Breaking News
Home / সমস্যা ও সমাধান / ৫০ লাখ টাকার প্রতারনার অভিযোগ

৫০ লাখ টাকার প্রতারনার অভিযোগ

ব্যবসার কথা বলে ছলে-বলে-কৌশলে চার ব্যক্তিকে বোকা বানিয়ে ৪০লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বদরুলের নামে । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রীতিমতো বিষয়টি ভাইরাল হয়ে গেছে।

একাধিক ব্যক্তি কমেন্টস লাইক, শেয়ার দিতেও ভুল করেননি। সাইফ আলী নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে সবাইকে সাবধান করে ।

পাঠকদের উদ্দেশ্যে স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো, প্রতারক থেকে সাবধান! এস এম বদরুল আলম সাংবাদিক ছদ্দবেশে আপাদমস্তক একজন প্রতারক। সে যদি কখনো আপনার সাথে সেলফিও তুলে থাকে তবে জেনে রাখুন যে, আপনাকেও সে বিক্রি করে দিয়েছে।আমার সাথেও যে তার সেলফি নেই সে কথা কিন্তু আমি বলছি না!তার থেকে কেন সতর্ক থাকতে বলছি; তা জানবেন পরবর্তী পোস্ট থেকে। কিছুক্ষণ পর নাজমুল হাসান রাজ নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন, চারজন সাংবাদিকের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা নিয়ে বদরুল উধাও। বদরুলের কেউ খোজ পেলে আমার সাথে ইনবক্সে যোগাযোগ করবেন…..!! সাইফ আল তার ফেসবুকে দ্বিতীয় পুষ্টিতে যা উল্লেখ করেন ,আমার পত্রিকাটি খুব বড়মাপের নয়। সেই তুলনায় স্যালারিও খুব বেশি নয়। এস এম বদরুলের সাথে অনেক বছরের পরিচয়। তার চলাফেরার স্টাইল একটু অন্যরকম। সে আমার সাথে বিভিন্নসময় আলাপ করেছে, তার এক্সপোর্ট ইম্পোর্টের ব্যবসা আছে। সে অর্থনৈতিকভাবে যথেষ্ট সচ্ছল। সে আমাকে বললো, টাকা থাকলে বিনিয়োগ করতে পারেন। আপনার সচ্ছলতা ফিরে আসবে। আমি তার সাথে কথা বলে তার ব্যবসার বিস্তারিত জানলাম। কিছুটা বুঝারও চেষ্টা করলাম। অবশেষে ভাবলাম যে, আমার কাছে কিছু টাকা আছে। বদরুলকে যদি টাকাটা দেই তাহলে সংসারে কিছুটা সচ্ছলতা ফিরে আসতে পারে। আমার দুই ছেলে। একেকসময় একেকটা জিনিসের বায়না ধরে। দিতে পারি না। বদরুলের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম। ভাবলাম, এবার বোধহয় আল্লাহ মুখতুলে চাইলো। একটা ভালো প্রস্তাব। ব্যবসা তো হালাল জিনিস। এতে কোনো পাপ নাই। শুধু সাংবাদিকতা করে তো জীবন চলে না। সারাজীবনে কিছু টাকা সঞ্চিত ছিল। কাছের আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিলাম। সবসহ বদরুলের হাতে তুলে দিলাম ১৫ লাখ টাকা। এককথায় জীবনের সর্বস্ব তার হাতে তুলে দিলাম। নতুন করে বাঁচার আসায়। বদরুল ব্যবসায় লাভ হয়েছে বলে তিন মাস পর্যন্ত কিছু কিছু টাকা হাতে তুলে দিলো। খুশি হলাম। ভাবলাম যে, বদরুলকে আল্লাহ আমার জীবনে একজন ফেরেস্তা হিসেবে পাঠিয়েছেন।

কিছুটা হলেও নিশ্চিন্ত হতে লাগলাম। আমার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহকর্মী আছে। বিষয়টি তারা জানতো। আমার দেখাদেখি একে একে আরো তিনজন প্রথিথযশা সাংবাদিক তাদের জীবনের শেষ সম্বলটুকু আমার মতো করেই বদরুলের হাতে তুলে দিলো। তাদেরকেও বদরুল দুই মাস কিছু টাকা দিলো লাভের অংশ। এরপর বদরুল আরো টাকা চাইলো। ব্যবসা অনেক বড় করবে। কিন্তু আমাদের এই চারজনের কারো কাছেই আর টাকা দেয়ার মতো সামর্থ ছিল না বিধায় আমরা আর দিতে পারিনি। এবার শুরু হলো ভিন্নরকম কথাবার্তা। টাকা দেয়া বন্ধ করে দিলো বদরুল। একপর্যায়ে আমরা তার কাছে টাকা ফেরৎ চাইলাম। আস্তে করে সে গা ঢাকা দিলো। ফোন বন্ধ করে দিলো। আমরা চারজন পাগলের মতো তাকে খঁজে বেড়ালাম। তার একটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুঁজে পেলাম। সেখানে গেলে তার জাহিদ নামের একজন কর্মচারি জানালো যে, আপনাদেরকে বদরুল চেক দিয়েছে, আপনারা তার নামে মামলা করে দেন, সে টাকা দিতে পারবে না। এই কথা সে আমাকে আপনাদেরকে বলতে বলেছে। আকাশটা যেন মাথার ওপরে ভেঙে পড়লো। দৌঁড়ালাম বাঁচার জন্য কিন্তু দৌঁড় শেষে দেখলম মৃত্যুর দুৃয়ারে এসে পৌঁছেছি।

