ঘূর্ণিঝড় মোরা ‘র কবলে উপকূলীয় অঞ্চল !উপকূলে ১০ নম্বর মহা বিপদ সংকেত

ঘূর্ণিঝড় মোরা প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে বাংলাদেশ এর উপকূলের দিকে,আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী হয়ে।

আবহাওয়া অফিস থেকে সন্ধ্যা ৬টায় নাগাদ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে দেখাতে বলা হয়েছে ৮ নম্বর মহা বিপদ সংকেত।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এসব উপকূলীয় জেলা এবং এগুলোর অদূরে অবস্থিত দ্বীপ ও চরগুলোকেও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় রাখা হয়েছে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আর উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং এগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর থাকবে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায়।

এর আগে ঘুর্ণিঝড় মোরা মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলগুলোকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছিলো আআবহাওয়া অধিদপ্তর এর পক্ষ থেকে।

ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে আইন শৃংখলা বাহিনী প্রধান, এনজিও কর্মকর্তা, আবহাওয়া কর্মকর্তা, বেতার, রাজনৈতিক তেৃবৃন্দ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সংসদ সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এসব সভায় জানানো হয়, ঘূর্নিঝড় মোকাবেলায় ২৯ মে সন্ধ্যার আগেই জেলার উপকূলবাসীকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। সাগরে মাছধরা অবস্থায় সমস্ত ট্রলার বা ফিশিংবোটকে কূলে ফিরে আসতে জরুরী নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রমজান মাসে রোজাদারদের কথা চিন্তা করে পর্যাপ্ত ইফতার ও সেহরী ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অপরদিকে সমস্ত ইউনিয়ন, উপজেলা ও উপকূলবর্তি এলাকায় মেডিকেল বোর্ড, সিপিবি, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, এনজিও সংস্থার সমস্ত সদস্যকে মাঠে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য জনাব আশেক উল্লাহ রফিক ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জনগণকে সচেতন করার উদ্যেশ্যে মসজিদে ইমামদের বলে দেয়ার আহবান জানান। এবং উপকূলবাসীকে রক্ষায় সকল সরকারি-বেসরকারি সংস্থাকে এগিয়ে আসার পরামর্শ দেন।

এছাড়া কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় “মোরা” মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। উপকূলীয় এলাকার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খাবার, ইফতার এবং সেহেরীর ও ব্যবস্থা করা হয়েছে। কক্সবাজারের সবাইকে সতর্ক থাকার এবং মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

রামগড়ে পিকআপ ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ

আদনান হাবিব, রামগড়: খাগড়াছড়ির জেলার রামগড়ে প্রাণ আরএফএল গ্রুপ এর পণ্য পরিবহনকারী পিকআপ ভ্যানের সাথে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!