ভালবাসার কথা

জুনিয়র প্রেমিক- সাদিয়া খন্দকার

শেষ পর্যন্ত একটা জুনিয়র ছেলের সাথে কিনা প্রেম করবো আমি! ও মাই গড। আচ্ছা তুমি ভাবো টা কি নিজেকে? তুমি কোনো হিরো? নাকি সেলিব্রেটি? নিজেকে কখনো দেখছো আয়নায়? আর কখনো যদি দেখেছি আমাকে ভালবাসার কথা বলতে। তো সেটার পরিনতি তোমাকে ভোগ করতে হবে।

.
.

মেয়েটার সাথে তার ফ্রেন্ডরাও একেবারে রেগে আছে। কেউই কিছু বলতে ছাড় দিচ্ছে না তাকে। কেউ বা জুম্মানের টিশার্টে’র কর্লার চেপে ধরছে। কিন্তু মেয়েটা কিছু বলছে না। ইমরান সহ্য করতে পারছে না তা। কিন্তু জুম্মান তার হাত চেপে সহ্য করে নিতে বললো। দোষ তো তারই। একটা সিনিয়র মেয়ের প্রতি ভালবাসার আবেগ টা কাজ করা তার ভুল। অনেক গুলো কথা শুনিয়ে অবশেষে মেয়েটা এবং তার ফ্রেন্ড গুলো চলে গেলে।
.

জুম্মান এত সময় ইমরানের হাতটা চেপে ধরে রেখেছিল। কোনো ঝামেলা সে চায়না। সে তো ঝামেলা করতে আসেনি। সে জাস্ট মনের কথা টা বলতে এসেছিল মেয়েটাকে। ইমরান সহ্য করতে না পেরে চেপে থাকা হাতটা ঝেড়ে বলল।
.
.

“এই তোর জন্য বুঝলি? জাস্ট তোর জন্য সহ্য করতে হলো। মেয়েটা ভাবে কি তার নিজেকে? আমি আগেই বলেছি এই মেয়েটাতে কোনো সমস্যা আছে। আর তুই কিনা এই মেয়েটারই প্রেমে পড়লি?
,

জুম্মান তার চোখ দুটো মুছতে মুছতে বলল,

“তুই ওকে বকছিস কেনো? ঠিকই তো আমি তো ওর জুনিয়র। ওকে ভালবাসাটা আমার ভীষন অপরাধের।
,

,

ইমরান-“এখন তুই আবার কাঁদছিস কেনো? তুই জানিস না আমাদের কপালে এসব সয়। তবুও ভালবাসতে গেলি তাও কিনা ওই মেয়েকে। আবার কাদতেছিস ও? চল বাদ দে। আজই ওকে ফেসবুকে ব্লক করবি। আর সামনে দেখা হলে এড়িয়ে চলবি,,কই চল…..