অবশেষে বুঝে নিলম যে বদরুল একটা প্রতারক এবং আমরা একজন কৌসুলী প্রতারকের পাল্লায় পড়েছি। উপায় না পেয়ে গতকাল বদরুলে ছবিসহ একটা পোস্ট দিলাম আমার ফেসবুকে। হঠাৎ দেখলম বদরুল কমেন্ট করা শুরু করেছে। তার ওয়ালে আমার ছবি দিয়ে পোস্ট দিয়েছে। আমি তার কাছে চাঁদা চেয়েছি। অথচ তার দেয়া চেক আমার কাছে আছে। শেষপর্যন্ত আইনের দরজা খটখটাতে হবে। কিন্তু চাঁদাবাজি করলে বদরুলকে ব্যবসার জন্য টাকা দিয়ে হালাল রোজগার খুঁজে বেড়াতাম? যাইহোক, বললে আর কি করার থাকে! আমার সাথে আরো যেসব সাংবাদিক বদরুলকে টাকা দিয়েছে। তদের নাম বললে আপনারা সবাই চিনবেন এবং তারা যে কতটা সৎ ও প্রথিথযশা সাংবাদিক তা আপনাদের অজানা নয়। তাদের অনুমতি ছাড়া আমি নামটা লিখতে পারলাম না। তারাও একটু সচ্ছলতার কথা ভেবেই টাকাগুলো বদরুলকে দিয়েছিল।

১ জন দিয়েছে ১০ লাখ, ১ জন ৫ লাখ, আরেকজন ২০ লাখ এবং আমার ১৫ লাখ। সবার কাছেই বদরুলের দেয়া চেক আছে। যাইহোক, টাকা হয় তো ফিরে পাবো আদালতের মাধ্যমে হলেও কিন্তু অন্যের হাতে টাকা থাকলে সেটাকা নিজের বলে আর কতটা দাবি করা যেতে পারে। শেষ পর্যন্ত এটাই মনে হলো যে, বাঁচার জন্য দৌঁড় শুরু করে মৃত্যুর দরজায় এসে পৌঁছলাম। বাকিটা আল্লাহর হাতে ছেড়া দিলাম। আমরা হয়তো লোভে পড়ে গিয়েছিলাম। সে জন্য সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আত্মহত্যা করার মতো পরিস্থিতি বদরুল তৈরি করে দিয়েছে।

সাইফ আলিীর প্রোফাইল লিংক  ……………..

নিউজ ঢাকাhttps://www.facebook.com/newsdhaka24/

আরো পড়ুন, কেরানীগঞ্জে থানা থেকে হত্যা মামলার আসামীর পলায়ন; পাচ পুলিশ ক্লোজhttps://newsdhaka24.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%a4/

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)প্রতিনিধি:

গত ১৮ অক্টোবর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এম ভি কীর্তনখোলা লঞ্চে তুচ্ছ ঘটনায় বাবুর্চি রুবেলকে (২২) খুন করে ঐ লঞ্চের হোটেলের হোটেলবয় ইয়ামিন (১৮) । খুন করার সাথে সাথে ইয়ামিন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানায় ইয়ামিনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

হত্যা মামলায় তদন্তভার পান এস আই আবু সিদ্দিক। মামলার পলাতক আসামী ইয়ামীনকে গত শুক্রবার গ্রেপ্তার করে থানায় এনে পরিদর্শক অপারেশনস কক্ষে জিঞ্জাস করে এস আই সিদ্দিক ও এস আই মিযান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে

About News Dhaka Desk

Check Also

কেরানীগঞ্জ গ্র্যাজুয়েট সোসাইটি

আলোর মিছিল করে শহীদ বুদ্ধিজীবিদের স্মরণ করলো কেরানীগঞ্জ গ্র্যাজুয়েট সোসাইটি

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে শতাধিক মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোর মিছিলের মাধ্যমে ১৯৭১ এর ১৪ ...

আবারো কেরানীগঞ্জের সেই প্লাষ্টিক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

বছর না ঘুরতেই কেরানীগঞ্জে সেই ‘প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’র কারখানায় ফের আগিুকান্ডের ঘটনা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *