নসরুল হামিদ বিপু

নসরুল হামিদ বিপুর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে কেরানীগঞ্জ

বিশ্বায়নের এ যুগে সব কিছুই পরিবর্তীত হচ্ছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে একটু একটু করে পরিবর্তীত হচ্ছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। দেশনেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে নিজের সম্ভাবনার কথা জানান দিচ্ছে আমাদের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের চলমান উন্নয়নের ধারায় পিছিয়ে নেই কেরানীগঞ্জও।

গত ১০ বছরে কেরানীগঞ্জ পরিনত হয়েছে একটি আধুনিক শহরে। সময়ের বিবর্তনে শিল্পায়ন ও আবাসায়নের কারনে এখন বদলে গেছে কেরানীগঞ্জ। ১০ বছর আগের কেরানীগঞ্জ এবং এখনকার কেরানীগঞ্জের পার্থক্য রাত আর দিন। হলফ করে বলতে পারি ২০০৮ এর আগে কেউ প্রবাসে গিয়ে থাকলে এখন যদি ফিরে আসেন , তা হলে সে কেরানীগঞ্জকে চিনবেন ই না। আর কেরানীগঞ্জের এ পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি অবদান আলোর ফেড়িওয়ালা খ্যাত বিদ্যুৎ , জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব নসরুল হামিদ বিপু।

তিনি একদিকে যেমন সারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ এ পরিপূর্ন করেছেন অন্যদিকে কেরানীগঞ্জের উন্নয়ন করার জন্য দিন রাত কাজ করে গেছেন। এ জন্য তিনি শুধু আলোর ফেড়িওয়ালা ই নন তিনি কেরানীগঞ্জের উন্নয়নের ফেড়িওয়ালা ও বটে। আজকের এ উন্নত ও নতুন কেরানীগঞ্জ গড়ে ওঠার পিছনে নসরুল হামিদ বিপুর অবদান কেউ কখনো ভুলতে পারবে না।

বিশ্বায়নের এ যুগে পরিবর্তনের প্রতিযোগীতায় ১৬৭ বর্গ কিলোমিটারের কেরানীগঞ্জ দিন দিন দ্বিতীয় রাজধানী হিসেবে গড়ে উঠছে । নসরুল হামিদ বিপুর হাত ধরে সম্ভাবনা আর উন্নয়নের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে কেরানীগঞ্জ।

কেরানীগঞ্জের উন্নয়নে নসরুল হামিদ বিপু শিক্ষার উপর জোর দিয়েছেন বেশি। ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কেরানীগঞ্জের শিক্ষার অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে শিক্ষা খাতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ পরপর দুবার শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান পদক পেয়েছেন। শিক্ষার মান বাড়াতে ও পরিবেশ উন্নত করতে নসরুল হামিদ গেল ১০ বছরে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন স্কুল কলেজে প্রায় ৪০টি নতুন ভবন নির্মান করেছেন। শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন। মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন করেছেন। বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু করেছেন। এছাড়াও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি ও বিশেষ স্কুল ব্যবস্থা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দারিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার জন্য ট্রাষ্ট ফান্ড গঠন করতে কাজ করে যাচ্ছেন নসরুল হামিদ বিপু। এছাড়াও শিক্ষা ক্ষেত্রে আরো নানাবিধ কার্যকরী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন তিনি।

বিদ্যুৎ সমস্যা ছিলো আগে কেরানীগঞ্জের মানুষের প্রধানতম সমস্যা। এমন ও দিন ছিলো কেরানীগঞ্জে আগে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮-২০ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকতো না। কিন্তু নসরুল হামিদ বিপু কেরানীগঞ্জ থেকে এমপি নির্বাচিত হবার পর সবার আগে বিদ্যুৎ সমস্যার দিকে নজর দেন। তিনি অনুধাবন করতে পারেন কেরানীগঞ্জের দ্রুত উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ । তার অক্লান্ত চেষ্টা আর পরিশ্রমের ফসল হিসাবে কেরানীগঞ্জ বাসী আজ পেয়েছে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। শুধু কেরানীগঞ্জেই নয়, নসরুল হামিদ বিদ্যুৎ ছড়িয়েছেন সমগ্র বাংলাদেশেই। তিনি বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব নেয়ার পর বিদ্যুৎ এর উন্নয়ন হয়েছে অনেক। বিদ্যুৎ বিভাগে তিনি এমন অনেক সাফল্য দেখিয়েছেন যা আগে কেউ দেখাতে পারে নি। এজন্যই তিনি পেয়েছেন আলোর ফেড়িওয়ালা হিসাবে সুখ্যাতি।