,
জোর করে জুম্মানকে টেনে নিয়ে চলল তার প্রান প্রিয় বন্ধু ইমরান। আর যে মেয়েটির কথা বলা হচ্ছিলো সে হচ্ছে, সাদিয়া। কখন কিভাবে কেমন করে যে মেয়েটিকে ভালো লেগে গেলো তা কিছুতেই বুঝতে পারেনি জুম্মান। কিন্তু মেয়েটিকে দেখলে তার মনে ঝড় হাওয়া বয়ে যেতো। জুম্মান জানত না মেয়েটি তার থেকে সিনিয়র। মেয়েটিকে অনেকবার দেখেছে সে কিন্তু মেয়েটির সম্পর্কে জানতো না। ফেসবুকে People you may know থেকে মেয়েটির আইডি দেখার পর।তারপর সে একজন ভালো মানের লেখিকা। এড পাঠিয়ে ফ্রেন্ডলি অনেক কথা হয়। সাদিয়া প্রথমে জানত না।জুম্মান তার জুনিয়র। আর জুম্মান যখন জানতে পারে সাদিয়া অনার্স ২য় বর্ষে পড়ে তখন সে মিথ্যে বলে যে সে ৩য় বর্ষে পড়ে। কিন্তু ক্যাম্পাসে জুনিয়র দের সাথে দেখার পর জুম্মানে’র সম্পর্কে জেনে নেয় সাদিয়া। যার ফলে যা চ্যাটিং করতো তার স্ক্রীন শুট রেখে দিত। আর মনে মনে রাগ হতো। কারন সে জেনে গেছে ছেলেটা একে তো তাকে মিথ্যে বলেছে। আবার জুনিয়র ছেলেটা কিনা তাকে আবেগী কথা লিখে! যা তার ইগো তে লাগে। এরপর একদিন সময় করে দেখা করতে বলে। জুম্মান ও ভেবেছিল আজ মনের কথা বলেই দিবে। অপেক্ষা টা ছিলো শুধুই বলার। আর যখন বলে দিলো। তখনই অাশে পাশে থেকে সাদিয়া’র যে ফ্রেন্ডরা ছিলো তারা তালি বাজালো। আর সামনে আসতেই সাদিয়া হেসে উঠলো। আর বাকিটা তো উল্লেখিত রয়েছেই।
,
,
সাদিয়া কে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকলো জুম্মান। অর্থাৎ বলা যায় মনে করতে চায়না সে। ইমরান আর সে দিব্যি ভালো অাছে দুই বন্ধু।
,
কিন্তু একদিন। দুই বন্ধু মিলে ক্লাস করছিল। এর মাঝে সিনিয়র ভাইয়েরা এসে বলল, “এমন কেউ কি আছো? যার রক্ত বি পজেটিভ এবং এক ব্যাগ দিতে পারবে?”। এমনিতে ভার্সিটিতে স্টুডেন্ট আসেনা। তার মাঝে কারো কারো থাকলেও রক্ত দেয়ার ভয়ে বলেও না। জুম্মান উঠে দাড়ালো। সিনিয়র ভাই টা জিজ্ঞাস করলো, “তুমি কি এর আগে কখনো রক্ত দিয়েছো জুম্মান?”। “হ্যা, অনেকবার”। “এর পূর্বে দিয়েছো কত মাস হয়েছে?”। “প্রায় সাড়ে চার মাস তো হবেই”। “ঠিক আছে তুমি আসো তাহলে”।

….

সিনিয়র ভাইটা জিজ্ঞাস করলো, “তুমি কি এর আগে কখনো রক্ত দিয়েছো জুম্মান?”। “হ্যা, অনেকবার”। “এর পূর্বে দিয়েছো কত মাস হয়েছে?”। “প্রায় সাড়ে চার মাস তো হবেই”। “ঠিক আছে তুমি আসো তাহলে”।
….
.
.
ইমরান ও এলো জুম্মানের সাথে। ওরা তখনও জানেনা কাকে ব্লাড ডোনেট করতে যাচ্ছে। যখন হাসপাতালে পৌছালো সাদিয়া’র কিছু ফ্রেন্ডদের কে দেখে মনটা খারাপ হয়ে গেলো। কিন্তু তখনো জানা হয়নি কাকে ব্লাড দিতে হবে। বেডে শুয়ে যখন ব্লাড দিচ্ছিল জুম্মান, তখন ইমরান জানতে চাইলো সেই সিনিয়র ভাইটির কাছে।
,
~আচ্ছা ভাইয়া। ব্লাড টা কার লাগবে?
~আমাদেরই জুনিয়র ব্যাচের এক মেয়ের।
~ওহ! কি নাম উনার?
~সাদিয়া খন্দকার অপ্সরী(সাদিয়া)
,

নামটা শোনা মাত্রই ইমরান তার বন্ধু জুম্মানের দিকে তাকায়। জুম্মান ও তার দিকে তাকিয়ে আছে। ইমরান দেয়ালে একটা আঘাত করে। সিনিয়র ভাইটি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, “কি হয়েছে ভাইয়া? কোনো প্রবলেম?”। ইমরান কথা ঘুরিয়ে ফেলে, “না মানে আমার মনে হচ্ছিল, আমার হাতটা অবশ হয়ে যাচ্ছে”। “হাহা কি যে বলো ভাই। ব্লাড দিচ্ছে তোমার বন্ধু। আর অবশ হচ্ছে তোমার হাত”। কথাটা হেসে উড়িয়ে দিলো সিনিয়র ভাইটা। ব্লাড নেয়ার পর কিছু সময় শুয়েছিল জুম্মান। সিনিয়র ভাইটি যাওয়ার পর ইমরান বলল, “যদি জানতাম ওই মেয়েটার রক্ত লাগবে তাহলে তোকে বারন করতাম”।

জুম্মান হাতটা ধরে বলল, “তাতে কি বন্ধু। অামি তাকে আমার ব্লাড দিয়েছি যে কিনা অসুস্থ। সে যদি তাতে সুস্থ হয় এইটাই ত অনেক। এটা তো আমার কর্তব্য কারো অসহায় সময়ে পাশে দাড়ানো”। কারো সাথে দেখা না করেই দুজন হসপিটাল থেকে বেড়িয়ে যায়।
.
ঘটনার প্রায় কিছুদিন পর স্যার তখনও ক্লাসে আসেনি। জুম্মান আর ইমরান ক্লাসে বসে Games খেলছিল। হটাৎ করে সাদিয়া’র আগমন। জুম্মানে’র সামনে এসে দাড়িয়ে মোবাইল টা কেড়ে নেয় সাদিয়া। জুম্মান আর ইমরান ঘটনাক্রমে অবাক হয়ে যায়।

~জুম্মান, তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে বাইরে আসো তো।(সাদিয়া)
~আমার সাথে কি কথা!(জুম্মান)

… ফোনটা দিন।
~বলেছিনা কথা আছে। তুমি তোমার সিনিয়রের সাথে মিস বিহেব করছো?(সাদিয়া)
.
পাশ থেকে ইমরান বলল, “ছাড়ুন না আপু। আপনি এমন করছেন কেনো? ও তো আপনার সাথে কোনো মিস বিহেব করেনি আর করছেওনা”।
,
সাদিয়া রাগী লুক নিয়ে তাকিয়ে বলে, “এই ছেলে তোমাকে কিছু বলতে বলেছি বেয়াদব ? তোমার সাথে কথা বলছি আমি? যাকে বলেছি সে কিছু বলুক”। এরপর জুম্মানে’র দিকে তাকিয়ে বলল, “কি হলো? বাইরে আসতে বলছি কানে শোনো নি?”। ক্লাসে সবাই জুম্মানে’র দিকে তাকিয়ে আছে। যা মোটেও ভাল লাগছিল না। তাই ক্লাস থেকে বেড়িয়ে আসে বাইরে জুম্মান।
,
~কি বলবেন আপু? বলুন?(জুম্মান)
~আমি তোমার কোন জন্মের আপু হই? কথা বার্তা সাবধানে বলবা।(সাদিয়া)

~ঠিক আছে। কি বলবেন বলুন।(জুম্মান)

~কত টাকা হয়েছে?(সাদিয়া)

~জ্বী?(জুম্মান)

~বলেছি আমাকে ব্লাড দেয়ার বদলে কত টাকা নিবে?(সাদিয়া)

~আমি টাকার বদলে রক্তদান করিনা। করলে সেই অসহায় মুহুর্তে যখন ভীষন ভাবে আপনার রক্তের খুব দরকার ছিলো। তখন তার মূল্য চেয়ে নিতাম। আমার ফোনটা দিন।(জুম্মান)

~ওহ আচ্ছা। তাহলে এর বদলে কি নিবে তুমি?(সাদিয়া)

~আমার ফোনটা।(জুম্মান)

~যদি না দেই?(সাদিয়া)

~আপনি আমার সাথে এমন কেনো করছেন? আমি কি অপরাধ করেছি বলুন।(জুম্মান)

~আমাকে ভালবাসতে কে বলেছিল?(সাদিয়া)

~সেজন্য তো আমাকে অপমান করেছিলেন সবার সামনে । ওই সাবজেক্ট টা তো ক্লোজড।(জুম্মান)

