আদালতের দরজায়

সব দপ্তর ঘুড়েও পৈত্রিক সম্পত্তির দখল পাচ্ছে না গামছা বিক্রেতা জাফর মল্লিক

গ্রাম্য শালিস ইউনিয়ন পরিষদ ও আদালতের দরজায় দরজায় ঘুরেও পৈত্রিক জমির দখল পাচ্ছেনা রাজবাড়ী জেলাধীন বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বাড়াদী গ্রামের হতদরিদ্র গামছা বিক্রেতা মোঃ জাফর মল্লিক।

জমির দখলদার তারই চাচাতো ৬ ভাই ও ভাতিজারা পেসি শক্তির বলে বছরের পর বছর এক একর চব্বিশ শতাংশ জমির অংশ ৪১ শতাংশ জমির দখল দিচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগি জাফর মল্লিক। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরোজমিন গিয়ে দেখা যায় মাত্র তিন চার শতাংশ জমির উপর পুরানো জরাজির্ন একটি টিনের ঘরে বসবাস করে জাফর মল্লিক, এ ঘরটি মেরামত করতেও বাধা দেয় ঐ প্রভাবশালীরা।

জাফর মল্লিকের পিতা মছেক মল্লিক ও তার দুই চাচা আইনদ্দিন মল্লিক্, আক্কাস মল্লিক ১৯৫০ সালের অক্টোবর মাসের ৫ তারিখে ২৩৭ নং দাগে ৪৫ শতাংশ, ২৩৬ নং দাগে ৩৮ শতাংশ, ১১৭ নং দাগে ৪০ শাতাংশ, ও ৪০২ নং দাগে ১০ শতাংশ জমি কবলা মূলে ক্রয় করেন। যা বর্তমানে একক ভাবে আইনদ্দিন মল্লিকের ছেলেরা ভোগ দখল করছেন। আর মছেক মল্লিক ও আক্কাসউদ্দিন মল্লিকের ওয়ারিসগন বাটোয়ারা মামলা করে বছরের পর বছর বিভিন্ন দরজায় দরজায় ঘুরে ফিরছেন। জাফর মল্লিক জানান, তারা এতই ক্ষমতাধর কথায় কথায় তেরে মারতে আসে। এমনকি গত বৃহস্পতিবার প্রভাব খালিয়ে আমার লাগানো মেহগনি গাছ কেটে নিতে আসে পরে স্থানীয় এবং থানা পুলিশ সদস্যরা এসে তা বন্ধ করে। মৃত আক্কাসউদ্দিন মল্লিকের ছেলে বহরপুর বাজারের হমিও চিকিৎসক নাসিরউদ্দিন মল্লিক (৭১) বলেন, আমার পৈত্রিক ৪১ শতাংশ জমির বৈধ কাগজ থাকলেও শুধুমাত্র পেষি শক্তির বলে আমাদের চাচাতো ভাইয়েরা এ জমি থেকে আমাকে বেদখল দিয়ে রেখেছে।

গ্রামের মানুষ বারবার বসে জমি মেপে খুটি গেরে দিলেও দু-একদিনের বেশী সিমানার খুটি থাকেনা বেপোরোয়া ভাইয়েরা যখন তখন অপমান অপদস্ত করে। স্থানীয় গ্রাম্য মাতুব্বর রইছউদ্দিন এ কথার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমরা একাধিকবার এ জমাজমি নিয়ে বসেছি আইনদ্দিন মল্লিকের ছেলেরা কাগজপত্রও দেখাননা গ্রাম্য বিচারও মানেননা। স্থানীয় যুবক রেজাউল ইসলাম (২৬) বলেন আমরা ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি এদের ভাইতে ভাইতে জমাজমি নিয়ে মারামারি মামলা মকোর্দ্দোমা চলছে। স্থানীয় কোন শালিস ব্যাবস্থাই এরা মানেনা যে কারনে বছরের পর বছর জাফর মল্লিকরা তাদের বৈধ জমাজমি থেকে বঞ্চিত আছে।

কথা হয় আইনদ্দিন মল্লিকের ছেলে বহরপুর বাজারের কাপর ব্যাবসায়ী আমানুল হকের সাথে তিনি বলেন, আমার চাচাতো ভাই জাফর মল্লিক একজন মামলাবাজ ও জাল দলিল চক্রের সদস্য।সে সুকৌশলে জাল দলিল তৈরি করে আমাদের নামে মামলা করে হয়রানি করছে। আমাদের জমির বি এস রেকর্ড, মিউটিশন ও হাল সনের খাজনা দেওয়া আছে।

শেখ রনজু আহাম্মেদ রাজবাড়ী প্রতিনিধি।

নিউজ ঢাকা

আরো পড়ুন,ইটাব এর নৌ-ভ্রমণ প্রীতি সম্মেলন ২০২০ অনুষ্ঠিত

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ঝিকরগাছায় বাল্য বিবাহ বন্ধ  করলো উপজেলা প্রশাসন

আক্তার মাহমুদ, ঝিকরগাছা : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!