহু গানে। সুইফট বিশ্বাস করেন যে তার প্রত্যেকটি গানেই তার শত্ত্রুদের কথা উল্লেখ থাকে। তবে এবার যেন রাস্তার মোড় একটু অন্যদিকে ঘুরে যায়।

২০১৯ সালের আগষ্ট মাসে প্রকাশিত লাভার আ্যালবামের একটি গান ” সুন ইউ উইল গেট বেটার”। গানটি লিখেছেন তার মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য।

ইতেমধ্যে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ” আমার মা আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তগুলোতে আমার পাশে ছিলেন। এমন কিছুই ছিলনা যা ই মায়ের সাথে শেয়ার করিনি। তাই আমার মা ক্যান্সারে আক্রান্ত এয় বিষয়টি মেনে নেওয়া আমার জন্য কষ্টকর।” তিনি আরও বলেন, ” এই গানটি লিখতে আমার সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়েছে। এই পুরো এলবামে এই একটি গান যা আমি সবচেয়ে বেশি মন থেকে লিখেছি। এমনকি গানটি এ্যালবামে রাখার বিষয়টি কেবল একটি পারিবারিক সিদ্ধান্ত ছিল। আর আমি মনে করি এটা সবচেয়ে কঠিন যখন একটা গান কেউ সংবেদনশীলভাবে লিখে এবং এটি গাওয়াও কঠিন। কারণ গানের প্রতিটি কথাই সত্য।

“আমি তোমাকে বলিনি যে আমি ভয়ে ছিলাম।” অর্থাৎ গানটিতে তিনি সেই দিনটির কথা স্মরণ করেন যখন তার মা প্রথম বার হাসপাতালে যায়। ক্যান্সার নিরাময়যোগ্য রোগ নয়। কিন্তু সবকিছু যখন শেষের পর্যায়ে তখন একটা আশাই মানুষকে বাচিয়ে রাখতে পারে। আর এই আশা ধরেই টেইলর গেয়েছেন, ” এবার তোমাকে এই অসম্ভব কাজটা সম্ভব করতেই হবে। ”

পেন্সিলভেনিয়ায় জন্ম হওয়া এই গায়িকার স্কুলে পড়াকালিন সময়ে বন্ধুরা তাকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তখন থেকেই মায়ের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যায়। প্রথমে জার্নাল, তারপর কবিতা এবং সেখান থেকেই গান লেখালেখিতে পারদর্শী হয়ে ওঠে সুইফট। তার সবচেয়ে বেশি সাড়া পাওয়া গানগুলোর তালিকায় আছে লাভ স্টরি, ব্ল্যংক স্পেস, ইউ বিলং উইথ মি, লুক হোয়াট ইউ মেড মি ডু ইত্যাদি। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারদের মধ্যে তিনি একজন। একই সাথে খুব কম সময়ে সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করে বড় বড় ম্যাগাজিনে নিজের নাম লিখিয়েছেন ২৯ বছরের এই গায়িকা। তার ( এ বছর প্রকাশিত) নতুন এ্যালবামের নাম “লাভার।”

নিউজ ঢাকা

আরো পড়ুন,নরসিংদীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পলাতক

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

এফডিসি কারো নিজস্ব সম্পত্তি নয়: জায়েদ খান

আমি নিজেই জানি আমি নিষিদ্ধ হচ্ছি। এটা হাস্যকর। একজন নির্বাচিত প্রতিনিধিকে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা কারও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!