~নো। সেটা শেষ হত যদি তুমি আমাকে ব্লাড না দিতে।(সাদিয়া)

~সত্যি আমি জানতাম না ব্লাড টা আপনার লাগবে।(জুম্মান)

~যাও ক্লাসে যাও। ক্লাস শেষে দেখা করে ফোন নিয়ে যাবা।(সাদিয়া)
,
,
ফোনটা চোখের সামনে একবার দেখিয়ে। সেটা সঙ্গে করে নিয়ে চলে গেল সাদিয়া। ইমরান অাড়াল থেকে সব শুনছিল। সাদিয়া চলে যেতেই সামনে এসে বলল, “দেখছিস কত ঢং দেখাচ্ছে মেয়েটা। আবার ফোনটাও নিয়ে গেলো। শোন জুম্মান এবার চুপ করে থাকলে হবেনা। এর যথাযথ শাস্তি হওয়া দরকার। সিনিয়র বলে কি সব ক্ষমতা পেয়ে গেছে নাকি”।

জুম্মান-“দোস্ত ফোনটা যদি না দেয় তাহলে আমাকে বাসায় খুব বকবে। কারন আম্মু বার বার ফোন করে আমি বাসায় কখন ফিরবো জানতে।
.

অতঃপরঃ
ক্লাস শেষ করে ইমরান আর জুম্মান দুই বন্ধু সাদিয়া’র খোজ করে। অবশেষে দেখে ক্যান্টিনে বসে আছে।
.
~আপু আমার ফোনটা?(জুম্মান)

~কে আপু? কার ফোন?(সাদিয়া)

~আপনি তখন যে নিলেন আমার ফোনটা। প্লিজ দিয়ে দিন। আমার বাসা থেকে ফোন দিবে আমার আম্মু।(জুম্মান)

~অলরেডি দিয়েছে।(সাদিয়া)

~আমার বাসা থেকে!!! আপনি রিসিভ করেছেন?(জুম্মান)

~হুম। আন্টির সাথে কথা বললাম।(সাদিয়া)

~তাহলে এখন দিয়ে দিন।(জুম্মান)

~কেনো? আমি রেখে দিলে সমস্যা কি?(সাদিয়া)

…….

চলবে……

~হুম। আন্টির সাথে কথা বললাম।(সাদিয়া)

~তাহলে এখন দিয়ে দিন।(জুম্মান)

~কেনো? আমি রেখে দিলে সমস্যা কি?(সাদিয়া)

দিন নাহ, আপু। এমন করছেন কেনো,আমার অপরাধ টা কই।(জুম্মান)

~উহু দিবোনা। কি করবা তুমি?(সাদিয়া)
,
ইমরান-, “দেখুন আপু এটা ঠিক না,অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে। ওর ফোন নিয়ে আপনি পাগলামো করছেন কেনো? ক্যাম্পাসে আপনি শুধু সিনিয়র নন। আর আমরা জুনিয়ররা এক সাথে হলে তখন আপনি ভাবতেও পারবেন না কি হবে”।
,
সাদিয়া-, “তুমি অলওয়েজ বেশি কথা বলো বেয়াদব । আমার মোটেও এসব পছন্দ না। তবে হ্যা বলতে পারো যদি আমার দেবর হও তো।
,
ইমরান-, “মানে? ঠিক বুঝলাম না আপু। এসব কি বলছেন?
,
সাদিয়া-, “তুমি না বুঝলেও হবে। যার বোঝার সে বুঝতে ঠিকিই পেরেছে”।
,
জুম্মান-, “আপু দিয়ে দিন। এমন করবেন না। আপনি আমার বড় বোনের মত।
,
সাদিয়া রেগে যায় আবার পূর্বের মত, “শুনো নিজের বোনের সাথে আমাকে জোড়া দেবে না। তোমাকে আগেও বলেছি এখনো বলছি। আর আমাকে বার বার রাগীও না। এই , সানজি, আবির, ইব্রাহীম , ফারিহা, অভ্র,তানজিদা এই দিকে আয় তো।
,
সাদিয়া’র ফ্রেন্ডরা সকলে সামনে এলো। “তোরা সবাই ওর সাথে খুব খারাপ বিহেব করেছিস। সরি বল ওকে। কি হলো? বল?”। সকলে একসাথে সরি বলল।
,
সাদিয়া-, “ডোন্ট মাইন্ড ইমরান। তুমি একটু আমার ফ্রেন্ডদের সাথে আড্ডা দাও, জুম্মান তুমি আসো তো আমার সাথে”।