বর্তমান কেরানীগঞ্জকে আরো আধুনিক ও বিশ্বমানের শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নসরুল হামিদ বিপু নিজ উদ্যোগে অবকাঠামো উন্নয়নে মাষ্টার প্লান তৈরি করেছেন। মাষ্টার প্লানটি বাস্তবায়ন হলে কেরানীগঞ্জের জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হবে। পদ্মা সেতু চালু হলে কেরানীগঞ্জে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বিপুল লোকের সমাগম হবে। সকল বিষয় মাথায় রেখে কিভাবে স্বাস্থ্যসম্মত ও সকল নাগরিক সুযোগ সুবিধা সমন্বয় করে একটি সুন্দর আবাসন ব্যবস্থা করা যায় তার পরিকল্পনা ও নীতিমালা প্রনয়নে কাজ করছেন নসরুল হামিদ। নসরুল হামিদের হাতের ছোয়ায় ক্রীড়া ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই কেরানীগঞ্জ। বিপু সাহেবের একক প্রচেষ্টায় কেরানীগঞ্জে নির্মিত হয়েছে অধ্যাপক হামিদুর রহমান স্টোডিয়াম। কেরানীগঞ্জের প্রায় ১২টি মাঠ অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা করে খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত করেছেন নসরুল হামিদ বিপু। এ ছাড়াও প্রতিটি স্কুল কলেজে খেলাধুলার সরঞ্জাম বিতরন করেছেন তিনি। মেয়েদের ক্রীড়াঙ্গনে আনার জন্য নিয়েছেন নানা ধরনের পরিকল্পনা। এছাড়াও কেরানীগঞ্জে আধুনিক ইনডোর স্টোডিয়াম সহ সুইমিং পুল, হকি ও ভলিবল স্টোডিয়াম নির্মানে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

শিক্ষা ও ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি কেরানীগঞ্জের স্বাস্থ্যখাতেও বিপুর অর্জন চোখে পরার মতো। তার প্রচেষ্টায় কেরানীগঞ্জের ২০টি কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রতিদিন প্রায় হাজার খানেক রোগী সেবা পাচ্ছে। তার প্রচেষ্টায় কেরানীগঞ্জের হাসপাতালগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়াও কেরানীগঞ্জে একটি আধুনিক শিশু হাসপাতাল ও আধুনিক ডায়াবেটিক হাসপাতাল নির্মানের ঘোষনা দিয়েছেন নসরুল হামিদ। গরীব ও অসহায়রা যেন বিনামূল্যে সেবা ও ঔষুধ পায় সেই লক্ষে ও কাজ করে যাচ্ছেন নসরুল হামিদ বিপু।

অবকাঠামোগত উন্নয়নে অনেক এগিয়ে গেছে কেরানীগঞ্জ। বিশেষ করে বিপু কেরানীগঞ্জে প্রতিটি ইউনিয়নে নতুন নতুর রাস্তা নির্মান করে জনগনের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করে দিয়েছেন। জনগনের চলাচলের জন্য আধুনিক ফুটপাত নির্মান করা হয়েছে। প্রতিটি রাস্তায় রাতের বেলা নির্বিঘেœ চলাচল করার জন্য সোলার ও এল ই ডি লাইট লাগানো হয়েছে। দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতুকে টোল মুক্ত করা হয়েছে জনগনের সুবিধার জন্য। এছাড়াও নারায়নগঞ্জ ও সাভারের হেমায়েতপুরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করার জন্য দুটি ব্রীজ নির্মানাধীন রয়েছে। এছাড়াও সমগ্র কেরানীগঞ্জ জুড়ে উন্নত ও আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছেন তিনি।

সর্বপরি কেরানীগঞ্জকে একটি উন্নত, আধুনিক, রুচিশীল ও সবার জন্য নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন নসরুল হামিদ বিপু।

নিউজ ঢাকা ২৪।

আরো পড়তে পারেন: মন্ত্রীর কঠোর নির্দেশে পরিষ্কার করা হলো বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী অংশ

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুদান পেলো কেরানীগঞ্জের ৬২২টি মসজিদ

করোনাভাইরাসের কারনে স্থবির হয়ে পরেছে পুরো । করোনা পরিস্থিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!