হেনস্তার শিকা

জবিতে শিক্ষক কর্তৃক সাংবাদিক হেনস্তার শিকার

অপূর্ব চৌধুরী, জবি প্রতিনিধি : প্রক্টর অফিস থেকে অনুমতি নিয়ে আসার পরেও ২ শিক্ষার্থীকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের (ইউনিট-১) লিখিত ভর্তিপরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ও প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বাকি কর্তৃক হেনস্তার শিকার হয়েছেন ‘ দ্যা এশিয়ান এইজ ‘ এর জবি প্রতিনিধি মিনার আল হাসান। এসময় তার মোবাইল ও কেড়ে নেওয়া হয়।

জানা যায়, আজ শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের (ইউনিট-১) লিখিত ভর্তিপরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময়ের চেয়ে মাত্র ৩ মিনিট পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হন সাদমান ইসলাম ও নাইমুল ইসলাম নামের ২ জন ভর্তিপরীক্ষার্থী।

আসন বিন্যাস অনুযায়ী ২জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা কক্ষ ছিল আইন বিভাগের ৯১০ ও ৯১৫ নাম্বার রুম। কিন্তু তাদেরকে পরীক্ষা কক্ষে ঢুকার সু্যোগ দেয় নি আইন বিভাগের শিক্ষকগণ।

এসময় উক্ত ২জন পরীক্ষার্থী প্রক্টর অফিস থেকে লিখিত ভর্তিপরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনুমতি নিয়ে এসেছে জানালেও সেই কথায় কর্ণপাত করেনি আইন বিভাগের কোন শিক্ষক।

কিন্তু অন্যান্য অনেক পরীক্ষা কক্ষে লিখিত ভর্তিপরীক্ষা শুরু হবার নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৪০ মিনিট পরেও অনেক ভর্তিপরীক্ষার্থীকে প্রবেশ করার সুযোগ দেওয়া হয়।

এসময় প্রক্টর অফিস থেকে অনুমতি নিয়ে আসার পরেও পরীক্ষা কক্ষে ঢুকতে না পারা সেই ২জন ভর্তি পরীক্ষার্থীর সাথে কথা বলতে যান ‘দ্যা এশিয়ান এইজ’ এর জবি প্রতিনিধি মিনার আল হাসান।

তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ও প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বাকি তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং মানসিকভাবে হেনস্তা করেন।

একই সাথে ‘সাংবাদিকরা সবাই বেয়াদব’ বলেও মন্তব্য করেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বাকি। এরপর প্রক্টর অফিসে সার্বিক বিষয়ে কথা বলতে গেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর বিভাস কুমার সরকার ও সাংবাদিকদের সাথে রূঢ় আচরণ করেন।

এই বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, পুরান ঢাকার রাস্তায় সবসময়ই অত্যাধিক জ্যাম থাকে।সে জ্যামের কথা বিবেচনা করে নির্দিষ্ট সময়ের পরেও পরীক্ষার্থীদেরকে তাদের নির্ধারিত পরীক্ষা কক্ষে ঢুকতে দেওয়ার নির্দেশনা ছিল।কিন্তু কয়েকটি পরীক্ষা কক্ষে ঢুকতে দেওয়া হবে আর কয়েকটি পরীক্ষা কক্ষে ঢুকতে দেওয়া হবে না এরকম হওয়াটা দুঃখজনক।

এসময় তিনি আরও বলেন কোন সাংবাদিকের সাথে খারাপ আচরণ করার অধিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষকের নেই। উক্ত শিক্ষকের সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিবেন বলেও জানান তিনি।

নিউজ ঢাকা

আরো পড়ুন,যৌনলালসা মেটাতে বিপাকে যুবক, ডাকা হলো দমকল বাহিনী!

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ইবি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাছির উদ্দীনের নতুন বই

পল্লব আহমেদ সিয়াম, ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!