জুম্মান-, “আজিব তো আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন। এই যে আপু?
,
ক্যাম্পাসের নির্জন দিক টায় নিয়ে গেলো সাদিয়া জুম্মান কে, যেখানে শুধু গাড়ি গুলো পার্ক করা রয়েছে। ওইখানে তেমন একটা মানুষ নেই। আর এখন বেশি গাড়িও নেই।
,

“তোমার ফোনটা চাই তো?(সাদিয়া)

“হ্যা।(জুম্মান)

“পেতে পারো,তবে শর্ত আছে।(সাদিয়া)

“কি শর্ত বলুন(জুম্মান)

” শর্ত হলো আমাকে প্রোপোজ করতে হবে।(সাদিয়া)

“আমি এটা পারবো না। আপনি আমার সিনিয়র আপু।(জুম্মান)

“কোনো আপু না তোর। আমি তোর বউ হই প্রোপোজ করবি কিনা বল? নাকি কোনো ঝামেলা চাস?(সাদিয়া)

“নাহ না, আপনি যা বলবেন করবো। কাউকে ডাকবেন না প্লিজ।(জুম্মান)

“প্রোপোজ করতে বলছি।(সাদিয়া)

“আপনি তো আমার সিনিয়র। তাই আগে থেকে বলি। আমি প্রোপোজ করতে পারি তবে আপনি সিরিয়াসলি নিবেন না। কারন আমাদের রিলেশান টা কেউ সিরিয়াসলি নিবে না।(জুম্মান)

“এখন এত বুঝো। তাহলে মিথ্যে বলছিলা কেনো? আর কে সিরিয়াসলি নিলোনা, ব্যাপার না। আমি আর তুমি সিরিয়াস থাকলেই হয়।(সাদিয়া)

“হুম।(জুম্মান)

“কি হুম? প্রোপোজ করতে বলছি।(সাদিয়া)

“আমি প্রোপোজ করতে পারিনা।(জুম্মান)

“ধ্যাত কি গাধা একটা। সেদিনও প্রোপোজ করো নি জাস্ট বোকার মত বলে গেছো। যাই হোক শিখিয়ে নিবো। আপাতত বলো।(সাদিয়া)

“ওকে, উইল ইউ বি মাই ভ্যালেনটাইন?(জুম্মান)

“কোনো রকম, ইয়েস। এই নাও তোমার ফোন। আমার নাম্বার সেভ করে দিয়েছি। বাসায় গিয়ে রোমান্টিক মুভি, বা নাটক দেখে প্রোপোজ কিভাবে করে শিখবে নয়ত কাল তোমার খবর আছে। যাও”।(সাদিয়া)

.
ফোনটা হাতে পেয়ে ছুটে চলে আসে জুম্মান।আর সাদিয়া বিরক্তি নিয়ে তাকিয়ে আছে, “ধ্যাত বোকাটা যাওয়ার সময় বাই বলেও গেলো না, এই ছেলেটাকে নিয়ে যে সে কি করবে! উফফফ।

নিউজ ঢাকা

আরো পড়ুন,ঐতিহ্য হারাচ্ছে পুরান ঢাকার আলুবাজার

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

দক্ষিন কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের মাস্ক বিতরন

মোঃ এরশাদ হোসেন : দক্ষিন কেরানীগঞ্জ শুভাঢ্যা ইউনিয়নের হাসনাবাদ মোকামপাড়া ঢাকা জুট মিলস বালুর মাঠ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!