নাটোরের গ্রীনভ্যালীতে দর্শনার্থীদের ভিড়

সজিবুল ইসলাম হৃদয়, নাটোর প্রতিনিধি ঃ দেশের বিপুল সংখ্যক বিনোদনপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের বিনোদনের নতুন মাত্রা তৈরি করেছে নাটোরের লালপুর উপজেলার গ্রীনভ্যালী পার্ক লিঃ।

লালপুর উপজেলা শহর থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরে প্রায় ১২৩ বিঘা জমির উপর বিস্তৃত নয়নাভিরাম লেক, অত্যন্ত মনোরম পরিবেশ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত সুস্থ্য বিনোদনের লালপুরের একমাত্র পার্ক টি বিপুল সংখ্যক বিনোদনপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের মনের খোরাক মিটিয়ে চলেছে।

পার্কটি ঘুরে দেখা যায় শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই বিনোদনের জন্য ভীর জমাচ্ছে পার্কটিতে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান পিকনিকে এসেছেন পার্কটি।

পার্কের মার্কটিং ম্যানেজার শুভ জানান, প্রায় ১২৩ বিঘা জমির উপর বিস্তৃত নয়নাভিরাম লেক, অত্যন্ত মনোরম পরিবেশ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত সুস্থ্য বিনোদনের ব্যবস্থা সহ পার্কটিতে পাওয়া যাবে পিকনিক স্পট, শ্যুটিং স্পট, এ্যাডভেঞ্চার রাইডস, কনসার্ট এন্ড প্লে-গ্রাউন্ড, সভা-সেমিনার এর জায়গা, নিজস্ব বিদ্যুৎ সুবিধা, নামাজের সু-ব্যবস্থা, সিকিউরিটি সার্ভিসের ব্যবস্থা, ডেকোরেটর সুবিধা, গাড়ি রাখার ব্যবস্থা। এবং খুব শিঘ্রীই ক্যাফেটেরিয়া, শপ কর্ণার, আবাসিক ব্যবস্থাসহ নানা ধরনের সুবিধা চালু হবে।

এছাড়াও বিনোদনের জন্য রয়েছে ৮ টি রাইড (স্পীডবোট, প্যাডেল বোট, বুলেট ট্রেন, মিনি ট্রেন, নাগরদোলা, পাইরেট শীপ, ম্যারিগোরাউন্ড, হানি সুইং)। প্রতিটি রাইডের আনন্দ উপভোগ করতে গুনতে হবে ৫০টাকা ও মিনি ট্রেনে ৩০ টাকা। এছাড়া গ্রীনভ্যালী পার্কে প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি ৫০/- টাকা।

পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুরীয়া পারভীন জানান, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে পার্কটি প্রতিষ্ঠা হলেও মূলত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পর্যটনের জগতে লালপুরকে প্রতিষ্ঠা করার প্রয়াসই গ্রীনভ্যালী পার্ক লিমিটেড। সারা দেশের বিভিন্ন স্থানের স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ৩৮জন পরিচালকের সম্মিলিত উদ্যোগ এই পার্ক। তিনি মনে করেন বিনোদন প্রিয় দর্শনার্থীদের পার্কটি নিরাশ করছে না, যার কারণে দিনে দিনে পার্কের দর্শনার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান।

রাজশাহী থেকে ঘুরতে অাশা সাদিয়া অাফরিন নামে এক নারী পর্যটক বলেন, বন্ধুর কাছে শুনে বিনোদনের অাশায় পরিবার সহ ঘুরতে অাশা। এখানে সব কিছু ভালো লেগেছে বিশেষ করে কিত্রম ঝরনা, ব্রিজ, স্পিড বোড টি। পার্কটির কাজ পুরোপুরি শেষ হলে সময় সুযোগ বুঝে অাবারো অাসবেন বলে জানান।

এছাড়া মিরাজ নামে এক স্থানীয় পর্যটক জানান, পার্কের পরিচিত দিনে দিনে বাড়ছে যার কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গা হতে বিনোদন প্রেমীরা এখানে ভীর জমাচ্ছে, যার কারণে লালপুর কে দেশ চিনছে নতুন ভাবে। এছাড়া প্রত্তান্ত অঞ্চলে এমন মনোমূগ্ধকর একটি পার্ক নির্মাণেে পার্কটির পরিচালকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

Check Also

ঝিকরগাছায় বাল্য বিবাহ বন্ধ  করলো উপজেলা প্রশাসন

আক্তার মাহমুদ, ঝিকরগাছা : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!